kalerkantho

গেইমস

জোম্বি দুনিয়ায় বাঁচার লড়াই

মোহাম্মদ তাহমিদ   

১৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জোম্বি দুনিয়ায় বাঁচার লড়াই

জোম্বিদের বিরুদ্ধে লড়াই করে বেঁচে থাকাকে মূল প্রতিপাদ্য করে তৈরি হওয়া গেইমের অভাব নেই। কিন্তু লাইফ আফটার সেসব গেইমের চেয়ে কিছুটা ব্যতিক্রম।

পাবজির মতো এয়ারড্রপ থেকে বন্দুক এবং প্রয়োজনীয় রসদ জোগাড়, ফর্টনাইটের মতো চারপাশ থেকে কাঁচামাল নিয়ে প্রতিরক্ষা তৈরি এবং আর্ক সার্ভাইভালের মতো নিজের অস্ত্র, খাবার ও ওষুধ নিজেই তৈরি করার গেইমপ্লেগুলো একত্র করে বানানো হয়েছে এই গেইম। সঙ্গে আছে ‘ডেসটিনি’ গেইমের মতো একটি মূল এলাকা, যেখান থেকে বন্ধুদের সঙ্গে কো-অপ মিশনে যাওয়া যাবে। একে অপরের সঙ্গে বিনিময় করা যাবে নিজেদের সংগ্রহে থাকা সামগ্রী।

লাইফ আফটারের শুরুতে দেখা যাবে, বিজ্ঞানীরা একটি ভাইরাস নিয়ে গবেষণার সময় সেটি অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছড়িয়ে পড়লে মানুষ জোম্বিতে পরিণত হতে শুরু করে। কিছু মানুষ আবার বিশেষ মিউট্যান্ট বা দানবেও পরিণত হয়। গেইমারের চরিত্রকে এর মধ্যেই টিকে থাকতে হবে, শেষ করতে হবে মিশন। এমএমও ঘরানার হওয়ায় গেইমটিতে সিঙ্গেল প্লেয়ার কাহিনি তেমন নেই, আছে কো-অপ। মিশনগুলোর লক্ষ্য নতুন এলাকা দখল, সেফহাউস নির্মাণ বা অন্য চরিত্রদের বাঁচানো।

গেইমের মূল কেন্দ্রবিন্দু হোপ ১০১ টাউন। এখানেই কেনা যাবে নতুন অস্ত্র, পাওয়া যাবে মিশন, দেখা করা যাবে অন্য গেইমারদের সঙ্গে।

প্রত্যেক গেইমারকে দেওয়া হবে একটি এলাকা, যেখানে তাকে তৈরি করতে হবে নিজস্ব ঘর, রসদ তৈরির কারখানা আর শত্রু থেকে বাঁচার জন্য প্রতিরক্ষা। এদিক থেকে আর্ক সার্ভাইভালের সঙ্গে গেইমটির বেশ মিল। 

লাইফ আফটারের মূল সমস্যা, অনলাইন ছাড়া একেবারেই খেলা যাবে না। তবে ডাউনলোড সাইজ খুবই কম। গেইমার চাইলে শুধু বন্ধুদের সঙ্গে খেলার জন্য আলাদা করে গেইম হোস্ট করতে পারবেন। এ ছাড়া পাবলিক লবি তো আছেই।

 

খেলতে যা যা লাগবে

অন্তত আইওএস ৯ বা অ্যানড্রয়েড ৪ অপারেটিং সিস্টেম, ডুয়ালকোর প্রসেসর আর ২ গিগাবাইট র‌্যাম। গেইমটি ১৭ বছর বা ততোধিক বয়সীদের জন্য।

 

ডাউনলোড লিংক

অ্যানড্রয়েড : https://goo.gl/HdtnNq

আইওএস : https://itunes.apple.com/ us/app/lifeafter/id1441752845?mt=8

মন্তব্য