kalerkantho

সেঞ্চুরিতে স্বস্তি ফিঞ্চের

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেঞ্চুরিতে স্বস্তি ফিঞ্চের

সব শেষ ওয়ানডে সেঞ্চুরি গত বছরের জুনে। এরপর অ্যারন ফিঞ্চের ব্যাট থেকে ওয়ানডেতে ফিফটি এসেছে শুধু একটি। বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে পড়েছিলেন তাই শঙ্কায়। স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার ফিরলে মিডল অর্ডারে নেমে আসার ইচ্ছা জানিয়ে রেখেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। তবে জ্বলে উঠলেন ঠিক সময়েই। ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি পেলেন ৯ মাস পর। তাঁর ১১৬ রানে ভর করে শারজায় সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৮ উইকেটের সহজ জয় অস্ট্রেলিয়ার। পাকিস্তানের ২৮০ রানের বড় স্কোরও অনায়াসে পেরিয়ে যায় তারা।

দ্বিতীয় উইকেটে ফিঞ্চের সঙ্গে ১৭২ রানের জুটি গড়ে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান শন মার্শের। রানখরায় ভোগা মার্শ স্বস্তিই পাবেন হার না মানা ৯১ রানের ইনিংস খেলে। ভারত সফরে ওয়ানডে সিরিজ জেতার পর পাকিস্তানের ‘ঘরের মাঠে’ জয়ে শুরু করায় খুশি ফিঞ্চ, ‘মার্শ আমার ওপর থেকে চাপ কমিয়ে দিয়েছিল। দারুণ জুটি ছিল আমাদের। দুজনই ভুগছিলাম আমরা, এমন সময়ে এ ধরনের জুটি বিশেষ কিছু। মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয়টা কৃতিত্বের।’ ১৩৫ বলে ৮ বাউন্ডারি ৪ ছক্কায় ১১৬ রানের ইনিংসে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ফিঞ্চের। ওয়ানডেতে গত পরশু পেয়েছেন ১২তম সেঞ্চুরি। ভারত সফরের তিন ওয়ানডের কোনোটিতে ২০ রানও করতে পারেননি শন মার্শ। ১০২ বলে হার না মানা ৯১ রানের ইনিংসে তাই স্বস্তিতে তিনিও, ‘ফিঞ্চের সঙ্গে জুটিটা উপভোগ করেছি। এখানকার অনভ্যস্ত কন্ডিশনে রান পেয়ে খুশি আমি।’

বিশ্বকাপ সামনে রেখে পাকিস্তান সেরা দলটা খেলাচ্ছে না পাঁচ ম্যাচের এই সিরিজে। সেরা একাদশের ছয়জন রয়েছেন বিশ্রামে। ওয়ানডে অভিষেক হয়েছে শান মাসুদ ও মোহাম্মদ আব্বাসের। অভিষেকে ৬২ বলে ৪০ রানের ইনিংস মাসুদের। হারিস সোহেলের ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে পাকিস্তান পেয়েছিল ২৮০ রানের পুঁজি। বড় স্কোর গড়েও জেতাতে না পারার দায়টা ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শোয়েব মালিক দিলেন বোলারদের, ‘শুরুতে ওদের কয়েকটি উইকেট নেওয়া জরুরি ছিল, সেটা পারেনি বোলাররা। ফিঞ্চ আর মার্শ অসাধারণ খেলেছে। চোট থেকে ফিরে সোহেলের সেঞ্চুরি পাওয়াটা পাকিস্তানের জন্য বিশেষ পাওয়া।’ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ আজ মাঠে গড়াবে শারজাতেই। ক্রিকইনফো

পাকিস্তান : ৫০ ওভারে ২৮০/৫ (সোহেল ১০১*, আকমল ৪৮, ইমাদ ২৮*; কোল্টার নাইল ২/৬১)। অস্ট্রেলিয়া : ৪৯ ওভারে ২৮১/২ (ফিঞ্চ ১১৬, মার্শ ৯১*, হ্যান্ডসকম্ব ৩০; আব্বাস ১/৪৪)।

ফল : অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী।

মন্তব্য