kalerkantho


মনিটরিং সুপারভিশন ইন্সপেকশন প্রশাসনের অবহেলিত অস্ত্র

১৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



মনিটরিং সুপারভিশন ইন্সপেকশন প্রশাসনের অবহেলিত অস্ত্র

মোফাজ্জল করিম

ইংরেজিতে একটা কথা আছে, ‘এগ্জাম্পল ইজ বেটার দ্যান প্রিসেপ্ট’। এর সোজা বাংলা হতে পারে, বড় বড় বুলি কপচানোর চেয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করা উত্তম। যে স্কুলের হেড মাস্টার বা যে অফিসের বড় সাহেব নিজে সময়মত স্কুলে বা অফিসে আসেন, সে স্কুলে বা অফিসে সময়ানুবর্তিতার ওপর বক্তৃতা দিয়ে, সব সময় ঘ্যানর ঘ্যানর করে, অন্যদের আনতে হয় না। অন্যরা যখন দেখে ‘বস্’ রোজ ঠিক সময়মত আসেন তখন তারা আর ‘লেট লতিফ’ হতে সাহস পায় না। আর যদি কোনো দিন দেরি হয়েই যায় তখন ‘বস্’-এর মৃদু কৈফিয়ত তলবও বড় হয়ে বাজে। ‘আপনি আচরি ধর্ম পরকে শেখাও’ কথাটি আমাদের অফিস-আদালতে, স্কুল-কলেজে খুবই জরুরি। ‘আপনারা রোজ সময়মত অফিসে আসবেন’—এ ধরনের ঘোষণা দিয়ে বড় কর্তা যদি নিজে গয়ংগচ্ছ চালে যখন খুশি তখন আসেন তা হলে সেই অফিসে সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলাবোধ, নিয়মানুবর্তিতা ইত্যাদি বলতে কিছু থাকবে না। আর বড় সাহেব নিজে সময় মেনে চললে, আইন-কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে সেই প্রতিষ্ঠানের সবাই ডিসিপ্লিন মেনে চলতে বাধ্য। বড় সাহেব দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর হলে বিষয়টি চাউর হতে সময় লাগে না। তখন সেই দপ্তরের—সেটা কোনো মন্ত্রণালয়ই হোক আর মফস্বলের ছোট দপ্তরই হোক—সবাই রীতিমত ‘আযান দিয়ে’ ঘুষ খায়। সরকারি চাকরিতে সারা জীবন এটা লক্ষ করেছি। যে দপ্তরের বড় কর্তা ঘুষ খান, বলা হয় সে দপ্তরের দপ্তরি-কেরানি, এমনকি চেয়ার-টেবিলও ঘুষ খায়।

এসব নৈতিকতার প্রশ্নটি যত দিন যাচ্ছে ততই প্রকট হয়ে উঠছে। আমরা স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে প্রমোশন পেতে যাচ্ছি শিগগিরই। সেই সঙ্গে মনে হয় অসাধুতা, অনৈতিকতা ও দুর্নীতিপরায়ণতাতেও উন্নতি হচ্ছে আমাদের। জানি, কথাটি শুনে অনেকেই আপত্তি জানাবেন। বলবেন, এই সেদিনই তো, এখনো বোধ হয় দুই সপ্তাহও হয়নি, আমরা টিআইবির ঘোষণা মত সুনীতিতে দুই ধাপ এগিয়েছি। অর্থাৎ আগে যেখানে ক্লাসে এক শ ছাত্রের মধ্যে আমাদের স্থান ছিল সর্বনিম্নে, কিংবা তার এক-দুই ধাপ ওপরে, এখন আমরা গর্ব করে বলতে পারি আমাদের রোল নম্বর হয়েছে পঁচাশি। এক শ জনের মধ্যে পঁচাশিতম স্থান। আহা, কী সুন্দর, ‘আহা, কী আনন্দ আকাশে-বাতাসে!’

