kalerkantho


বাস্তবেই এক রূপকথার রাজ্য তুরস্কের 'কাপ্পাডোসিয়া'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ মার্চ, ২০১৭ ১৮:০৮



বাস্তবেই এক রূপকথার রাজ্য তুরস্কের 'কাপ্পাডোসিয়া'

তুরস্কের কাপ্পাডোসিয়ার কথা শুনেছেন কখনো। অনেকে হয়তো চেনেন এবং ঘুরেও এসেছেন।

কিন্তু যারা দেশের বাইরে একটু ঘুরে আসার চিন্তা করছেন, তাদের জন্য এই 'রূপকথার চিমনী'র শহরটি না দেখলেই নয়। আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে বিস্ময়কর ভৌগলিক বৈচিত্র্যমণ্ডিত হয়েছে অঞ্চলটি। মাটির নিচে রয়েছে প্রাচীনকালের এক শহর। এটি স্থাপিত হয় খ্রিষ্টপূর্ব ১ হাজার অব্দে। গুহার ভেতরের প্রার্থনালয় ছিল খ্রিস্টানদের প্রথমদিকের ইতিহাসের স্বাক্ষী। আধুনিক যুগে এই অঞ্চলটি বিপুল পরিমাণ 'হট এয়ার বেলুন' ওড়ার জন্য বিখ্যাত। আর প্রাচীন শহরের অমূল্য সম্পদ তো রয়েছেই এখানে।

 

এখানকার মানুষগুলো অদ্ভুতভাবে বাস করেন। তারা বিস্ময়কর আকার ও আকৃতির সব অদ্ভুতদর্শন পাথুরে বাড়িতে বাস করেন।

অগ্ন্যুৎপাতের ফলে লাভার উদগীরণ এবং এদের মাধ্যমে সৃষ্ট পাথুরে পিলার গড়ে উঠেছে এখানে সেখানে। এক সময় পানি ও বরফের কারসাজি এই ভ্যালিকে এক পৃথক পাহাড়ে পরিণত করেছে। এর ভৌগলিক বয়ান চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। প্রকৃতির বিচিত্র খেয়াল যেন কাপ্পাডোসিয়াতেই দেখা যাবে। আর প্রতিদিন আকাশে ওড়া শত শত রঙীন বেলুন এলাকাটিকে রূপকথার রাজ্যে পরিণত করে। সূত্র: ইন্টারনেট

 


মন্তব্য