kalerkantho

সিম্পল ওয়ার্ড

২২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



সিম্পল ওয়ার্ড

সিম্বল ব্যবহার : সিম্বল ব্যবহার করতে প্রথমে এমএস ওয়ার্ডের insert মেন্যু থেকে symbol অপশনে যেতে হবে। সেখানে অনেক সিম্বল বা প্রতীক পাওয়া যাবে। যদি আরো বেশি প্রয়োজন হয়, তাহলে ‘more symbol’ অপশনে প্রবেশ করে পছন্দের সিম্বলের ওপর ক্লিক করে ইনসার্ট বাটনে ক্লিক করতে হবে। ব্যবহারকারী যদি অন্য ভাষার কোনো প্রতীক/অক্ষর চান, তাহলে Normal কোনো ফন্ট যেমন Arial/Tahoma/Times New Roman ইত্যাদি নির্বাচন করে সেটি সংগ্রহ করা যাবে।

২. ফুটনোটের ব্যবহার : কোনো ছবির ক্যাপশন বা শিরোনাম দেওয়ার জন্য এমএস অফিসে ডকুমেন্টের ফুটনোট তৈরি করা যায়। যে লেখার পাশে ফুটনোট দিতে চান সেখানে কার্সর রেখে

 জবভবত্বহপব মেন্যু থেকে Footnote কমান্ড দিতে হবে। তারপর ডায়ালগ বক্স থেকে ফুটনোটের অবস্থান নির্বাচন করে

Insert বাটনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় ফুটনোট লিখে মূল ডকুমেন্টে ক্লিক করতে হবে। পরে ডকুমেন্টের যেখানে ফুটনোট দেওয়া হয়েছে, সেখানে মাউস পয়েন্টার রাখলেই ফুটনোট দেখা যাবে। এখান থেকে একইভাবে Endnote কমান্ডও দেওয়া যায়।

৩. স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফাইল সংরক্ষণ : কাজ করার সময় সেইভ করতে ভুলে যাওয়ার ঘটনা হরহামেশাই ঘটে। এমন ভুলোমনাদের জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে রয়েছে চমৎকার একটি ফিচার। স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট সময় পর পর সেইভ করার ব্যবস্থা রয়েছে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে। এ জন্য প্রথমে ওয়ার্ডের ওপরে বাঁ পাশ থেকে ফাইলে ক্লিক করে save as অপশনে ক্লিক করতে হবে। এবার tools অপশন থেকে save options-এ ক্লিক করলেই নতুন একটি উইন্ডো চালু হবে। যেখানে থেকে  save auto recover অপশনটি টিক চিহ্ন দিয়ে ডান পাশে কতক্ষণ পর পর সেইভ হবে তা নির্বাচন করতে হবে।

৪. ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত : লেখার মধ্যে কোনো ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করার প্রয়োজন হলে ইনসার্টে গিয়ে টেক্সটের অংশটি নির্বাচন করে ‘ hyperlink’-এ ক্লিক করতে হবে। এবার চালু হওয়া পেইজটির address-এর স্থানে ওয়েবসাইটের লিংক দিতে হবে।

৫. পেইজ নম্বর : হেডার ও ফুটার দেওয়ার প্রয়োজন না হলে ইনসার্ট মেন্যু থেকেও পেইজ নম্বর দেওয়া যায়। এ জন্য প্রথমে ইনসার্ট মেন্যু থেকে Page  Numbers-এ ক্লিক করতে হবে। এবার Position থেকে Bottom of page (Footer)/Top of page (Header) নির্বাচন করে

 Alignment থেকে এটি ডানে (Right) না বাঁয়ে (Left) থাকবে তা নির্দিষ্ট করতে হবে। পেইজ নাম্বারিং ফরম্যাট করতে চাইলে Format বাটনে ক্লিক করে তা নির্ধারণ করে Ok ক্লিক করতে হবে।৬. তারিখ ও সময় : কোনো চিঠি বা আবেদনপত্রে তারিখের প্রয়োজন হলে প্রথমে কার্সর নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে। তারপর ইনসার্ট মেন্যু থেকে উধঃব and Time-এ ক্লিক করে Available formats থেকে পছন্দের ফরম্যাটের ওপর ক্লিক করতে হবে।

