kalerkantho


বিএনপির নবযাত্রা শুভ হলো না

আবদুল মান্নান

১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



বিএনপির নবযাত্রা শুভ হলো না

বছরখানেক আগে এক টিভি টক শোতে সাংবাদিক শ্যামল দত্তের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলাম, বিএনপি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবশ্যই অংশ নেবে। এ-ও বলেছিলাম, তবে সেটা কোন বিএনপি তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। আমার এই মন্তব্যের কারণ হচ্ছে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি যে একটা আত্মঘাতী ভুল করেছিল, তা তাদের অনেকেই বুঝতে পেরেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের একজন সিনিয়র গবেষককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলাম, বিএনপি যদি সেই নির্বাচনে অংশ নিত হয়তো সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হতো না; কিন্তু সংসদে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল গঠন করার মতো আসনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এটি তো অস্বীকার করার উপায় নেই যে মোট ভোটারের আনুমানিক ৩৪ শতাংশ বিএনপিকে সমর্থন করে। এরা সবাই যে দলগতভাবে বিএনপির সমর্থক, তা নয়। এদের মধ্যে যেমন আছে কট্টর বিএনপি সমর্থক, তেমন আছে জামায়াত আর আছে চিন্তাচেতনায় পাকিস্তানি ভাবধারার সমর্থকও। অন্যদিকে কোনো একটি নির্বাচন এলে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে দেশের এক শ্রেণির ‘সুশীল’সমাজ আর আওয়ামী লীগের কোন্দলপ্রিয় নেতা-সমর্থকরা। এমন ১০ জন ‘সুশীল’কে ড. কামাল হোসেন সংসদে দেখার খায়েশ প্রকাশ করেছেন। আর কোনো কারণে এক বা একাধিক প্রার্থী যদি দল থেকে মনোনয়ন না পান, তাহলে তাঁদের অনেকেই রাত-দিন কাজ করেন তাঁদের দলের মনোনীত প্রার্থীকে হারাতে, প্রতিপক্ষকে নয়। আগে থেকে সতর্ক না হলে এবারও এর ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হয় না। অনেকেই বলেছেন, নির্বাচনের মাঠে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ এখনো অপ্রতিরোধ্য।