রোল নম্বর পঁচাশি হলেই কী আর পঁচিশ হলেই কী, যারা ভুক্তভোগী তারাই জানেন এর মাজেজাটা কী। যে কোনো সরকারি আধা-সরকারি দপ্তরে কোনো প্রয়োজনে যদি যান, সেখানে দেখবেন, আপনাকে দেখেই দপ্তরি থেকে দপ্তরপ্রধান—সবার মুখ দিয়ে লাল পড়তে শুরু করেছে। আর এই লাল বা লালা নিঃসরণের পরিমাণ নির্ভর করবে সেবাপ্রার্থীর অসহায়ত্বের ওপর। যে যত বেশি অসহায়, যত বেশি অশিক্ষিত অবলা নাচার, তার কপালে ভোগান্তি তত বেশি। আইন-কানুন, বিধি-বিধান যাই থাকুক না কেন, সেবাপ্রার্থীর জন্য অলিখিত বিধান একটাই—ফেলো কড়ি, মাখো তেল। তবে হ্যাঁ, আপনি যদি অমুকের অমুক হন কিংবা অমুক দলের সঙ্গে আপনার ‘লাইন’ থাকে, তবে আর কিছু লাগবে না, আপনার কাজ হয়ে যাবে সরসর করে। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে আপনাকে তোয়াজ করে চা-পানিও খাওয়ানো হতে পারে। এক ধরনের ইনভেস্টমেন্ট আর কি। হঠাৎ করে এই লোভনীয় পদটি থেকে কর্তৃপক্ষ ওই ব্যক্তিবিশেষকে বদলি করে দিলে আপনার খুঁটির জোর কে জানে হয়ত তার কাজেও লাগতে পারে।

এই চিত্রটি বাংলাদেশের সবখানেই দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে মফস্বল অঞ্চলে, যেখানে একেকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজেকে নিদেনপক্ষে একটি বঙ্গ শার্দূল মনে করেন। তাঁদের নিজেদের পরিমণ্ডলে তাঁরাই ‘বস্’, তাঁরাই দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। তাঁদের কর্মস্থলের বাইরের যে জগৎ, সে জগতের মানুষ বেশির ভাগই অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত। ফলে তিনি যে আসলে একটি নখদন্তহীন শার্দূল, তা তারা জানে না। তাঁর স্বরূপ প্রকাশ পায় তখনি, যখন তাঁর কোনো দক্ষ ও সৎ ‘বস্’ তাঁর দপ্তর পরিদর্শনে আসেন। তখন তিনি ‘বস্’কে নিজের চেয়ারে বসিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে শুধু হাত কচলান, আর কাঁচুমাচু করতে থাকেন। আর আসলে তিনি যদি হন একটি অপদার্থ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা তা হলে ‘বসের’ ঝাড়ি খেতে খেতে তার তখন ভেদবমি শুরু হওয়ার উপক্রম হয়।

দুই.

জনপ্রশাসনের লক্ষ্য যদি সত্যি জনসেবাই হয়, তা হলে তা হচ্ছে কি না তা দেখার দায়িত্ব শীর্ষস্থানে অধিষ্ঠিত কর্তাব্যক্তিদের। তাঁরা যদি মনে করেন, কিছু কিছু লিখিত ও মৌখিক নির্দেশ-আদেশ-উপদেশ জারি করে, ভালো ভালো কিছু আইন প্রণয়ন করে এবং সংবিধানের মতো সর্বোচ্চ বিধানের দোহাই দিয়ে তাঁদের দায়িত্ব শেষ হয়ে গেল, তা হলে জনপ্রশাসনের মূল উদ্দেশ্যই বিফল হতে বাধ্য। কারণ আদেশ-নির্দেশ, বিধি-বিধান যাই বলি না কেন, এর সব কিছুই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর অনেক দায়-দায়িত্ব অর্পণ করে থাকে। আর দায়-দায়িত্ব মানেই হচ্ছে, নিয়ম-কানুনের নিগড়ের মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করে কাজ করতে হবে। অনেকগুলো ‘করণীয়’ ও ‘বর্জনীয়’—ইংরেজিতে যেগুলোকে বলা হয় ‘ডুজ অ্যান্ড ডোন্টস’-কে ধর্মীয় অনুশাসনের মতো মানতে হবে। একটুও পান থেকে চুন খসতে দেওয়া চলবে না। তা এত বিধি-নিষেধ কে মানতে চায় বলুন? তা হলে জীবনটা তো হিন্দু বিধবাদের মত একেবারে নিরামিষ হয়ে যাবে। অতএব? অতএব, ওই সরকারি আদেশ-নির্দেশ আর সার্কুলারকে কচু দেখিয়ে ন’টার অফিসে দশটায় যাও, সেবাপ্রার্থীর কাছ থেকে কলাটা-মুলাটা যদৃচ্ছা আদায় কর, সঙ্গে সেলামির একটা পুঁটুলি। ফলে আইন আছে আইনের জায়গায়, দেশ চলছে, চলবে বেআইনি তালে।

