kalerkantho


বাংলাদেশকে বার্তা মাসাকাদজার

১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



বাংলাদেশকে বার্তা মাসাকাদজার

সিরিজটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। আমার মনে হয় এখানে ম্যাচ জেতার মতো দল আমাদের আছে।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : পরশু ঢাকায় নেমে কাল প্রথম অনুশীলন করল জিম্বাবুয়ে। বিসিবি একাডেমির মাঠে গতকাল দুপুরে প্রথম অনুশীলনের পর হ্যামিল্টন মাসাকাদজা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বললেন দলের প্রতিনিধি হয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সব ম্যাচেই হেরেছে জিম্বাবুয়ে, তবে মাসাকাদজা মনে করেন বাংলাদেশকে হারানোর সামর্থ্য রাখে তাঁর দল।

চলতি বছরের জানুয়ারিতেই ঢাকায় এসেছিল জিম্বাবুয়ে। ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে কোনো ম্যাচে হারাতে না পারলেও হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কাকে, যারা শেষমেশ জিতেছিল শিরোপা। ৯ মাস পর ঢাকায় আসা দলটি সেই দলের চেয়ে কিছুটা শক্তিশালী। দলে ফিরেছেন ক্রেইগ আরভিন, শন উইলিয়ামসের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। কোচিং স্টাফেও এসেছে বদল। হিথ স্ট্রিকের বদলে লালচাঁদ রাজপুত। বোর্ডের সঙ্গে জটিলতায় শুরুতে সিকান্দার রাজাকে দলে রাখেননি নির্বাচকরা, সেই গোলমাল মেটার পর এই ব্যাটসম্যানও দলে জায়গা পেয়েছেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশকে হারানোর সামর্থ্য এই দলটার আছে বলেই মনে করেন মাসাকাদজা, ‘সিরিজটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। আমাদের ভালো করার মতো খেলোয়াড় আছে, কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারও উঠে এসেছে। একই সঙ্গে অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররাও আছে। আমার মনে হয় এখানে ম্যাচ জেতার মতো দল আমাদের আছে।’

বাংলাদেশের মাটিতে খেলা, স্পিনই হবে দুই দলের তুরুপের তাস। গ্রায়েম ক্রেমার না থাকলেও অন্য স্পিনারদের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন না মাসাকাদজা, ‘চোটের কারণে সে দলে নেই, এই নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। মাভুতা আমাদের তরুণ লেগস্পিনার, দক্ষিণ আফ্রিকায় সে ভালো বল করেছে। উপমহাদেশে সে কেমন করে সেটাই দেখতে চাই।’ সাকিব আল হাসান আর তামিম ইকবারের অনুপস্থিতি খানিকটা সুবিধা করে দিলেও বাকিদের নিয়ে ঠিকই সমীহ মাসাকাদজার, ‘দুজনেই বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় নাম, অনেক দিন ধরেই দলের নিয়মিত পারফরমার। তবে তাদের বাইরেও বাংলাদেশ দলে অনেক ভালো ক্রিকেটার আছে, কিছু বদলি ক্রিকেটারও নিজেদের মেলে ধরার অপেক্ষায় আছে। আমার মনে হয় না বাংলাদেশ এতে খুব একটা শক্তি হারাবে।’ দক্ষিণ আফ্রিকায় সব ম্যাচ হেরে আসার পর বাংলাদেশ সফরেই অধরা জয়ের খোঁজ করছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় আমরা কোনো ম্যাচ না জিতলেও অনেক ম্যাচেই আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছি। অনেক ইতিবাচক অর্জন আছে আমাদের। সেই দিক থেকে ছেলেরা এই সিরিজে ভালো কিছু করারই অপেক্ষায় থাকবে।’ সেই সঙ্গে জিম্বাবুয়েকে সাহায্য করবে বাংলাদেশে নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতাও, ‘দলের পাঁচ-ছয়জন ক্রিকেটার এখানে খেলেছে। আরো অনেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে গেছে। কন্ডিশন সম্পর্কে ধারণা আর এখানে খেলার অভিজ্ঞতাটা কাজে দেবে। তারা জানে এখানে কিভাবে কাজ করতে হয়।’ মাসাকাদজার নিজের অবস্থাও খুব একটা সুবিধাজনক নয়, জুলাইতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫৯ রানের ইনিংসের পর আর কোনো হাফসেঞ্চুরি নেই। বাংলাদেশ সফরে দলের সঙ্গে নিজেকেও যে ভালো করতে হবে, এই কথাটাও নিশ্চয়ই জানেন মাসাকাদজা।



মন্তব্য