kalerkantho


একটু আলাদা

ঝালরওয়ালা গিরগিটি

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ঝালরওয়ালা গিরগিটি

শত্রুর হাত থেকে বাঁচার জন্য একেক প্রাণীর থাকে একেক ধরনের ব্যবস্থা। এখন যে গিরগিটিটির কথা বলব, বিপদে পড়লে এরা গলার চারপাশে বিশাল একটা ঝালর মেলে দেয়।

তখন দেখতে বেশ বড়সড় আর ভয়ংকর লাগে। যে প্রাণীটি আক্রমণ করতে এসেছিল সেটাও ভড়কে যায় কখনো কখনো। তাই এদের নাম ফ্রিলড নেকড লিজার্ড বা ঝালর গলার গিরগিটি।

মুখ খুলে হিসহিস শব্দ করেও শত্রুকে ভয় দেখাতে পারে এরা। তবে এগুলোর কোনো কিছুতেই যখন কাজ হয় না, তখন পিঠটান দেয়। এক দৌড়ে উঠে পড়ে গাছে। ভয় পেলে সাধারণত পেছনের দুই পায়ে ভর দিয়ে দৌড়ায়। এ কারণে এদের বাইসাইকেল লিজার্ডও বলা হয়।

 

মেয়ে গিরগিটিরা আট থেকে ২৩টি ডিম পাড়ে।

বাচ্চারা ছোট থাকতেই স্বাবলম্বী। বুনো অবস্থায় কত দিন বাঁচে জানা যায়নি। তবে পোষা ঝালরওয়ালা গিরগিটি ২০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। লেজসহ লম্বায় বড়জোর আড়াই-তিন ফুট। ওজন টেনেটুনে আধা কেজি। গলার ঝালরটা সাধারণত ভাঁজ করা বা গোটানো থাকে। যখন মেলে তখন ১২-১৪ ইঞ্চি চওড়া হয়। গায়ের রং বাদামি থেকে লাল। তবে চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে মিশে যাওয়ার জন্য রং বদলাতে পারে এ গিরগিটিরা। উত্তর অস্ট্রেলিয়ার গরম এলাকাগুলোতে এদের দেখা পাবে। দিনে চলাফেরা করে বেশি। সকালে আর দুপুরের পর রোদ পোহাতে দেখা যায়। বেশির ভাগ সময় কাটায় গাছে। খাবার তালিকায় আছে পিঁপড়া, পোকা-মাকড়, ছোট গিরগিটি, মাকড়সা।    —তুষার ইশতিয়াক


মন্তব্য