kalerkantho


নিজে বানাই

ও আমার বর্ণমালা

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ও আমার বর্ণমালা

‘ভাষার জন্য যারা দিয়ে গেছে প্রাণ

ভুলিনি আমরা ভুলিনি আমরা’

মুখের ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে বাঙালি জাতি। বিশ্বে এমন উদাহরণ আর নেই।

অনেক রক্ত ঝরিয়ে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় বাংলা ভাষা। বাংলা আমাদের প্রাণের ভাষা। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা।

বাংলাকে ধারণ করে আজ বানিয়ে ফেলতে চাই বর্ণমালাস্ট্যান্ড। যে শিশুটি এখনো বর্ণমালার সঙ্গে পরিচিত হয়নি, সেও যেন এটি দেখে শিখতে পারে বাংলা বর্ণ। একটু খেয়াল করো, কী কী লাগছে বর্ণমালাস্ট্যান্ডটি বানাতে।

 

যা যা লাগবে

হলুদ পোস্টার কালার, পেনসিল, ১০ নম্বর ও শূন্য আকারের জলরং তুলি, কমলা, কালো ও সবুজ জলরং, খালি হয়ে যাওয়া লম্বা একটি চিপসের টিন, সবুজ সিগনেচার কলম, ১০ নম্বর জলরং তুলি ও পানি।

 

শুরুতেই ভালোভাবে পরিষ্কার করে নাও চিপসের খালি টিনটি। তারপর ১০ নম্বর জলরং তুলি পানিতে ভিজিয়ে হলুদ রঙের পোস্টার কালার লাগিয়ে পুরো টিনটি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে রং করে নাও।

প্রথমবার রং করার পর শুকিয়ে নিয়ে দেখো, কোন কোন জায়গায় আবারও রং করার প্রয়োজন আছে। সেখানে আরেকবার রং করো। এবার শুকিয়ে নাও ভালোভাবে।

পেনসিল দিয়ে টিনের গায়ে বর্ণমালাগুলো লেখো। লিখতে পারো অ, ক, উ ইত্যাদি। তারপর শূন্য নম্বর জল রং তুলি পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে পানি ভালোভাবে ঝরিয়ে লাল জলরং ব্যবহার করে বাংলাভাষার প্রথম বর্ণ অ আঁকো। তারপর একই কায়দায় ব্যঞ্জনবর্ণের প্রথম বর্ণ ক রং করো। তারপর বাকি থাকে উ। ক লিখতে কালো রং ব্যবহার করো। আর উ লিখতে লাল। সাবধানে ভীষণ মনোযোগ দিয়ে তুলি দিয়ে এগুলো রং করে যাও। বাতাসে শুকাতে দাও এবার। শুকিয়ে গেলে আলপনার কাজে হাত দাও। বর্ণমালাগুলোর ধারঘেঁষে বিভিন্ন রকম লতা-পাতা এঁকে যাও। প্রথমে পেনসিল দিয়ে আঁকো। পরে ছোট তুলিটা দিয়ে রং করে দাও। আলপনায় তোমার ইচ্ছামতো রং ব্যবহার করতে পারো।

আর টিনের উল্টো দিকেও তোমার ইচ্ছামতো আলপনা আঁকতে পারো।

কাজ শেষে বর্ণমালা স্ট্যান্ডটি তুমি রাখতে পারো তোমার পড়ার টেবিলের এক কোণে। যা তোমার মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জাগাবে সব সময়।

     —তারেকা জুজু


মন্তব্য