kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

চাপে থাকলেও আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগিনি

১৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



চাপে থাকলেও আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগিনি

স্বল্প পুঁজি নিয়েও খুলনা টাইটানসকে প্রথম জয় এনে দেওয়ায় দারুণ ভূমিকা তাইজুল ইসলামের। মাত্র ১০ রান খরচায় ৩ উইকেট নেওয়া এ বাঁহাতি স্পিনারের সেরা টি-টোয়েন্টি বোলিংও। এমন পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়ে মুখোমুখি হলেন সংবাদমাধ্যমেরও

প্রশ্ন : ১২৮ রান করার পরও কি জিতবেন বলে ভেবেছিলেন?

তাইজুল ইসলাম : আমাদের ব্যাটসম্যানরা ব্যাটিং করার সময়ই বুঝতে পেরেছিল যে উইকেটটি কঠিন। লক্ষ্যই তাই ছিল স্কোরবোর্ডে যতটা সম্ভব রান জমা করা। এটিও বুঝেছিলাম যে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং আরো কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তাই আমাদের বোলাররা শুরু থেকেই পরিকল্পনামতো বোলিং করেছে।

প্রশ্ন : উইকেট কি ঢাকার চেয়েও ধীর গতির ছিল?

তাইজুল : ধীর গতির বলা যাবে না। তবে উইকেটে অনেক টার্ন ছিল। প্রথম থেকেই ব্যাটিং করার জন্য উইকেটটি সুবিধাজনক ছিল না। বোলারদের উইকেট ছিল। স্পিন এবং কাটার ধরছিল।

প্রশ্ন : এই বিপিএলে সিলেটেই উইকেট থেকে সবচেয়ে বেশি সহায়তা পেলেন কি না?

তাইজুল : ঢাকায় উইকেট থেকে সাহায্য পাইনি, এমন নয়। এখানে স্পিন ও বাউন্স ছিল। যে কারণে ব্যাটসম্যানদের ব্যাটে-বলে ভালোমতো হয়নি।

প্রশ্ন : প্রথম চার ম্যাচেই হারার পর এই ম্যাচে জেতার বিশ্বাস ছিল?

তাইজুল : ক্রিকেট সব সময়ই চাপের খেলা। আমরা যেহেতু টানা চার ম্যাচ হেরেছিলাম, খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা ব্যাকফুটে ছিলাম। এর পরও আমাদের কর্মকর্তারা এবং টিম ম্যানেজমেন্ট খুব ভালো সমর্থন দিয়েছে। আমাদের ভেঙে পড়তে বারণ করেছিল। সব মিলিয়ে আমরা অতটা আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগিনি যে জিতব না।

প্রশ্ন : সেরা চারে থাকার লক্ষ্যপূরণ এখন কতটা সম্ভব বলে মনে হচ্ছে?

তাইজুল : এখনো আমাদের সাতটি ম্যাচ আছে। এর মধ্যে চার কিংবা পাঁচটি ম্যাচ জিততে পারলে আমাদের সেরা চারে থাকার সুযোগ থাকবে। টি-টোয়েন্টিতে অসম্ভব কিছুই নেই। আমরা সেরা চারে থাকার লক্ষ্য নিয়েই খেলছি।

প্রশ্ন : এই ম্যাচে সাদা বলে নিজের পারফরম্যান্স কেমন উপভোগ করলেন?

তাইজুল : সাদা বলের ক্রিকেট যে কখনো খেলিনি, এমন তো নয়। এর আগে জাতীয় দলে খেলেছি। খেলেছি ঘরোয়া ক্রিকেট, বিপিএলও। আমি সব ক্রিকেটই উপভোগ করি।



মন্তব্য