ফিরে আসি গোড়ার কথায়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি যে ভুল করেছিল, এবার তারা সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি যে করবে না, তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। প্রথম কথা, পর পর দুইবার নির্বাচনে অংশ না নিলে রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, রাজনীতির মাঠ থেকে একবার অদৃশ্য হয়ে গেলে আবার রাজনীতিতে ফিরে আসা বিএনপির জন্য অসম্ভব হয়ে উঠবে। এটি একমাত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ করতে পেরেছিল। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর ২১ বছর পর তারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে বিজয় লাভ করে সরকার গঠন করেছিল। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বানচাল করার জন্য বিএনপি-জামায়াত জোট ২০১৩ সালের প্রথম থেকে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। নজিরবিহীনভাবে তারা পেট্রলবোমা মেরে প্রায় ২০০ নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করে। দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তর্ঘাতমূলক সন্ত্রাস চালিয়ে ধ্বংস করেছিল কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এ বিষয়ে বিএনপি নেতা ড. ওসমান ফারুকের কাছে প্রশ্ন করলে তিনি সোজাসাপ্টা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘কত মানুষ নিহত হলো তা হিসাব করার সময় এটা নয়। এটা সময় গণতন্ত্র উদ্ধার করার।’ শুরুতে কিছু দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মেনে নিয়েছে। এই পাঁচ বছরে বাংলাদেশ আর বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বিশ্বের কাছে নতুনভাবে পরিচিত হয়েছেন। জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম, জি-১০সহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা স্বীকার করেছে, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের জন্য রোল মডেল। শেখ হাসিনা স্বীকৃতি পেয়েছেন বর্তমান বিশ্বের একজন সেরা স্টেটসম্যান বা রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বিএনপি-জামায়াত জোট বানচাল করতে পারেনি ঠিক; কিন্তু বর্তমান সরকারকে নানাভাবে বেকায়দায় ফেলতে তাদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। ষড়যন্ত্রের মূল হোতা বিএনপির পলাতক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে যেহেতু বিএনপির গঠনতন্ত্র কোনো সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দলের কোনো পদে অধিষ্ঠ থাকাকে অনুমোদন দেয় না, সেহেতু তিনি বিএনপির বৈধ চেয়ারম্যান নন। লন্ডনে বসে তিনি এই সরকারের বিরুদ্ধে আগে যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন, এখনো একই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন। তাঁর পেছনে বুদ্ধি আর অর্থ দিয়ে ইন্ধন জোগাচ্ছে পাকিস্তানের কুখ্যাত সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। গত বছর খালেদা জিয়া লন্ডন সফরে গেলে সেখানে তিনি আইএসআইয়ের দুজন শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ হয়েছিল। দেশের ভেতরে ও বাইরে বিএনপি এই সরকারের বিরুদ্ধে নানা কিসিমের অভিযোগ নিয়ে গেছে। সবাই একবাক্যে বলেছে, এসব ষড়যন্ত্র আর অভিযোগ জানিয়ে সময় নষ্ট না করে তাদের উচিত আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণের কাছে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করা। দেশি ও আন্তর্জাতিক সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে শেখ হাসিনার সরকার তাঁর পাঁচ বছর মেয়াদ অত্যন্ত সফলভাবে শেষ করেছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। তাদের মিত্র যুদ্ধাপরাধীর দল জামায়াত নিবন্ধন হারিয়েছে। বিএনপি নিজে নেতৃত্বশূন্য। দলে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বর্তমানে প্রকট আকার ধারণ করেছে। প্রকাশ্যে দলের প্রায় সব নেতা ঘোষণা করেছেন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে কোনো অবস্থায়ই তাঁরা নির্বাচনে যাবেন না। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সকাল-বিকেল ঘোষণা করেন, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নই আসে না। দাবি তোলেন অসাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না। এসব হুমকি-ধমকি যখন কোনো কাজেই আসছে না তখন বিএনপিকে উদ্ধার করতে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে এগিয়ে এলেন কয়েকজন দলত্যাগী সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা। আওয়ামী লীগের ওপর তাঁরা খুবই ক্ষুব্ধ। কারণ তাঁদের অনেক অন্যায় আবদার বঙ্গবন্ধুকন্যা রাখতে পারেননি। তবে এককভাবে আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কিছু করার মুরোদ তাঁদের নেই। শত্রুর শত্রু আমাদের বন্ধু, এই বিশ্বাসে বিএনপিকে রক্ষা করার জন্য গঠিত হলো তথাকথিত ঐক্যফ্রন্ট, যার নিচে জড়ো হয়েছেন ড. কামাল হোসেন ছাড়াও কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম, আ স ম আবদুর রব, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, মাহমুদুর রহমান মান্না, এস এম আকরাম, মোস্তফা মহসিন মন্টু। দলের দ্বাদশ খেলোয়াড় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (তিনি আওয়ামী লীগ থেকে আসেননি, তবে স্বাধীনতার পর থেকে তিনি নানাভাবে আওয়ামী লীগের কৃপাধন্য) প্রমুখ আওয়ামী লীগ থেকে আসা নেতা। যাত্রার শুরুতে বিকল্পধারার ডা. বদরুদ্দোজা গং থাকলেও জামায়াত ইস্যুতে তাঁরা তাঁকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন। এত সব কর্মকাণ্ডের পেছনে কলকাঠি নেড়েছেন লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান। একাধিক বৈঠকে নির্বাচনে যাওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে প্রণয়ন করেছে সাত দফা দাবিনামা, যার প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে ছিল খালেদা জিয়ার কারামুক্তি, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, সংসদ ভেঙে অনির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন। এসব দাবি নিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহীতে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা গিয়ে জনসভায় হুংকার ছাড়লেন, ‘নো বেগম জিয়া নো ইলেকশন’, ‘সংসদ বহাল রেখে শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে নির্বাচন, ক্যাভি নেহি’, মাহমুদুর রহমান মান্না হুংকার দিলেন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য তিনি জান কোরবান করবেন। ড. কামাল হোসেন চট্টগ্রামে জানিয়ে দিলেন, নির্বাচনের পর শেখ হাসিনাকে এমন শাস্তি দেওয়া হবে, যা তিনি কল্পনাও করতে পারবেন না। কাদের সিদ্দিকী দেশের মানুষকে জানিয়ে দিলেন, খালেদা জিয়া এক শীত কারাগারে কাটাবেন, শেখ হাসিনাকে ১০ শীত কারাগারে কাটাতে হবে। সবচেয়ে সরস উক্তি শামসুজ্জামান দুদুর। তিনি নিজেকে বঙ্গবন্ধু মনে করে ঘোষণা দিলেন, ৭ নভেম্বরের পর দেশ চালাবে ঐক্যফ্রন্ট।

