kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নিজে বানাই

বন্ধুর জন্য উপহার

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বন্ধুর জন্য উপহার

বন্ধুকে উপহার দিতে উপলক্ষ লাগে না। বন্ধুকে উপহার দেওয়া যায় যেকোনো সময়।

ঘরের কোণে পড়ে থাকা নানা জিনিস দিয়েই বানাতে পারো উপহারটি। চলো তাহলে নিশিতা বন্ধুর জন্য এমন সব টুকিটাকি দিয়ে কী উপহার বানিয়েছে তা দেখে আসি একবার।

উপহারটি বানাতে নিশিতার লেগেছে আইসক্রিমের একটি শক্ত চামচ, কোন আইসক্রিমের কোণাকৃতির খানিকটা কাগজ, চকলেটের চকচকে খোসা, মায়ের কপালের টিপ, আইকা আঠা, আর চকবার আইসক্রিমের একটি স্টিক। সবশেষে পুতুলটি বসানোর জন্য নিশিতার লেগেছে আকাশি-নীল রঙের চার্ট পেপারের একটি টুকরো।

আইসক্রিমের চামচটিকে উল্টো করে ধরে নিশিতা আইকা আঠা দিয়ে চামচের ওপর বসিয়ে দিল চারটি টিপ। হয়ে গেল চোখ, নাক আর মুখ। চামচের হাতলটিকে ঢাকতে কোণ আইসক্রিমের কাগজটি কাঁচি দিয়ে খানিকটা ছেঁটে ফেলে দিল। তারপর সেটি চামচের হাতলে পরিয়ে দিল আইকা আঠা লাগিয়ে। পুতুলের চোখ, নাক আর মুখের ওপরের দিকে চামচের মাথায় টুপি পরাতে নিশিতা ব্যবহার করল চকচকে চকলেটের খোসা, সেটাও কোণাকৃতির করে নিল নিশিতা।

পুতুলের হাত কিভাবে দেবে? ভাবনায় পড়ে গেল নিশিতা। কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলল সমাধান। একটি আইসক্রিমের স্টিক আইকা আঠা দিয়ে লাগিয়ে ফেলল ঝটপট। ওটাই হয়ে গেল পুতুলের হাত। হাতে একটু বেশিই আঠা লাগাতে হলো। কারণ আইসক্রিমের স্টিক বেশ শক্ত। পুতুল তৈরির কাজ যখন শেষ, তখন পুতুলটি নিশিতা বসিয়ে দিল আকাশি-নীল রঙের চার্ট পেপারের টুকরোটিতে। তারপর বন্ধুর উপহারটি পৌঁছে দিল।

বন্ধুরা তোমরা যারা এমন উপহার বন্ধুকে দিতে চাও তারা কিন্তু নিশিতার পুতুল তৈরির পদ্ধতিটি অনুসরণ করে বানাতে পারো একটি পুতুল।

 

—তারেকা জুজু


মন্তব্য