kalerkantho


বিশ্বকাপ কর্নার

১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



বিশ্বকাপ কর্নার

আতঙ্কে পদদলিত ফ্রান্সে

কয়েকটি হামলার ঘটনার কারণে একটু শব্দ হলেই ফ্রান্সের নাগরিকরা আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় তটস্থ হয়ে পড়ে তারা। মঙ্গলবার রাতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ফ্রান্সের সেমিফাইনাল ম্যাচের সময় তেমনই এক আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। আর তাতেই নিস শহরে পদদলিত হয়ে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর নিসে ম্যাচ শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে জয়োৎসবের জন্য আতশবাজি ফোটানো হয়। কিন্তু বন্দুকের গুলির শব্দ মনে করে বড় পর্দার টেলিভিশনে খেলা দেখতে থাকা দর্শকের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। এতে পদদলিত হয়ে অন্তত ৩০ জন মারাত্মক আহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থলে অন্তত এক হাজার মানুষের উপস্থিতি ছিল। বেশ কিছু দর্শক আতঙ্কে কান্নাকাটি শুরু করেছিল, আবার কেউ কেউ একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে মৃত্যুভয়ে কাঁপছিল। দুই বছর আগে এই শহরে সন্ত্রাসী হামলায় ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ডেইলিমেইল

 

মডরিচের পক্ষে সুকার

সময়টা এখন লুকা মডরিচের। রিয়াল মাদ্রিদে চমৎকার মৌসুম কাটানোর পর বিশ্বকাপে আলো ছড়াচ্ছেন ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক। তাঁর চমৎকার নেতৃত্বে ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো ক্রোয়েশিয়া সেমিফাইনাল খেলেছে। মডরিচের পারফরম্যান্সে ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ডেভর সুকার এতটাই মুগ্ধ যে, এবারের ব্যালন ডি’অর তিনি মডরিচের হাতে দেখতে পাচ্ছেন।

সুকার বিশ্বকাপ দেখার জন্য এখন মস্কোয়। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে খেলা ক্রোয়েশিয়া দলের একজন সদস্য ছিলেন তিনি। তাঁর মতে, ‘ফুটবলের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত পুরস্কার পাওয়ার মতো যোগ্যতা অর্জন করেছে মডরিচ। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির একচ্ছত্র আধিপত্য ভেঙে এবার সে এটা জিততে পারে। শুধু ক্রোয়েশিয়ায় নয়, মাঠে এবং মাঠের বাইরে শিশুদের আদর্শ সে। ব্যালন ডি’অর নির্বাচনে আমার ভোট দেওয়ার অধিকার থাকলে আমি লুকাকে দিতাম।’ ডেইলিমেইল

 

উৎসবের নেতৃত্বে পামেলা

বিশ্বকাপে দলকে সমর্থন দিতে ফ্রান্সের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের স্ত্রী, বান্ধবী এবং স্বজনরা রাশিয়া এসেছেন। বুধবার বেলজিয়ামের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন পল পগবার বান্ধবী মারিয়া স্যালাউয়েসম, তাঁর মা এবং বেশ কয়েকজন আত্মীয়। ফরোয়ার্ড অলিভিয়ের জিরদের স্ত্রী জেনিফার, আরেক ফরোয়ার্ড ফ্লোরিয়ান থুভিনের বান্ধবী শারলোটে পিরোনির পাশাপাশি ডিফেন্ডার বেঞ্জামিন পাভার্দের বান্ধবী রাচেল লেগ্রেইন ত্রাপানিও খেলা দেখতে এসেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পামেলা অ্যান্ডারসন। স্বাভাবিকভাবে দর্শকের আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিলেন। ফ্রান্সের জয়োৎসবে খেলোয়াড়ের স্বজনদের মধ্যে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। পঞ্চাশ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন মাঠে এসেছিলেন ফ্রান্সের ডিফেন্ডার আদিল রামির টানে। এই ডিফেন্ডারের সঙ্গে বন্ধুত্ব রয়েছে অ্যান্ডারসনের। গত বছরের মে মাস থেকে তাঁদের মধ্যে মন দেওয়া-নেওয়া চলছে। ডেইলিমেইল

টিকিটভাগ্য

ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে ইংল্যান্ড ফাইনালে পৌঁছালেই টিকিটের চাহিদা হু হু করে বেড়ে যাবে। রাশিয়াতে যাওয়ার জন্য ইংলিশ সমর্থকদের লাইনটাও দীর্ঘ হবে। তবে সবাই টিকিট পাবেন না। শুধু ভাগ্যবানরাই টিকিটের দেখা পাবেন। কেননা চাহিদা অনুসারে টিকিটের সংখ্যা অনেক কম। তা ছাড়া টিকিট ফেরত আসার ওপর নির্ভর করছে ইংলিশ সমর্থকদের ভাগ্য। ব্রাজিল ও পর্তুগালের অনেকেই ফাইনালের টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু তাঁদের দেশ আগেভাগে বিদায় নেওয়ায় অনেকেই ফাইনাল ম্যাচ উপভোগের জন্য আর মাঠে যাবেন না। তাঁদের টিকিটগুলো ফেরত পাওয়ার পরই অনলাইনে এগুলো বিক্রি করা হবে। তবে এসব টিকিটের জন্য সমর্থকদের উচ্চমূল্য পরিশোধ করতে হবে। ডেইলিমেইল



মন্তব্য