রুমমেটের মস্তিষ্ক ভক্ষণ ! ৩৮ বছর পরে-330891 | বিদেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


রুমমেটের মস্তিষ্ক ভক্ষণ ! ৩৮ বছর পরে মুক্তি নরখাদকের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ মার্চ, ২০১৬ ১৭:১৬



রুমমেটের মস্তিষ্ক ভক্ষণ ! ৩৮ বছর পরে মুক্তি নরখাদকের

ডেভিড অ্যালেন চ্যাপিন। নামটার সঙ্গে নিশ্চয়ই পরিচিত নন আপনারা। কিন্তু, আপনাদের সঙ্গে যদি ব্যক্তিটির পরিচয় করিয়ে দিই একজন নরখাদক হিসেবে। তাহলে নিশ্চয়ই একটু নড়েচড়ে বসবেন। হ্যাঁ, নরখাদক হওয়ার অপরাধে এই ব্যক্তিটিই ৪০ বছর হাজতবাসের সাজা ভোগ করছে। ইতিমধ্যেই ৩৮ বছরের শ্রীঘর বাস করেও ফেলেছে সে। আপাতত প্যারোলে মুক্তি পেয়েছে। ডেভিডের বয়স এখন ষাটের কোটায়।

বন্ধু ডোনাল্ড লিমিংয়ের সঙ্গে মিলফোর্ডের একটি আবাসনে থাকত চ্যাপিন। তখন তার বয়স ২৩। ব্যাপটিস্ট সম্প্রদায়ের ছিল সে। লিমিং ছিল ক্যাথলিক। সেইসঙ্গে বৌদ্ধ ও পাগান ধর্মেও বিশ্বাসী ছিল সে। ১৯৭৮-এর অক্টোবরে কোনও একদিন ধর্মীয় সংঘাতের জেরে লিমিংকে গুলি করে হত্যা করে চ্যাপিন। এরপরে আরও ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটিয়েছিল সে। শৈশবের বন্ধু ও রুমমেটের মস্তিষ্কই নাকি খেয়ে ফেলেছিল সে। শুধু তাই নয়, খুনের পরে দেহটি একটি ট্রাঙ্কে ঢুকিয়ে সোজা গাড়ি চালিয়ে হাজির হয়েছিল বায়োলজি ক্লাসে। সেখানে প্রফেসরকে চ্যাপিন বলেন, ডিসেকশনের জন্য একটা বডি এনেছে সে। আদালতে তার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পরে ৪০ বছরের কারাবাস হয় চ্যাপিনের।

জেরার মুখে আদালতকে চ্যাপিন জানিয়েছে,বন্ধুর মস্তিষ্ক খাওয়াটা“মিউচুয়াল এগ্রিমেন্ট”ছিল। এবং আদালতকে হত্যাকাহিনি সে হাসিমুখেই শুনিয়েছে। যদিও এতে তার সাজা কম হয়নি !

মন্তব্য