বলিউডের মাদকাসক্ত তারকারা-331728 | বিদেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


বলিউডের মাদকাসক্ত তারকারা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ মার্চ, ২০১৬ ১৬:০০



বলিউডের মাদকাসক্ত তারকারা

বলিউডের গ্ল্যাম-বয়, গ্ল্যাম-গার্লদের মধ্যে কয়েকজনের ড্রাগের নেশা ছিল। হয়তো এখনও আছে কারো কারো। তবে সবার কথা তো সামনে আসে না। যদিও বা আসে সেটা একদম শেষ পর্যায়ে। নিজেদের সেলিব্রিটি স্টেটাসের জন্য, এঁরা সবাই মুখে কুলুপ এঁটে থাকেন। যাঁরা পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন কখনও কোনোভাবে, শুধু তাঁদের কথাই সামনে এসেছে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় দত্ত, গৌরি খান, ফরদিন খান ও আরও অনেকে। তবে রণবীর কাপুর কখনও ধরা পড়েননি। তিনি নিজেই জানিয়েছেন নিজের কথা।

রণবীর কাপুর
রণবীর আসলে বেশ খোলামেলা। অনেক কথাই বলেন রাখঢাক না করে। ওঁর স্বীকারোক্তি, একসময় মাদকাসক্ত ছিলেন। অ্যাক্টিং স্কুলে যাওয়ার সময় থেকেই তিনি ড্রাগের নেশায় পড়েন। তবে শুধু পড়ার সময়ই নয়, এরপর অভিনয় জীবনে প্রবেশ করার পরও বেশ কিছুদিন ড্রাগ ছিল তাঁর জীবনে। রকস্টার করার সময় নেশার মাত্রা বেড়েছিল। পরে নিজেই নিজেকে শোধরান। এখন অবশ্য বলেন, অভিনয়ে পারফেকশন আনার জন্য ড্রাগ নিতেন। ঠিক বা ভুল- বিচারের দরকার নেই। ড্রাগ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন, এই অনেক।

ফরদিন খান
ড্রাগের কারণে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। কোকেন সমেত ধরা পড়েন মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ড্রাগের নেশা কাটানোর জন্য পরবর্তীকালে চিকিৎসাও করা হয়। তবে ইদানীং আর কিছু শোনা যায়নি।

সঞ্জয় দত্ত
১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণ মামলার আগে তিনি আরও একটি মামলায় ফেঁসেছিলেন। সেটি ছিল মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত। ৯ বছর ধরে তিনি ড্রাগ অ্যাডিক্ট ছিলেন বলে স্বীকারও করেছিলেন সঞ্জয় দত্ত। এর জন্য ১৯৮২ সালে গ্রেপ্তার হন। পাঁচ মাস জেলে খাটেন সেবার।

সুজানে খান
শুধু পুরুষ নন। লিস্টে নাম আছে নারীদেরও। যেমন সুজানে খান। শোনা যায়, কোকেনের নেশা ছিল তাঁর। হৃতিকের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের এটাও নাকি অন্যতম কারণ।

বিজয় রাজ
অভিনেতা হিসেবে বিজয় রাজের খ্যাতি আছে বলিউডে। কিন্তু তিনিও ড্রাগের কবলে পড়েছিলেন। ড্রাগ রাখার কারণে ২০০৫ সালে দুবাই থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গৌরি খান
বার্লিন এয়ারপোর্টে ধরা পড়েছিলেন গৌরি খান। তাঁর কাছে তখন মারিজুয়ানা (marijuana) ছিল। কিন্তু পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কারণ, তাঁর কাছে যে ড্রাগ পাওয়া গিয়েছিল তার পরিমাণ ছিল সামান্য। গৌরি বলেছিলেন, সেটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কাছে রেখেছিলেন তিনি।

প্রসাদ বিদাপ্পা
বিখ্যাত ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব প্রসাদ বিদাপ্পাও ধরা পড়েছিলেন ড্রাগ রাখার অভিযোগে। দুবাই বিমানবন্দরে তাঁর কাছ থেকে ১.৫ গ্রাম মারিজুয়ানা উদ্ধার করা হয়। ৩৩ দিন তাঁকে আটক করে রাখা হয়েছিল।

রাহুল মহাজন

প্রমোদ মহাজনপুত্র একবার ওভারডোজ নিয়ে ফেলেছিলেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখান থেকে সোজা জেলে যান তিনি। রাহুলের ছিল কোকেনের নেশা। 

মন্তব্য