kalerkantho


বিশ্বকাপ কর্নার

১৯ জুন, ২০১৮ ০০:০০



বিশ্বকাপ কর্নার

ম্যাচসেরার পুরস্কারে ‘না’

বিশ্বকাপ ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার! সব ফুটবলারেরই স্বপ্ন এটা। ২৮ বছর পর মর্যাদার টুর্নামেন্টে ফেরার ম্যাচে সেরা হয়েছেন মিসরের গোলরক্ষক মোহামেদ এল শেনায়ি। উরুগুয়ের কাছে দল হারলেও অসাধারণ সব সেভেই তিনি জিতেছেন এই পুরস্কার। তবে ম্যাচসেরার পুরস্কার হিসেবে দেওয়া বাডউইজারের সুদৃশ্য মদের বোতলটা নেননি শেনায়ি। মুসলিম এই দেশটির খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচগুলোও খেলেছেন রোজা রেখে। ম্যাচসেরার পুরস্কার হিসেবে বাডউইজারের বোতল এগিয়ে দিতেই হাতের ইশারায় না নেওয়ার ইঙ্গিত দেন শেনায়ি। সেই ছবি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। দলের পরিচালক ইহাব লেহেতা এ নিয়ে জানালেন, ‘ম্যাচসেরার পুরস্কার হিসেবে মদের বোতল দিলে নেওয়া হবে না, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেইনি আমরা। এটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। শেনায়ি সেটা না নিলেও ছবি তুলেছে। কথাও বলেছে। তাহলে আর সমস্যা কোথায়?’ এপি

 

বিশ্বকাপেও...!

ফ্রান্স-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের তখন ২৯ মিনিট। বল আন্তোয়ান গ্রিয়েজমানের পায়ে। তাঁকে বাধা দিতে এলেন ট্রেন্ট সেইনসবুরি। হঠাৎ সেইনসবুরির পায়ের চাপে ফেটে গেল অ্যাডিডাসের টেলস্টার ১৮ বল। থেমে যায় খেলা। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চেও তাহলে ফাটে নামি কম্পানির বল! পরে বল বদলে ক্রীড়াসুলভ মানসিকতায় গ্রিয়েজমান সেটা পাঠিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষকের কাছে। এখানেই শেষ নয়। ৩৪তম মিনিটে কর্নার পেয়েছিল ফ্রান্স। সেটা নিতে যান কিলিয়ান এমবাপ্পে। কিন্তু বল হাতে নিয়ে সেটাও ফাটা! হয়তো ঘুরেফিরে ২৯তম মিনিটের ফাটা বলটাই চলে এসেছিল দেম্বেলের হাতে। এবারের টেলস্টার বল নিয়ে অবশ্য গোলরক্ষকদের আপত্তি শুরু থেকে। স্প্যানিশ গোলরক্ষক দাভিদ দে গেয়া বলেছিলেন, ‘হুট করে দিক বদলায় এটা।’ মার্কা

 

কোচের আদেশ না শোনায়...

ঘুমপাড়ানি ফুটবলই খেলছিল ক্রোয়েশিয়া-নাইজেরিয়া। লুকা মডরিচের দল ২-০ ব্যবধানে জিতেছে একটি আত্মঘাতী আরেকটি পেনাল্টি গোলে। মডরিচের পেনাল্টিটাই ছিল লক্ষ্যে থাকা ক্রোয়েশিয়ার একমাত্র শট। এমন নিরুত্তাপ ম্যাচেও কিনা বয়ে গেছে উত্তেজনার চোরাস্রোত। শেষদিকে ফরোয়ার্ড মারিও মানজুকিচের জায়গায় কোচ জ্লাতকো দালিচ নামতে বলেছিলেন নিকোলা কালিনিচকে। পিঠে ব্যথার কারণ দেখিয়ে নামতে চাননি তিনি। এরপর ম্যাচ শেষে দালিচ জানান, ‘দলের কারো ইনজুরি নেই তবে সমস্যা আছে!’

সেই সমস্যাটা জানা গেল গতকাল। সেরা একাদশে না থাকার অভিমানেই কালিনিচ নাকি নামতে চাননি শেষদিকে। ক্রোয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যমে খবরটা আসে সবার আগে। দল বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে থাকায় এ নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ক্রোয়েশিয়ান ফুটবল অ্যাসেসিয়েশন। তবে গতকাল ঠিকই কালিনিচকে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। ফুটবল মাঠে কোচই সব কিছু। তাঁর কথা না শোনার মতো হঠকারিতা কেউ করলে দলে জায়গা হারানোটাই স্বাভাবিক। এ জন্য দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ক্রোয়েশিয়ার অনুশীলনেও দেখা যায়নি কালিনিচকে। দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বিবৃতি না দিলেও সংবাদ সম্মেলনে ধোঁয়াশাটা কাটাতে চেয়েছেন দালিচ। ডেইলি মেইল

যিশুরূপী মেসি!

আর্জেন্টিনার ত্রাণকর্তা লিওনেল মেসি। ভক্তদের মাঝে এই বিশ্বাস এতটাই যে যিশুখ্রিষ্টের অবয়বেও তাঁকে কল্পনা করা হয়। বিশ্বকাপে আইসল্যান্ড-আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে তেমন এক পোস্টার হাতেই যে হাজির এক আর্জেন্টাইন সমর্থক।

 



মন্তব্য