kalerkantho


আলোর খোঁজে যাত্রা

সামীউর রহমান

২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



আলোর খোঁজে যাত্রা

কোনো এক গ্রহে একসময় অ্যাশেন নামের এক আলোর পাখি ছিল। যার আলোয় আলোকিত হয়ে থাকত সেই গ্রহ। একসময় সেই পাখি চলে গেল, নেমে এলো অন্ধকার। তারপর হঠাৎ এক বিস্ফোরণে ভেসে উঠল আলোর রেখা। বহু বছর পর সবাই চোখে দেখতে শুরু করল। তখন একদল বাসিন্দার মনে হলো, অ্যাশেনকে ফিরিয়ে আনা হয়তো সম্ভব। তাকে ফিরিয়ে আনার জন্যই গঠন করা হলো একটা দল। সেই দলের চেহারাবিহীন নেতার ভূমিকায়ই খেলতে হবে গেইমারকে।

অ্যাশেন একটা অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চার গেইম, যেখানে সময়ের সঙ্গে চরিত্রটি আরো ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়। আলোর সন্ধানে বের হওয়া গেইমারের হাতে আছে একটা হাতুড়ি। তা নিয়েই সে লড়ে অন্ধকারে ওত পেতে থাকা শত্রুর। খুঁজে বের করে একেকটা প্রত্ননিদর্শন। বের করে পবিত্র মন্ত্র। অন্ধকারের গা ছমছমে অনুভূতিতে আলো ফিরিয়ে আনার লড়াই নিয়েই অ্যাশেন গেইম।

গেইমবিষয়ক ওয়েবসাইট গেইমস্পট তাদের রিভিউতে ৯ পয়েন্ট দিয়েছে অ্যাশেনকে। সাইটটির রিভিউতে লেখা হয়েছে—শত্রু গঠন এবং গড়নে আছে বৈচিত্র্য। অস্ত্রগুলো কাস্টমাইজ করার সুবিধা আছে। ঝুঁকি আর পুরস্কারের ভালো একটা ভারসাম্য আছে।

একেকটা অভিযান শেষ করার পর বাড়বে অস্ত্র ও সক্ষমতা। ডার্ক সউলস গেইমের সঙ্গে অনেক মিল খুঁজে পেতে পারেন গেইমাররা। আদতে এক্সবক্স এক্সক্লুসিভ এই গেইমটি খেলা যাবে পিসিতেও।

অন্ধকারের রাজ্যে নামহীন এক সৈনিকের ভূমিকায় খেলে আলো ফিরিয়ে আনার লড়াইটা লড়তে হয়তো অনেকেরই ভালো লাগবে। তবে গেইমের গল্প যেমন, গেইম প্লে সে অনুযায়ী খানিকটা একঘেয়ে—শুধু জায়গা আবিষ্কার, শত্রুর সঙ্গে লড়াই আর স্কোরিয়া সংগ্রহ। স্কোরিয়া হচ্ছে একধরনের মুদ্রা, যা এই গেইমে নতুন শক্তি ও অস্ত্র আনলক করতে ব্যবহার করা হবে। আরেকটা বাজে দিক মাঝে মাঝে এনপিসি (নন প্লেয়েবল ক্যারেক্টার)-দের কর্মকাণ্ড খুব বিরক্তিকর মনে হবে।

ডার্ক সউল, নিও, লর্ড অব দ্য ফলেন—এ ধরনের গেইম খেলে থাকলে অ্যাশেনও ভালো লাগতে পারে।

 

পিসিতে থাকতে হবে

৬৪ বিটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম

ইন্টেল কোরআই থ্রি ৩.৫০ গিগাহার্জ প্রসেসর

৪ গিগাবাইট র‌্যাম

এনভিডিয়া জিফোর্স জিটিএক্স ৭৬০ অথবা এএমডি আরসেভেন ২৭০এক্স

১৫ গিগাবাইট ফাঁকা জায়গা

বয়স

১৩+



মন্তব্য