ডেটিং সাইটের ফাঁদে ফেলে ৫ নারীকে-331731 | বিদেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


ডেটিং সাইটের ফাঁদে ফেলে ৫ নারীকে ধর্ষণ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ মার্চ, ২০১৬ ১৬:১৩



ডেটিং সাইটের ফাঁদে ফেলে ৫ নারীকে ধর্ষণ

ডেটিং সাইটের মাধ্যমে সাক্ষাৎ। তারপর ফাঁদে ফেলে ৫ নারীকে ধর্ষণ। শারীরিকভাবে নির্যাতন আরও দুজনকে। সব ঘটনাগুলিই আদালতে প্রমাণিত। যার জন্য দোষী ব্যক্তির শাস্তি হতে চলেছে খুব শিগগিরই। তার নাম জনসন লরেন্স। থাকেন ইংল্যান্ডের হাম্পাশায়ারের ডার্বিশায়ার।

২০১১ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যেই এই ঘটনাগুলি ঘটিয়েছে জনসন। এমনই জানিয়েছে আদালত। ম্যাচ ডট কম নামে একটি ডেটিং সাইটে দুটি প্রোফাইল খোলে সে। শুরু হয় কুকর্ম। আদালত জানিয়েছে, সেই সাইটে মেয়েদের সঙ্গে অফলাইনেও কথা বলত সে। ম্যাচ ডট কমের মাধ্যমে পরিচিত এক নারীকেই বিয়েও করে জনসন। তারপরে ৩ নারীকে যৌন নীপিড়ন করে সে। ২০১৪ সালে ডার্বিশায়ার পুলিশ স্টেশনে এক মহিলা জনসনের বিরুদ্ধে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ করেন।

আদালত জানিয়েছে, ২০১১ সালে প্রথমে ভ্যানে করে শহর থেকে দূরে গিয়ে এক নারীকে ধর্ষণ করে সে। এরপর ২০১৩ সাল। লিঙ্কনশায়ারের স্পেলডিংয়ে এক মহিলাকে ধর্ষণে উদ্যত হয় সে। ওই বছরেরই নভেম্বর মাসে এক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে জনসন। জানা গেছে, মিলনের সময় তীব্র চিৎকার করে ওঠেন নারী। বিষয়টি যে অত্যাচারের পর্যায়ে চলে গেছিল তা জানা গেছে জনসনের মেসেজ থেকেই।

আরও মারাত্মক ঘটনাটা ঘটে ২০১৪ সালে। নিজেকে যৌন শিকারি বলে পরিচয় দেওয়া জনসন জানিয়েছে, যৌন সঙ্গমের সময় এক নারীকে সে তীব্র নিপীড়ন করেছিল। এ ছাড়াও ওই একই বছরে হোটেলে এক নারীর সঙ্গে যৌনসঙ্গম করার সময় তাঁকে চড় মারে জনসন। তার এক মাস পরই আরও দুই নারী তার যৌন অত্যাচারের শিকার হন। যদিও সব ঘটনাগুলিকেই সম্মতিসূচক যৌনসঙ্গম বলে দাবি করেছে আসামি জনসন।

মন্তব্য