ড. কামাল হোসেন ও তাঁর সতীর্থরা নিজেদের মনে করেন খুব চালাক। তাঁরা তাঁদের সেই সাত দফা নিয়ে সংলাপ করার জন্য চিঠি দিলেন প্রধানমন্ত্রীকে। মনে করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তাঁদের চিঠির কোনো উত্তর বা সাড়া দেবেন না, যাকে পুঁজি করে তাঁরা মাঠ গরম করবেন। কিন্তু তাঁরা ভুলে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা দাবার চাল দিতে কখনো ভুল করেন না। জানিয়ে দিলেন তাঁর দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত। কারা কারা কথা বলতে চান, আসুন। তবে যা-ই আলোচনা হোক, তা হবে সংবিধান ও দেশের আইনের আওতায়। ১ নভেম্বর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যওয়ালারা গেলেন গণভবনে। রাতের আহারসহ সংলাপ চলল সাড়ে তিন ঘণ্টা। শেখ হাসিনা এ ধরনের কোনো সংলাপে গেলে হোমওয়ার্ক করে যান। তাঁর যুক্তির সামনে ড. কামাল হোসেনসহ সবাই ঘায়েল হয়ে গেলেন। যাওয়ার সময় বলে গেলেন, তাঁরা আবার আসবেন। শেখ হাসিনা মনে করিয়ে দিলেন, গণভবন জনগণের ভবন। যেকোনো সময় তাঁরা আসতে পারেন। আবার গিয়েছিলেন ৭ তারিখ। ফলাফল শূন্য। সংবিধান ও আইনের বাধ্যবাধকতার কারণে তাঁদের মূল দাবির কোনোটাই মানা সম্ভব নয়। সবাই বুঝে গেছেন, শেখের বেটিকে বোকা বানানো সহজ নয়। কী আর করা। ঠিক হলো তাঁদের কোনো দাবিদাওয়া না মানা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ ছাড়া তাঁদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। একটি সম্মানজনক এক্সিট হিসেবে বললেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে তাঁদের নির্বাচনে অংশ নিতে হুকুম এসেছে নাজিমুদ্দীন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগার ও লন্ডন থেকে। তবে নির্বাচান হবে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে। নেতৃত্বে থাকবেন ড. কামাল হোসেন। অনেকটা নীরবেই আপাতত বিএনপি থেকে মাইনাস হয়ে গেলেন খালেদা জিয়া আর তারেক রহমান। শুরু হলো বিএনপির নবযাত্রা। নব্য বিএনপির জন্মদাতা ড. কামাল হোসেন গং। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর এই প্রথমবার বাংলাদেশে একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি বৈধ সরকারের অধীনে সংবিধানসম্মতভাবে। এখন পর্যন্ত অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে সব বৈধ রাজনৈতিক দল।

বিএনপির নবযাত্রাকে শুভেচ্ছা জানানোর ইচ্ছা ছিল। তবে গত বুধবারের নব-উদ্যমে তাদের জ্বালাও-পোড়াও দেখে এখন এটা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে হয়তো ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ কোনো এক বৃহৎ ষড়যন্ত্রের একটি ছোট অংশ এবং এই ষড়যন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সামনের নির্বাচন বানচাল করে তৃতীয় কোনো শক্তিকে ক্ষমতায় বসানো। প্রথমে নির্বাচন কমিশন ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছিল। ঐক্যফ্রন্ট ঘোষণা করল তারিখ পেছাতে হবে। কমিশন তাদের কথা শুনে ঘোষণা করল নির্বাচন অনুষ্ঠানের নতুন তারিখ হবে ৩০ ডিসেম্বর। সংবিধানের ১২৩ ধারায় বলা আছে, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। আর কোনো কারণে তা যদি সম্ভব না হয়, তাহলে সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৫ জানুয়ারি, মন্ত্রিসভা গঠিত হয় ৯ জানুয়ারি আর সংসদ বসে ২৯ জানুয়ারি। এখন এটা পরিষ্কার যে বিএনপি চাতুর্যের সঙ্গে সরকারকে একটা ফাঁদে ফেলতে চায়। সংসদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে শুরু হবে নানা জটিলতা, সৃষ্টি হবে সাংবিধানিক শূন্যতা। তখন কোনো কার্যকর সংসদ থাকবে না। নতুন করে ভোটার তালিকা তৈরি করতে হবে। আদালতে একগাদা মামলা হবে। আর এই পরিস্থিতির ফায়দা লুটবে বিএনপি ও তার দোসররা। তখন ড. কামাল হোসেনকে টয়লেট পেপারের মতো ছুড়ে ফেললে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। না, বিএনপির নবযাত্রাকে স্বাগত জানানো গেল না। এসব ব্যাপারে সরকার সজাগ আছে বলে মনে করি।

লেখক : বিশ্লেষক ও গবেষক



মন্তব্য