তারিখ ও সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করতে চাইলে Update automatically চেক বক্সে ক্লিক করতে হবে। সবশেষে ok বাটনে ক্লিক করতে হবে ৭. গাণিতিক প্রতীক লেখা : গাণিতিক ফর্মুলা/প্রতীকগুলো সরাসরি টাইপ করা বেশ ঝামেলার কাজ। মাইক্রোসফট ইকুয়েশন অবজেক্টের সহায়তায় কাজটি সহজে করা যায়। এ জন্য ‘insert’ মেন্যু থেকে ‘Equation’ অপশনে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় সূত্র ও প্রতীক ব্যবহার করা যাবে।

৮. প্রিন্ট : মাইক্রোসফট অফিস থেকে কোনো টেক্সট ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য ফাইলে থাকা প্রিন্ট অপশনে ক্লিক করতে হব। এ ছাড়া কি-বোর্ডে একসঙ্গে ctrl+p চেপেও সরাসরি প্রিন্ট করা যাবে। 

প্রিন্টার নির্বাচন : প্রিন্ট অপশনে প্রবেশ করলে সবার আগে যে অপশনটি পাওয়া যাবে তা হলো প্রিন্টার। অপশনটির অ্যারো বাটনে ক্লিক করলে ড্রাপ ডাউনে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত এক বা একাধিক  প্রিন্টারের নাম দেখা যায়। এবার প্রিন্টারে নাম বা মডেল নির্বাচন করে প্রিন্ট অপশনের সেটিংসে গিয়ে প্রয়োজনীয় পেইজ সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। ডিফল্টভাবে ‘প্রিন্ট অল পেইজ’ অপশনটি সিলেক্ট করা থাকে।

৯.  ভিউ অপশনে : ভিউ মেন্যুতে রয়েছে শো অপশন।  ওয়ার্ড ফাইলে কাজের সুবিধার জন্য মার্জিন, লাইন, নেভিকেশন পেন রয়েছে এই অপশনটিতে। অপশনগুলোর পাশে টিক চিহ্ন দিলেই সেটি চালু হবে। আবার বন্ধের জন্য টিক চিহ্ন তুলে ফেলতে হবে।

১০. মাল্টিপল পেজেস : যদি একসঙ্গে দুটি ওয়ার্ড ফাইলের কাজ করার প্রয়োজন হয়, তাহলে পাশাপাশি দুটি ফাইল চালু করে কাজ করা যায়। এ জন্য ওয়ার্ডের ‘ারব’ি অপশনে প্রবেশ করে ‘multiple pages’ অপশন চালু করতে হবে।

১১. পিডিএফ ফাইল তৈরি : মাইক্রোসফট অফিস থেকে পিডিএফ ফাইল তৈরি করতে প্রথমে ভরষব মেন্যুতে প্রবেশ করে save as’-এ ক্লিক করতে হবে । এরপর ফাইল সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট ফোল্ডার নির্ধারণ করে ফাইলের নতুন নেইম দিতে হবে। তারপর save as type অপশনটিতে ক্লিক করে ফাইলটিকে ‘pdf’ ফরম্যাটে সেইভের অপশন নির্দিষ্ট করতে হবে।

১২. টেক্সট পড়ে শোনাবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড : প্রথমে ওয়ার্ডের ওপরে থাকা সেইভ আইকনের পাশে থেকে ‘Customize quick access toolbar’ (অ্যারো ডাউন আইকন) অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে। তারপর ‘more commands’ অপশনে ক্লিক করলেই পপআপে নতুন একটা পেইজ চালু হবে। সেখান থেকে ‘choose commands form’ ড্রপডাউন মেন্যু থেকে ‘all commands’ নির্বাচন করে স্ক্রল ডাউন তালিকা থেকে ‘speak’ অপশনে ক্লিক করে ডান পাশে থাকা ‘add’ বাটনে ক্লিক করে ‘ok’ চাপতে হবে। এবার ওয়ার্ডের ওপরে থাকা টুলবারে ‘প্লে’ বাটনের একটা আইকনে দেখা যাবে। যে টেক্সটের অংশটুকুর অডিও শুনতে চান তা নির্বাচন করে এই আইকনে ক্লিক করতে হবে।

