kalerkantho


কোহলির সেঞ্চুরিতে ফিরল সমতা

১৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



কোহলির সেঞ্চুরিতে ফিরল সমতা

তিনি যখন ক্রিজে আসেন, ভারত তখন জয় থেকে ১১৮ বলে ১৩৯ রানের দূরত্বে। পঞ্চাশ পেরোনো বিরাট কোহলি থাকায় সে সমীকরণ মেলানো কঠিন মনে হচ্ছিল না। কিন্তু সেঞ্চুরি পেরিয়ে অধিনায়ক আউট হওয়ার পর? তখনো যে ৩৮ বলে ৫৭ রানের প্রয়োজনীয়তা মেটানোর দাবি। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই না ওয়ানডে সিরিজ জিতে যায় অস্ট্রেলিয়া!

তখনই মহেন্দ্র সিং ধোনির ব্যাটে আবার বেজে ওঠে পুরনো সুর। যে সুরে ইনিংসের শেষভাগে কত প্রতিপক্ষ পুড়েছে! পুড়ল কাল অস্ট্রেলিয়াও। কোহলিকে সঙ্গ দিয়েছেন প্রথমে, অধিনায়ক আউট হওয়ার পর পুরো দায়িত্ব তুলে নেন নিজের ব্যাটে। এমনকি শেষ ওভারে যখন সাত রান দরকার, তখন প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দূর করেন ফল নিয়ে সব অনিশ্চয়তা। ছয় উইকেটের জয়ে ভারতকে সিরিজে ফেরানোর ম্যাচে কোহলির ১১২ বলে ১১৪ রানের চেয়ে তাই কোনো অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় ধোনির ৫৪ বলে অপরাজিত ৫৫ রান।

অথচ প্রথম ওয়ানডেতে ৯৬ বলে ৫১ রান করার পর এই ধোনিকে নিয়ে কত সমালোচনা! ৩৭ বছরের এই ক্রিকেটারকে দলে প্রয়োজন নেই বলে মত ছিল অনেকের। কাল দ্বিতীয় ওয়ানডেতে স্বরূপে ফিরেছেন ধোনি। পেয়েছেন অধিনায়ক কোহলির অভিনন্দন, ‘কোনো সন্দেহ নেই যে এ দলের অংশ হওয়াটা অবশ্যই তাঁর প্রাপ্য। বেশ কিছুদিন খেলার বাইরে ছিলেন, সে কারণে সহজাত ব্যাটিংয়ে ফিরতে কিছু সময় তো লাগেই। আজকেরটি ছিল এমএসের ধ্রুপদি ইনিংস। খেলাকে শেষ পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। তাঁর মনে কী চলছিল, কে জানে! তবে দারুণ হিসাব করেছেন। প্রয়োজনের সময় বড় শট খেলতে পারবেন বলে নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল। সব মিলিয়েই এমএসকে টুপিখোলা অভিনন্দন।’

কাল অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়া শুরুতে তোলে ৯ উইকেটে ২৯৮ রান। শন মার্শেল সেঞ্চুরি যে ইনিংসের জ্বালানি। ভারতের জবাব শুরু হয় রোহিত শর্মা আর কোহলির ব্যাটে। আর শেষটা ধোনিতে। পরশু মেলবোর্নে তৃতীয় ওয়ানডেতেই তাই হবে সিরিজের নিষ্পত্তি। ক্রিকইনফো

সংক্ষিপ্ত স্কোর 

অস্ট্রেলিয়া : ৫০ ওভারে ২৯৮/৯ (মার্শ ১৩১, ম্যাক্সওয়েল ৪৮; ভুবনেশ্বর ৪/৪৫, সামি ৩/৫৮)। ভারত : ৪৯.২ ওভারে ২৯৯/৪ (কোহলি ১১৪, ধোনি ৫৫*, রোহিত ৪৩; ম্যাক্সওয়েল ১/১৬)। ফল : ভারত ছয় উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ : বিরাট কোহলি।



মন্তব্য