kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ছোট হাতে বড় কাজ

দুই বছরেই আঁকিয়ে

সজল সরকার

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



দুই বছরেই আঁকিয়ে

কে বলবে এটা সাত বছর বয়সী এক শিশুর আঁকা! রঙের এমন বিমূর্ত ব্যবহারের জন্য চিন্তার ঘোড়াটাকে ছোটাতে হবে অনেক দূর

২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে চিত্রশিল্পী মা-বাবার ঘরে জন্ম মিষ্টি মেয়ে এলিটা আন্দ্রের। বয়স ৯ মাস হতেই হাতে উঠে আসে তুলি আর রং।

আঁকিবুঁকি করতে করতে একসময় ওই তুলিই হয়ে যায় একমাত্র খেলার সাথি। আর ছোট্ট এলিটাও মজা পেয়ে যায় রঙের দুনিয়ায়।

এলিটার মা-বাবাও ছবি আঁকেন। তাই এলিটা শিখেছেও দ্রুত। মা-বাবার স্টুডিওর মেঝেতেই সময় কাটত তার।

এলিটার বয়স তখন ২২ মাস। তত দিনে অনেক ছবি এঁকে ফেলেছে ও। মা ভাবলেন এলিটার চিত্রকর্ম নিয়ে একটি প্রদর্শনী করলে মন্দ হয় না। মেলবোর্নভিত্তিক একটি প্রদর্শনী হলের কিউরেটরের সঙ্গে কথা বললেন তিনি, রাজিও করালেন। তবে ওই কিউরেটর তখনো জানত না যে এ শিল্পকর্মগুলো দুই বছরেরও কম বয়সী এক শিশুর। কথামতো মেলবোর্নের বার্নসউয়িক স্ট্রিট গ্যালারির পরিচালক মার্ক জেমিসন এক যৌথ প্রদর্শনীতে এলিটার চিত্রকর্মকে স্থান দেন। দর্শনার্থী ও বিশেষজ্ঞদের কাছে দারুণ নাম করে এলিটার ছবি। পরে এলিটার চিত্রকর্ম নিয়ে নিয়মিত প্রদর্শনীর আয়োজন করতে থাকেন জেমিসন। পরিচালকসহ অন্যরা বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে এগুলো ২২ মাস বয়সী এক শিশুর কাজ।

এলিটা আন্দ্রের প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনী হয় মাত্র চার বছর বয়সে, ২০১১ সালে। ‘দ্য প্রডিজি অব কালার’ শিরোনামে এলিটার প্রদর্শনী দারুণ প্রশংসিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন আর্ট গ্যালারি ও ম্যাগাজিনে এলিটার চিত্রকর্ম ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এখন এলিটার বয়স আট বছর। সিডনির একটি স্কুলে পড়ছে। আর যথারীতি বড় শিল্পীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এঁকে চলেছে দারুণ সব ছবি।

—সজল সরকার


মন্তব্য