১৩. ওয়াটারমার্ক : ওয়ার্ডে ওয়াটারমার্ক দিতে প্রথমে ওপরে থাকা মেন্যু ‘Design’ অপশন থেকে ‘watermark’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। স্ক্রল ডাউন করে ‘custom watermark’ অপশন থেকে নিজের পছন্দমতো লেখা ওয়াটারমার্ক হিসেবে যুক্ত করতে হবে। এই মেন্যু থেকে চাইলে যেকোনো ছবি ওয়াটারমার্ক হিসেবে যুক্ত করা সম্ভব।

১৪. পিন ওপেন ফাইল লিস্ট : মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড চালুর সময় সমপ্রতি সম্পাদন করা ফাইলগুলো দেখা যায়। চাইলে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো পিন করে রাখা যায়। এ জন্য ওয়ার্ডের ‘File’ থেকে ‘open’ অপশনে যেতে হবে। তারপর যে ফাইলটি পিন করতে চান সেটার ডান পাশে মাউস রাখলেই ‘pin this item to the list’ নামে একটি পিন আইকন দেখা যাবে। এতে ক্লিক করলে ফাইলটি পিন তালিকায় যুক্ত হয়ে যাবে।

১৫. সহজে তথ্য খোঁজা : ওয়ার্ড কোনো কি-ওয়ার্ড বা শব্দের মানে না জানলে সেই অংশটুকু নির্বাচন করে মাউসের রাইট বাটনে চাপতে হবে। এবার ‘smart lookup’ অপশনে ক্লিক করলেই  শব্দের ডান পাশে সাইডবারে উইকিপিডিয়া বা ওয়েব সার্চের ফলাফল দেখা যাবে।

১৬. ক্যালকুলেটরের ব্যবহার : মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ডে ক্যালকুলেটরের মতো হিসাব করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য প্রথমে ওয়ার্ডের টপবার থেকে ‘Customize quick access toolbar’-এ যেতে হবে। এবার ‘more commands’ অপশনে ক্লিক করলেই পপআপে নতুন একটা পেইজ চালু হবে। সেখান থেকে ‘choose commands form’ ড্রপডাউন মেন্যু থেকে ‘ all commands’ নির্বাচন করে স্ক্রল ডাউন করে তালিকা থেকে ‘ calculate’ অপশনে নির্বাচন করতে হবে। এবার ডান পাশে থাকা ‘ add’ বাটনে ক্লিক করে ‘ ok’ বাটন চাপতে হবে।

১৭. স্ক্রল করে জুম করা : সহজে কোনো অংশ জুম করতে কি-বোর্ডের ctrl চেপে মাউসের স্ক্রল হুইলটি আগে-পিছে করে জুম ইন ও জুম আউট করতে হবে।

১৮. টেবিল যুক্ত : কাজের প্রয়োজনে অনেক সময় ওয়ার্ড ফাইলে টেবিল যুক্ত করতে হয়। টেবিল তৈরি করতে ‘insert’ থেকে যেতে হবে ‘table’ অপশনে। তারপর মাউসের সাহায্যে কত সারির টেবিল তৈরি করতে চান নির্বাচন করতে হবে। চাইলে

‘darw table’ অপশন থেকে প্রয়োজনীয় টেবিল তৈরি করা যায়।

১৯. কাস্টমাইজ স্ট্যাটাস বার : মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ডে নিচের অংশকে বলা হয় স্ট্যাটাসবার। সেখানে পেইজ বা ওয়ার্ড সংখ্যা এবং জুম ফিচারটি থাকে। প্রয়োজন স্ট্যাটাসবার পরিবর্তন করতে হলে স্ট্যাটাসবারে মাউসের কার্সর রেখে ডান বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে পপআপে অনেক অপশন দেখা যাবে। সেখানে থেকে যে যে অপশনগুলো স্ট্যাটাসবারে দেখতে চান চিহ্নিত করতে হবে।

২০. ওয়ার্ড থেকেই ফাইল ই-মেইল : চাইলে সরাসরি এমএস অফিস ওয়ার্ড থেকেই যেকোনো ফাইল ই-মেইল করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে অবশ্যই আউটলুকে নিজের মেইল আইডি দিয়ে লগইন করতে হবে। ওয়ার্ড থেকেই ফাইল ই-মেইল করতে প্রথমে  ‘file’ থেকে ‘share’ অপশনে যেতে হবে। তারপর ‘email’ অপশনে গিয়ে ‘send as attachments’ অপশন নির্বাচন করে প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা লিখে ‘send’ বাটনে চাপতে হবে।

মন্তব্য