kalerkantho


অভিজ্ঞতাই শক্তি দেশমের

১৪ জুন, ২০১৮ ০০:০০



প্রতিভার অভাব নেই দলে। এতটাই যে কাকে রেখে কাকে দলে নেবেন, সেটাই মধুর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে দিদিয়ের দেশমের জন্য। রাশিয়া বিশ্বকাপের দলে তিনি নিতে পারেননি আলেকজান্দ্রে লাকাজাতে, অ্যান্থনি মার্শিয়াল, কিংসলে কোম্যানের মতো খেলোয়াড়দের। এমন যে দলের শক্তি, তাদের তো ফেভারিট মানতেই হয়। কোচের কাজটাও তাই কঠিন বটে। দেশম অবশ্য মনে করছেন, মূল কাজটা আসলে মানিয়ে নেওয়া। আর সেটা করতে পারলেই সাফল্য পাওয়া সম্ভব।

‘কোচের মূল কাজটা হলো মানিয়ে নেওয়া। আমিও তা-ই করি, মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি’, বলেছেন দেশম। তবে তাঁর চোখে আসলে মূল নায়ক খেলোয়াড়রাই, ‘আমার ভাবনার সঙ্গে মিলিয়ে আমি খেলোয়াড়দের দলে নিই, কারণ ওরাই তো আসল কাজটা করে। প্রতিটি অভিজ্ঞতা, সেটা ভালো হোক বা খারাপ, তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে প্রয়োজন হলে আমাকে কিছু পরিবর্তন আনতে হয়।’

দেশমের কাজটাকে আরো কঠিন করে তুলেছে আসলে ফ্রান্স দলের বহুজাতিক চরিত্র। কিলিয়ান এমবাপ্পে, আঁতোয়ান গ্রিজমান, স্যামুয়েল উমতিতি, রাফায়েল ভারানে, পল পগবার মতো তারকারা শুধু ভিন্ন ভিন্ন জাতির প্রতিনিধিত্বই করেন না, তাঁরা খেলেনও ভিন্ন ভিন্ন দেশের ক্লাবে, ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে। তাঁদের এক সুতোয় গাঁথার কাজটাই সবচেয়ে কঠিন। কিন্তু দেশমের জন্য সেটা খুব বেশি কঠিন হওয়ার কথা নয়। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি, ওই দলটাও ছিল আক্ষরিক অর্থেই বহুজাতিক।  এমনকি দলের সবচেয়ে বড় সুপারস্টার জিনেদিন জিদান পর্যন্ত ছিলেন অভিবাসী এবং তিনি কখনো লুকানোর চেষ্টা করেননি তাঁর অভিবাসী পরিচয়। তখনকার কোচ আইমে জ্যাক ওই দলটাকে এক সুতোয় বেঁধেই পেয়েছিলেন ফ্রান্সের ইতিহাসের সেরা সাফল্য। দেশম নিজে খুব কাছে থেকে দেখেছেন সেটা, সেই অভিজ্ঞতা থেকেই মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টাকে এমন গুরুত্ব দিয়ে দেখতে শিখেছেন তিনি! টাইমস নিউজ নেটওয়ার্ক



মন্তব্য