kalerkantho

চোট পাওয়া মেসি খেলবেন এস্পানিওলের বিপক্ষে

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৯ মাস পর বহুল প্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তনের স্বাদ যে এমন তেতো হবে, সেটা কেই বা আঁচ করেছিল! ভেনিজুয়েলা দলের ডাকনাম ‘ভিনো তিন্তো’ বা ‘রেড ওয়াইন’। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে চলছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে চরম অস্থিরতা। অথচ তাদের দলটাই আর্জেন্টিনাকে প্রীতি ম্যাচে হারিয়ে দিল ৩-১ গোলে। আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কাছে যে ম্যাচটি হতে পারত মেসির ফেরা উদ্‌যাপনের রঙে রঙিন, সেটাই হয়ে গেল বর্ণহীন।

এই ম্যাচের পর মরক্কোতে আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। আনুষ্ঠানিক বয়ান হচ্ছে, চোট পেয়ে সেই ম্যাচটি খেলতে পারবেন না মেসি। যদিও আগেই প্রকাশ পেয়েছে, মেসি খেলবেন এই একটি ম্যাচই। মেসিকে নিয়ে আসতে হলে মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের কাছে যে বিশাল ফর্দ পাঠিয়েছিল এএফএ, সেটাও অজানা ছিল না গণমাধ্যমে। খেলোয়াড়রার কেউ সেলফি তুলতে পারবে না, কেউ সাক্ষাৎকার চাইতে পারবে না, এমন অনেক বিধিনিষেধই ছিল চাহিদাপত্রে। উল্টোদিকে বার্সেলোনারও চাপ ছিল, মেসিকে দুটো প্রীতি ম্যাচের জন্য ছাড়তে রাজি নন হোসে মারিয়া বার্তেমিউরা। অবশেষে এসেছে চূড়ান্ত ঘোষণা। আর্জেন্টিনা দলের সঙ্গে মঙ্গলবারের ম্যাচ খেলতে মরক্কো যাচ্ছেন না মেসি। তলপেটের নিচের পেশির চোট নিয়েই জাতীয় দল থেকে তিনি ফিরেছেন বার্সেলোনায়। ক্লাব কর্তৃপক্ষ অবশ্য মেসির চোট নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন, আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য বিরতির পর লা লিগা মাঠে গড়ালেই এস্পানিওলের বিপক্ষে মাঠে নামার জন্য তৈরি মেসি। ২৭ তারিখ মাঠে না নামলেও ৩০ তারিখে ঠিকই তাঁকে দেখা যাবে মাঠে।

আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে চাপানোর আগের দুটো ম্যাচে, লিওঁ এবং রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ২ ম্যাচে ৫ গোল ও জোড়া অ্যাসিস্ট ছিল মেসির। সেখানে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা ম্যাচে দল হারল ৩-১ গোলে! আর্জেন্টিনার হয়ে ১৯৭৮ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও সাবেক কোচ ড্যানিয়েল প্যাসারেলা তাই উষ্মা প্রকাশ করলেন মেসিকে নিয়ে, ‘সে অবশ্যই একজন অসাধারণ ফুটবলার যে দলকে অনেক কিছু দিতে পারে। তবে সে যখন বার্সেলোনায় খেলে, তখন তার মনোভাবই থাকে আলাদা। সে ওখানেই ভালো খেলে। মাঝে মাঝে এসব হয়। কেউ এমন একটা দলের জন্য খেলে যেখানে সবাই তাকে ভালোবাসে, কিন্তু সেখানে কেউ হয়তো নিজেকে ঠিক জায়গায় খুঁজে পায় না। নিজেকে স্বচ্ছন্দ মনে করে না। আমি জানি না সেটা কী, তবে সেটা বোধহয় তার ভেতর থেকেই আসে।’ স্প্যানিশ ক্রীড়াদৈনিক মার্কা অবশ্য দুটো ছবি পাশাপাশি দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে, পার্থক্যটা আসলে মেসির জাতীয় দল ও ক্লাবের সতীর্থদের মানে। যে পাসটা ধরে লুই সুয়ারেস গোল করতে পারেন, ঠিক একই রকম পাস পেলে দারিও বেনেদিত্তো বলটা হারিয়ে ফেলেন! মেইল, মার্কা

মন্তব্য