kalerkantho


ওয়েস্টকোট নিয়েও মাতামাতি

১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



ওয়েস্টকোট নিয়েও মাতামাতি

ইংল্যান্ডে অফিসগুলো কাল আগেভাগে ফাঁকা হয়ে গেছে। শেষ সময়ে বাসে, ট্রেনের ভিড়ে পড়ে কেউই সেমিফাইনালের একটা মুহূর্ত মিস করতে চাইছিলেন না। খেলার আগে আগে রাস্তাঘাটও ফাঁকা। তখন পাবগুলোতে ভিড়, নয়তো খোলা জায়গায় বড় পর্দার সামনে।

হাইড পার্কে এমনই আয়োজন করা হয়েছে যাতে করে ৩০ হাজার দর্শক একসঙ্গে খেলা দেখতে পারেন। দ্য ব্রিটিশ বিয়ার অ্যান্ড পাব অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে ম্যাচ উপলক্ষে ১০ মিলিয়ন পাইট বেশি বিয়ার বিক্রির প্রস্তুতি ছিল তাদের। পুরো ইংল্যান্ড গত কিছুদিন ধরেই ‘ফুটবল’স কামিং হোম’-এর জ্বরে আক্রান্ত। লন্ডনের রাস্তায় বাসের সামনে এই ব্যানার শোভা পাচ্ছে, মোটরওয়ের দিকচিহ্নগুলোও জানাচ্ছে ফুটবলের এই ঘরে ফেরার খবর। সাউথগেট টিউব স্টেশন কবেই তো গ্যারেথ সাউথগেট স্টেশন নাম নিয়ে নিয়েছে। ইংলিশ কোচের ওয়েস্টকোট নিয়েও কম মাতামাতি হচ্ছে না। কাল মস্কোতে ম্যাচ শুরুর আগে অনেক সমর্থককেও দেখা গেছে সেই কোট পরে মাঠে ঢোকার অপেক্ষায়। ইংলিশ সাউথগেটের এই দলটা নিয়ে একেবারেই মাতামাতি ছিল না ইংলিশদের। দ্বিতীয় রাউন্ডে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারানোর পরই তাদের উচ্ছ্বাসের বাঁধ ভেঙে গেছে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনাল সামনে রেখে দলে দলে ইংলিশ সমর্থক ছুটেছেন মস্কোর পথে। কাল ম্যাচের আগেই প্রায় ১০ হাজার সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন সেখানে। তাতে করে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থাও নিতে হয়েছে মস্কোর পুলিশকে। গত ইউরোতে রাশিয়ান সমর্থকদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের অভিজ্ঞতার এবারও তেমন কিছুর আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছিল না। গতকাল ম্যাচের পর্যন্ত অবশ্য অপ্রীতিকর তেমন কিছুই ঘটেনি। ইংলিশরা পুরোপুরি মেতেছিলেন কেইন, ম্যাগুয়ারদের নিয়ে। সবারই ধারণা এবার কিছু একটা হয়ে যাবে। শেষ ষোলোতে টাইব্রেকার জুজু কাটানোই এই ধারণায় সবচেয়ে জোরালো ভূমিকা রেখেছিল। মেইলঅনলাইন



মন্তব্য