তা হলে ফল কী দাঁড়াল? কর্তৃপক্ষের সুসেবা দানের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও, ভালো ভালো বিধি-বিধান প্রণয়ন করার পরও শুধু সঠিক প্রয়োগের অভাবে দেশের ষোলো কোটি মানুষ যে তিমিরে, সেই তিমিরেই থেকে যাচ্ছে। যে সেবাটি তার পাওয়ার কথা ছিল বিনা মূল্যে বিনা শ্রমে, তার জন্য বিক্রি করতে হয় হালের গরু, ধরতে হয় টাউট-বাটপাড়, নেতা-উপনেতা বা তাদের লেজুড়দের।

তিন.

সরকারি-আধা সরকারি-নিম সরকারি দপ্তরগুলোর ওপর নজরদারি করার জন্য, সোজা কথায় এগুলো ঠিকঠাক মতো চলছে কি না তা দেখার জন্য সেই ব্রিটিশ আমল থেকে আদেশ-নির্দেশ-উপদেশ জারি আছে। ব্রিটিশরা একটা বিভাগ—তা সেটা সাধারণ প্রশাসন, ভূমি ব্যবস্থা, রাজস্ব ব্যবস্থা, পুলিশ বিভাগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পূর্তকর্ম—যাই হোক না কেন, চালু করার সঙ্গে সঙ্গে সেটাকে বিধি-বিধান মোতাবেক চালানোর জন্য ম্যানুয়েল, রুলস, রেগুলেশন, কোড ইত্যাদি প্রণয়ন করে সেগুলো পালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিত মনিটরিং, সুপারভিশন ও ইন্সপেকশনের বিধান রাখল। সেই সঙ্গে সময়ে সময়ে নানা বিষয়ে সরকারি আদেশ-নির্দেশ জারি করে অর্ডার-সার্কুলার ইত্যাদি তো আছেই। ব্রিটিশ শাসনের দু’শ বছর, পরবর্তীকালে পাকিস্তানি আমল ও স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে এ ধরনের হাজার হাজার বিধি-বিধান, আদেশ-নির্দেশ-উপদেশ জারি হয়েছে সরকারি-আধা সরকারি-স্বায়ত্তশাসিত-আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান থেকে। এ সব কিছুর উদ্দেশ্য একটাই—সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন নিয়ম-কানুন মেনে তাদের দায়িত্ব পালন করেন।

কিন্তু আগেই বলেছি, আদেশ-নির্দেশ জারি হলেই যে তা সঠিকভাবে তামিল হবে, এটা মনে করা ভুল। জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে অনেক ভুল-ভ্রান্তি হবে, ফাঁকিবাজি হবে, দুর্নীতি হবে—এটা ধরে নিতে হবে কর্তৃপক্ষকে। এবং তার জন্যই ব্রিটিশরা মনিটরিং, সুপারভিশন, ইন্সপেকশন ইত্যাদি চালু করেছিল।

