kalerkantho


ভিএআর-সাফল্যে খুশি ফিফা

১৯ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



VAR (ভিএআর) বিশ্বকাপের ভাঁড় হয়ে যায়নি। লোক হাসানো বা কোনো মহাবিতর্কের জন্ম দেয়নি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিজ। এটা অনেক বড় স্বস্তির, যা ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর চোখে অর্জনও বটে, ‘রেফারিদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারপরফ্যান্স এই বিশ্বকাপের দারুণ এক অর্জন।’ ফুটবল বিশ্বকাপ প্রথমবারের মতো প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েছে, ভিডিও রিপ্লে দেখে রেফারি কয়েকটি ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বা আগের সিদ্ধান্ত বদলেছেন। মোটা দাগে ভালো বললেও কিছু খুঁত তো ছিলই। বিশেষ করে একই ধরনের ঘটনায় ভিএআরের সিদ্ধান্ত দেখা গেছে ভিন্ন।

ফাইনালের রেফারিং নিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। দ্বিমত আছে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম গোলের উৎস ফ্রি কিকটি নিয়ে, সেটি ফাউল হয়নি মনে করেন অনেকে। পরের গোলে ভিএআরের সুবাদে আর্জেন্টাইন রেফারি পিতানা সিদ্ধান্ত বদলে পেনাল্টি দেন। এটিও কারো কারো পছন্দ হয়নি। ওই পেনাল্টি গোলটাই ছিল ফাইনালের টার্নিং পয়েন্ট। কিন্তু ৯৮ বিশ্বকাপের ক্রেয়াট তারকা ইয়োভোনিমির বোবানের সেভাবে দেখার সুযোগ নেই। পুরো ভিএআর প্রজেক্টের তত্ত্বাবধানে থাকা ফিফার এই ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল এটাকে ফুটবলে প্রযুক্তির বিপ্লব হিসেবেই দেখছেন, ‘ফিফা প্রেসিডেন্ট বলেছেন ভিএআর ফুটবলকে বদলাবে না বরং পরিষ্কার করবে। এটাই আসল লক্ষ্য আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহারের। টুর্নামেন্টের আগে ও পরে এ জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, যার দুর্দান্ত ফল পেয়েছি আমরা ম্যাচে। এই দলের অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত।’ এর মূল দায়িত্বে ছিলেন ফিফা রেফারিজ কমিটির প্রধান পিয়ারলুজি কলিনা ও ফিফার রেফারিং বিভাগের পরিচালক মাসিমো বুসাক্কা।

বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত ভিডিও প্রযুক্তি টুর্নামেন্ট চলাকালীন ছিল বেশ আলোচিত ইস্যু। কখনো কখনো এর পক্ষে-বিপক্ষে তর্কও হয়েছে। এ নিয়ে আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন বোবান, ‘বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এ নিয়ে আলোচনা হওয়াটা খুব ভালো। খেলার সঠিক আইন-কানুন বোঝা এবং ভিএআরের প্রক্রিয়া এই আলোচনাকে গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে।’ বিশ্বকাপে এই প্রযুক্তির সাফল্য দেখে ফিফা তার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে নিজেদের ঘরোয়া ফুটবলে ভিএআর চালুর আহ্বান জানাবে। ফিফা ডটকম



মন্তব্য