‘মসুল বাধ ধসে মারা যেতে পারে ১৫ লাখ-330932 | বিদেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


‘মসুল বাধ ধসে মারা যেতে পারে ১৫ লাখ মানুষ’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ মার্চ, ২০১৬ ১৯:২৫



‘মসুল বাধ ধসে মারা যেতে পারে ১৫ লাখ মানুষ’

ইরাকের ট্রাইগ্রিস নদীর মসুল বাধের সম্ভাব্য ধস নিয়ে ওই এলাকায় বসবসারত নাগরিকদের হুঁশিয়ার করে দিয়েছে ইরাক সরকার এবং বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস। আলাদা বিবৃতিতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-এবাদি বলেছেন, মসুল বাধ যেকোনো সময় ধসে যেতে পারে এবং বাধের আশপাশে বসবাসরত লোকজনকে অন্তত ছয় কিলোমিটার দূরে চলে যেতে হবে।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তারপরও বাধ ধসের আশংকা রয়েছে। তবে মার্কিন দূতাবাস থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মসুল বাধ ধসের বিষয়ে মারাত্মক ও নজিরবিহীন আশংকা রয়েছে। এ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “বাধ কখন ধসে পড়বে সে বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই তবে শিগগিরি বাধ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়াই হবে লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।”

মার্কিন দূতাবাস থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ বাধের সম্ভাব্য ধসের কারণে মসুল এলাকা ৭০ ফুট পানির নিচে ডুবে যেতে পারে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে টাইগ্রিস নদীর পাড়ে বসবাসরত ১৫ লাখ মানুষ মারা যেতে পারে।

১৯৮৪ সালে সাদ্দামের আমলে ৩.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বাধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। কিন্তু এরইমধ্যে বাধে ফাটল বা ছিদ্র দেখা দিয়েছে। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে এ বাধ উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল বা দায়েশের হাতে পড়ে এবং তখন থেকেই আশংকা দেখা দেয় যে, সন্ত্রাসীরা মসুল বাধ উড়িয়ে দিতে পারে। দু সপ্তাহ পর ইরাকের সরকারি সেনা ও কুর্দি যোদ্ধাদের সম্মিলিত হামলার পর সন্ত্রাসীরা বাধ এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। কিন্তু আমেরিকা বলছে, দায়েশ সন্ত্রাসীরা সেখান থেকে অনেক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম চুরি করেছে। সে কারণে বাধ ধসের আশংকা দূর হয় নি। - সূত্র : আইআরআইবি

মন্তব্য