kalerkantho


আয়েও এগিয়ে মেসি

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



আয়েও এগিয়ে মেসি

ফুটবল নৈপুণ্যে আর অর্জনে লিওনেল মেসি ছাপিয়ে গেছেন সবাইকে। না-ই বা হলো বিশ্বকাপ জয়, বছরের সেরা ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের পুরস্কারও হয়তো তাঁর নয়, তবু মেসিই যে এই গ্রহের সেরা ফুটবলার; এই নিয়ে দ্বিমত করার লোক খুব বেশি নেই। সেরার সম্মানীটাও হওয়ার কথা সবচেয়ে বেশি, বার্সেলোনা তাদের ‘কোহিনূর হীরা’কে উপযুক্ত সম্মানীই দিচ্ছে। ‘লে’কিপ’ এর জরিপে মাসিক বেতনের হিসাবে সবচেয়ে বেশি আয় মেসির। ফুটবলারদের আয় এই যুগে চোখ কপালে তোলার মতো হলেও মেসির মাসিক বেতনটা সেই আন্দাজেও অনেক!

২০১৭ সালের নভেম্বরে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, মেসি প্রতি মাসে বেতন পান ৮৩ লাখ ইউরো (৭.৩ মিলিয়ন পাউন্ড)। প্রকৃত আয় অবশ্য খানিকটা কম, কারণ এই অঙ্কটি কর দেওয়ার আগের। বছরে বেতন, উইনিং বোনাস ও সাইনিং বোনাস মিলিয়ে অঙ্কটা বছরে ৯ কোটি ইউরোর কম নয়।  ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে জুভেন্টাসের চুক্তি অনুযায়ী মাসে ‘সিআর সেভেন’ বেতন হিসেবে তোলেন ৪৭ লাখ ইউরো। এর বাইরে অবশ্য ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট, হোটেল ব্যবসাসহ অনেক আয়ই আছে রোনালদোর। তৃতীয় স্থানে আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ জেতার আগে নতুন চুক্তি সই করেছিলেন। তাতে মাসে বেতন ধরা হয়েছে ৩৩ লাখ ইউরো। বিশ্বকাপের পর চুক্তিটা সই করলে হয়তো আরেকটু বাড়িয়েও নিতে পারতেন অঙ্কটা! চারে আছেন নেইমার। ট্রান্সফার ফি’তে বিশ্বের সব ফুটবলারের ওপরে তাঁর নাম, তবে মাসিক বেতনটা কিঞ্চিৎ কম। মাসে ৩০ লাখ ইউরোর একটু বেশি বেতন ঢোকে নেইমারের অ্যাকাউন্টে। লুই সুয়ারেস বেতন পান মাসে ২৯ লাখ ইউরো, গ্যারেথ বেলের বেতন ২২ লাখ ইউরো। এঁদের পর অবশ্য বেতনের স্কেলটা কমে গেছে অনেকটাই। ফিলিপে কৌতিনিয়োর বেতন যেমন ২ লাখ ইউরো, অ্যালেক্সিস সানচেসেরও তাই। বিশ্বকাপের পর চাহিদা বাড়লেও বেতন বাড়েনি কিলিয়ান এমবাপ্পের, পিএসজিতে তাঁর বেতন দেড় লাখ ইউরো। মেসুত ওয়েজিল আর্সেনালে পার ১.৪ লাখ ইউরো, বায়ার্নে রবার্ট লেভানদোস্কির বেতন ১.৩৩ লাখ ইউরো। মেইল অনলাইন

 

 

 



মন্তব্য