kalerkantho


গার্মেন্ট ব্যবসায়ী-ডাক্তারও আছেন এখানে!

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



গার্মেন্ট ব্যবসায়ী-ডাক্তারও আছেন এখানে!

পেডিয়াট্রিক ডাক্তার শারতান্তি লেসতারি আর আইভান সুডজাজদির মতো ব্যবসায়ীরাও কাজ করছেন এখানে। সময়টাকে নষ্ট না করে অংশ হয়েছেন এশিয়ান গেমসের, সেই সঙ্গে উপার্জনও করছেন বাড়তি কিছু। কোনো কাজই ছোট নয় তাঁদের কাছে।

 

জাকার্তা থেকে প্রতিনিধি : এশিয়ান গেমসের মেইন প্রেস সেন্টারে (এমপিসি) আসতেই প্ল্যাকার্ড হাতে স্বাগত জানান অনেকে। এমনই একজন সিনডি আওলিয়া। দাঁড়িয়ে থাকেন এশিয়ান গেমসের অন্যতম টেলিকম পার্টনার টেলকমসেলের প্যাভিলিয়নে। কেউ আসতেই মুচকি হেসে জানতে চান সিম লাগবে নাকি। দিন শেষে পরিপাটি পোশাকে দামি গাড়িতে চড়ে ফেরেন বাড়িতে। খোঁজ নিয়ে জানা গেল দুটি গার্মেন্ট কম্পানির মালিক তিনি! তেমনি পেডিয়াট্রিক ডাক্তার শারতান্তি লেসতারি আর আইভান সুডজাজদির মতো ব্যবসায়ীরাও কাজ করছেন এখানে। সময়টাকে নষ্ট না করে অংশ হয়েছেন এশিয়ান গেমসের, সেই সঙ্গে উপার্জনও করছেন বাড়তি কিছু। কোনো কাজই ছোট নয় তাঁদের কাছে।

সিনডি আওলিয়ার বাবা বাংবাং উইকাসোনো ইন্দোনেশিয়ান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। রয়েছে নিজের দুটি পোশাক তৈরির কারখানা। আট ঘণ্টা  সময় দেন সেখানে। বাকি সময়টা নষ্ট না করে এমপিসির টেলকমসেল মোবাইল কম্পানিতে এসে প্ল্যাকার্ড হাতে খুঁজছেন ক্রেতা। পশ্চিম জাকার্তার ইউনিভার্সিটি ইন্দো নুসা ইসা থেকে আইনশাস্ত্র পাস করা সিনডি জানালেন, ‘আমার পোশাক কারখানার অফিস দেখাশোনা করি প্রতিদিন। কারখানা দুটি যদিও ছোট। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পার্টটাইম কাজও করি, বসে থেকে কী হবে। সময়ও কাটল। কিছু টাকাও পেলাম।’

জাকার্তায় কেবলের ব্যবসা করেন পেলিটা হারপান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স করা আইভান সুডজাজদি। এশিয়ান গেমসে টেলকমসেলের প্রমোশনাল টিম লিডার হিসেবে কাজ করছেন তিনি। সময় নষ্ট না করতেই এসেছেন এমপিসিতে, ‘সময় নষ্ট করতে চাই না। আমরা ইন্দোনেশিয়ানরা আসলে অলস সময় কাটাই না। যত বেশি সম্ভব উপার্জন করে এগিয়ে নিতে চাই নিজেকে ও দেশকে।’

পশ্চিম জাকার্তার সরকারি হাসপাতাল সেঙকারেংয়ে ইন্টার্নি করছেন শারতান্তি লেসতারি। সপ্তাহে তিন দিন ইন্টার্নশিপ করেন। বাকি চার দিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। পশ্চিম জাকার্তা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে আসেন এমপিসিতে। সময় নষ্ট করতে চান না তিনিও, ‘ডাক্তারির পাশাপাশি আমি টেলকমসেল কম্পানিতে প্রমোশনাল কাজ করি। ছোট কাজ কিন্তু ভালো লাগে। টাকাও পাই।’ তরুণ,-তরুণীরা ছোট কাজকে ছোট মনে না করাতেই এগিয়ে চলেছে ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতি। জাকার্তা শহরটাকে তাই ইউরোপের বলে ভুল হতে পারে যে কারো!

 



মন্তব্য