kalerkantho


যুব গেমসের প্রতিভাবানরা যাচ্ছে বিকেএসপিতে

২০ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



কমিটমেন্টে অটল বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। যুব গেমসে বাছাইকৃত  প্রতিভাবান অ্যাথলেটদের বছরব্যাপী বিকেএসপির ট্রেনিংয়ে রাখার ব্যবস্থা করছে তারা।

 

 

ক্রীড়া প্রতিবেদেক : কমিটমেন্টে অটল বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। যুব গেমসে বাছাইকৃত  প্রতিভাবান অ্যাথলেটদের বছরব্যাপী বিকেএসপির ট্রেনিংয়ে রাখার ব্যবস্থা করছে তারা।

দেশে এবার প্রথমবারের মতো হয়েছে যুব গেমস। সাধারণত আসর শেষ হলেই সব শেষ হয়ে যায়। তার সুফল নেওয়া কিংবা গেমসের প্রতিভাবান অ্যাথলেটদের নিয়ে নতুন করে চিন্তা করার রেওয়াজ ছিল না এ দেশে। বিওএ সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে দারুণ এক উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিভাবানদের হারিয়ে যেতে দিতে চায় না তারা। গেমস শেষ হওয়ার চার মাসের মাথায় বিওএ তাদের দীর্ঘ মেয়াদে প্রশিক্ষণে রাখার ব্যবস্থা করছে। নির্বাহী কমিটির সভা শেষে গতকাল বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা বলেছেন, ‘যুব গেমস থেকে প্রাপ্ত প্রতিভাবান অ্যাথলেটদের দীর্ঘ মেয়াদে ট্রেনিংয়ে রাখার ব্যবস্থা হচ্ছে। ১৪টি ডিসিপ্লিনে যারা অষ্টম শ্রেণি বা তার নিচে লেখাপড়া করছে, তাদের বিকেএসপিতে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে বিকেএসপির সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। অভিভাবকরা সম্মতি দিলে তাদের বিকেএসপিতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’ তারা সেখানে শুধু ট্রেনিংই করবে না, বিকেএসপির ছাত্র হিসেবে পড়াশোনাও চালিয়ে যাবে। এর সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করবে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। নবম শ্রেণি বা তার ওপরের ক্লাসে পড়ুয়ারা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রেজিস্টার্ড হয়ে যাওয়ায় তাদের বিকেএসপিতে ভর্তির কোনো সুযোগ নেই। তাদের কিভাবে ট্রেনিংয়ে রাখা যায়, সেই চিন্তা করছে বিওএ।

যুব গেমস হয়েছে ২১টি ডিসিপ্লিনে আর বিভিন্ন ইভেন্টে ১৭০ জন প্রতিভা বাছাই করা হয়েছে। ১৪ ডিসিপ্লিনের অ্যাথলেটদের বিকেএসপিতে জায়গা হলেও বাকি সাত ডিসিপ্লিনের প্রতিভাবানরা বিকেএসপিতে থাকবে না। তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও করেছেন বিওএ মহাসচিব, ‘বাকি সাত ডিসিপ্লিনের অ্যাথলেটরা থাকবে নিজেদের ফেডারেশনের অধীনে। ফেডারেশনই তাদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবে, তার ব্যয়ভার বহন করবে বিওএ। আগামী সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।’

কালকের সভায় গেমস বিজয়ীদের পুরস্কারের অর্থমূল্য বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেমন—গত কমনওয়েলথ গেমসে রুপাজয়ী দুই শ্যুটার আবদুল্লাহ হেল বাকি ও শাকিল আহমেদ পেয়েছেন পাঁচ লাখ টাকা করে। সেটা আগামী গেমস থেকে আট লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। কমনওয়েলথের সোনাজয়ীর জন্য আগে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এখন বাড়ানো হয়েছে আরো পাঁচ লাখ। সামনে আছে এশিয়ান গেমস, সেখানে ব্যক্তিগত সোনাজয়ী পাবেন ২৪ লাখ টাকা আর দলগততে ৪০ লাখ। রুপার জন্য ১৫ লাখ ও ব্রোঞ্জজয়ী পাবেন ১০ লাখ টাকা।



মন্তব্য