ভারতের ছাত্রনেতা কানহাইয়ার জামিন-331707 | বিদেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বুধবার । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৩ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৫ জিলহজ ১৪৩৭


ভারতের ছাত্রনেতা কানহাইয়ার জামিন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ মার্চ, ২০১৬ ১৪:৩১



ভারতের ছাত্রনেতা কানহাইয়ার জামিন

রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ছাত্র ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কানহাইয়া কুমার জামিন পেয়েছেন। বিবিসি বলছে, বুধবার দিল্লির তিহার জেল থেকে ছয় মাসের জামিনে তাকে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দেন উচ্চ আদালত। ১০ হাজার রুপিতে তার জামিন নির্ধারিত হয়। কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী ও ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্টে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত মোহাম্মদ আফজাল গুরুর ফাঁসির তৃতীয় বার্ষিকীতে গেল মাসে জেএনইউ ক্যাম্পাসে এক প্রতিবাদ সমাবেশের পর গ্রেপ্তার হন কানহাইয়া।

২০০১ সালে ভারতের পার্লামেন্টে হামলা পরিকল্পনার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন আফজাল গুরু। যদিও বরাবরই ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। কাশ্মীরের জঙ্গিদের ওই হামলায় ১৪ জন  নিহত হয়েছিল। বিচারে আফজাল গুরুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। ওই সমাবেশে কানহাইয়া ও তার সহযোগীরা ভারতবিরোধী স্লোগান দিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। একই অভিযোগে আটক দুই জেএনইউ ছাত্র উমর খালিদ ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য এখনও পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এই দুজনকে গেল সপ্তাহে গ্রেপ্তার করা হয়।

কানহাইয়ার গ্রেপ্তারের পরপরই ভারতজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়। সরকার বাকস্বাধীনতা ও ভিন্নমতের ওপর দমনপীড়ন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিবাদকারীরা। কিন্তু কানহাইয়ার গ্রেপ্তারের পক্ষে কথা বলেছে দিল্লির বিজেপি সরকার। কানহাইয়া ও তার সহযোগী ছাত্ররা কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন সমর্থন করে ভারত ভাগে ইন্ধন দিচ্ছেন বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে সরকার। ছাত্রদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনার নিন্দা জানিয়েছেন সমালোচকরা। এটিকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ বলে মনে করছেন তারা। কিন্তু বিজেপি সরকারের মন্ত্রীরা অভিযোগ তুলে নিতে অস্বীকার করে জাতীয়তাবিরোধী উপাদান পাওয়া গেলে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার কথা বলেছেন।

 

মন্তব্য