গ্রামের প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক বা ইউনিয়নের তহশিল অফিসের তহশিলদার নিভৃত পল্লী অঞ্চলে অবস্থিত তাঁর কর্মস্থলে ঠিক সময়মতো হাজিরা দিচ্ছেন কি না, যেভাবে দায়িত্ব পালনের কথা সেভাবে করছেন কি না সেটা একমাত্র নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, পরিদর্শন ও তত্ত্বাবধানের মাধ্যমেই নিশ্চিত করা যায়। আর শুধু গ্রামাঞ্চল কেন, শহর-নগর-বন্দর, জেলা-উপজেলা-বিভাগ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত সবখানে প্রশাসনে গতিশীলতা আনতে, প্রশাসনকে কলুষমুক্ত রাখতে এর বিকল্প নেই। ব্রিটিশ আমলে দেশে সুশাসন ছিল—এটা সবাই স্বীকার করি। কিন্তু এর মূল চাবিকাঠি যে ছিল, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অধস্তনদের কাজের নিবিড় তদারকি—এ কথাটি স্মরণ করি না। এখন তো প্রবাদবাক্যের মতো একটা কথা শোনা যায়—ব্রিটিশদের ছিল শাসন, পাকিস্তানিদের শোষণ, আর বাঙালিদের ভাষণ। এই ভাষণ বাদ দিয়ে শাসনের দিকে একটু মনোযোগ দিলেই দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হতে পারে। আর তা করতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মনিটরিং, সুপারভিশন ও ইন্সপেকশনের সিস্টেমকে অবশ্যই ফিরিয়ে আনতে হবে। তা হলে প্রশাসনের সব ক্ষেত্রে, বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে গতিশীলতা দেখা দেবে। একজন স্কুলশিক্ষক, একজন ভূমি কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্তা বা ব্যাংক ম্যানেজার যদি জানেন, প্রতি মাসে অন্তত একবার তাঁর কর্মস্থলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের শুভাগমন হবে, কাজের ফিরিস্তি নিয়ে বসতে হবে তাঁর মুখোমুখি, জবাবদিহি করতে হবে ইচ্ছাকৃত-অনিচ্ছাকৃত সব ভুল-ত্রুটির জন্য, আগের বারের পরিদর্শনের সময় যেসব নির্দেশ ও পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছিল, সেগুলোর ওপর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার বিবরণ দিতে হবে—তা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিটি সব ব্যাপারে আরো সজাগ থাকবেন। তা ছাড়া পরিদর্শন-পর্যবেক্ষণ-পরিবীক্ষণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দিকনির্দেশনা দেওয়া, তাঁকে প্রশিক্ষিত করা। শুধু দোষ খুঁজে বের করাই এর উদ্দেশ্য নয়। সেই সঙ্গে ‘বস্’ ও অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে একটি সুন্দর সম্পর্কও স্থাপিত হয় এ ধরনের দপ্তর পরিদর্শন ইত্যাদির মাধ্যমে। তবে সেরূপ সম্পর্ক অবশ্যই সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধির আওতায় হতে হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে অবৈধ ভাগ-বাটোয়ারা বা লেনদেনের সম্পর্ক স্থাপন মোটেই কাম্য নয়। এ ধরনের সম্পর্কের কথা প্রায়ই শোনা যায়। আর এই তরিকায় অন্যায্য সুযোগ-সুবিধা, প্রমোশন ইত্যাদিও বিলি-বণ্টন হয়।

পরিদর্শন-পরিবীক্ষণ ইত্যাদি কার্যক্রমে অবহেলার কারণে সাম্প্রতিককালে সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটেছে ব্যাংকিং খাতে। হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে যাওয়ার পেছনে এটাও অন্যতম প্রধান কারণ। হেড অফিস শাখা অফিসগুলোর ওপর, কেন্দ্রীয় ব্যাংক হেড অফিসের ওপর প্রয়োজনীয় নজরদারি না করায় দিনের পর দিন দুর্বৃত্তরা লুটপাট করার সুযোগ পেয়েছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন স্তরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী একে অপরের সঙ্গে ভাগ-বাটোয়ারার ‘সুসম্পর্ক’ গড়ে তুলে পুরো বিষয়টিকে সহজ করে ফেলে। এটা সম্ভব হতো না যদি নিয়মিত পরিদর্শন-পরিবীক্ষণের সিস্টেমটা কার্যকরভাবে অনুসরণ করা হতো।

চার.

দেশে সুশাসনের অভাব আছে বলে বলে কেবল চিল্লাপিল্লা করলে হবে না, এমন অবস্থা কেন হয়েছে নিশ্চয়ই তা খুঁজে বের করতে হবে। আর সে জন্য সেই পুরনো অস্ত্রগুলো—মনিটরিং সুপারভিশন ইন্সপেকশন—এখনো তাদের কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেনি বলে আমরা মনে করি। তবে এর জন্য চাই কর্তৃপক্ষীয় উদাসীনতা নয়, সদিচ্ছা, উদ্যম ও উদ্যোগ।

লেখক : সাবেক সচিব, কবি

mkarim06@yahoo.com


মন্তব্য