kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

ট্রেনিং ভালো এবং সবার উন্নতি হয়েছে

২১ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



ট্রেনিং ভালো এবং সবার উন্নতি হয়েছে

কাতার ট্রেনিং শেষ। একটি প্রস্তুতি ম্যাচের জয় নিয়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। ২৮ জনকে নিয়েই চলছে জেমি ডের পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এ দিয়েই হবে দুটি দল—এশিয়াডের অনূর্ধ্ব-২৩ ও সাফের সিনিয়র দল। দুটি মিশনের প্রস্তুতি নিয়েই ফরোয়ার্ড সাখাওয়াত হোসেন কথা বলেছেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের সঙ্গে।

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : অনেক দিন পর আপনি গোল পেলেন...

সাখাওয়াত হোসেন : জাতীয় দলের হয়ে দুই বছর আগে গোল করেছিলাম শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। কাতারের ম্যাচটা অফিশিয়াল না হলেও গোল যেকোনো ফরোয়ার্ডকে আত্মবিশ্বাস জোগায়। ম্যাচটায় আমরা ভালো খেলেছি, বল পজিশনে এবং আক্রমণে আমরা এগিয়ে ছিলাম; কিন্তু সে অনুযায়ী গোল পাইনি।

প্রশ্ন : গত মৌসুমেও আপনি নিয়মিত খেলেননি চট্টগ্রাম আবাহনীতে...

সাখাওয়াত : প্রথম লেগে কিছু ম্যাচ খেলেছি, ৪ গোল করেছি। কিন্তু ইনজুরিতে পড়ে দ্বিতীয় লেগে ম্যাচ খেলা হয়নি। এখন কোনো ইনজুরি নেই, প্র্যাকটিস এবং প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলে নিজের পারফরম্যান্সের আরো উন্নতি করতে পারব মনে হয়।

প্রশ্ন : কাতারে এত গরমের মধ্যে ট্রেনিং কেমন হয়েছে? দলের সামগ্রিক অবস্থাই বা কী রকম?

সাখাওয়াত : খুব গরম ওখানে। সকালে ৪৫-৪৬ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যে আমরা ট্রেনিং করেছি, সন্ধ্যায় তাপমাত্রা একটু কমে যায়। এর মধ্যেও খুব ভালো ট্রেনিং হয়েছে আমাদের। এককথায় সবার ফিটনেসের উন্নতি হয়েছে এবং সবাই খুব মনোযোগী ছিল ট্রেনিংয়ে। কাতার ছাড়ার আগে টিম মিটিংয়ে কোচও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন খেলোয়াড়দের উন্নতিতে। এই ধারটা সাফ পর্যন্ত ধরে রাখা জরুরি। তবে ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য আমাদের বেশ কয়েকটি প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলা উচিত।

প্রশ্ন : নতুন কোচের ট্রেনিং কেমন উপভোগ করেছেন?

সাখাওয়াত : জেমি ডের চরিত্রের বড় গুণ হলো খুব বন্ধুভাবাপন্ন। ট্রেনিং গ্রাউন্ডেও মজা করতে করতেই কাজটা আদায় করে নেন। ‘উইথ বল’ ট্রেনিং তাঁর বেশি। আর ম্যাচে তিনি বেশি গুরুত্ব দেন ফরোয়ার্ড পাসের ওপর, প্রতিপক্ষের সীমানায় বেশি খেলে চাপ তৈরি করা। ম্যাচ দেখে মনে হয়েছে, ৪-২-৩-১ ফরমেশনই কোচের পছন্দ।

প্রশ্ন : এই দল কি ঢাকায় আগামী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্ব উতরাতে পারবে?

সাখাওয়াত : সব নির্ভর করছে আমাদের প্রস্তুতি এবং মাঠের পারফরম্যান্সের ওপর। যে রকম প্রস্তুতি চলছে, আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকলে দলটা আরো অনেকখানি গুছিয়ে উঠবে। পাশাপাশি প্র্যাকটিস ম্যাচ দরকার নিজেদের ভুল শোধরানো এবং আত্মবিশ্বাস ফেরানোর জন্য। ওসব ম্যাচে আমাদের প্রত্যেকের সম্পর্কেও কোচের স্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে। আগামী ৩০ জুলাই বোধ হয় আমরা কোরিয়া রওনা হব, সেখানে কিছুদিন প্র্যাকটিস ক্যাম্প হবে, ম্যাচও আছে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে চললে সাফের আগে একটা ভালো দল তৈরি হয়ে যাবে আশা করি।



মন্তব্য