kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

এখন থেকে আন্দাজে দল পাঠাব না

২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



এখন থেকে আন্দাজে দল পাঠাব না

বিসিবির হাই পারফরম্যান্সের (এইচপি) প্রধান হিসেবে কালই প্রথম সভা করলেন নাঈমুর রহমান। বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক গতকাল নির্বাচকদের সঙ্গে আলোচনায় বসার পর মুখোমুখি হলেন সংবাদমাধ্যমেরও। যেখানে এইচপির ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরার পাশাপাশি এই দলটির শেষ দুটি সফরে প্রতিপক্ষের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলে দেওয়া বক্তব্য দিলেন

 

প্রশ্ন : কী কথা হলো নির্বাচকদের সঙ্গে?

নাঈমুর রহমান : এইচপি দল গঠন নিয়েই আলোচনা হয়েছে। আমরা মে মাসে কার্যক্রম শুরু করব। মে’র শেষ দিকে পেস বোলারদের নিয়ে একটি অনুশীলন শিবির শুরু হবে। এরপর এইচপির স্কোয়াড বেছে নিয়ে এবং ‘এ’ দলের সঙ্গে কিছুটা সমন্বয় করে আরেকটি অনুশীলন শিবির হবে।

প্রশ্ন : তাহলে কি এইচপি আর ‘এ’ দলের কার্যক্রম একসঙ্গেই চলবে?

নাঈমুর : না, দুই দলের কার্যক্রম একই হবে না। তবে একই কার্যক্রমে যদি ‘এ’ দলকেও যুক্ত করে নিয়ে সমর্থন দেওয়া যায়, সেটা আমরা করব। আসলে একটা সমন্বয়ের মাধ্যমেই আমরা কাজটা করতে চাচ্ছি। যাদের আমরা ভবিষ্যতের সম্পদ বলে মনে করছি, তাদের একই সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনার জন্য এই সমন্বয়টা করা যেতে পারে।

প্রশ্ন : এইচপি নিয়ে আলাদা পরিকল্পনাটা তাহলে কী?

নাঈমুর : আলাদা পরিকল্পনা তো আছেই। কিছু জায়গা আছে, যেগুলোতে জোর দিতে চাই। এর মধ্যে নিউট্রেশন একটা বড় ব্যাপার। সেই সঙ্গে ফিটনেস তো আছেই। এই পর্যায়েই আমরা তরুণদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফিটনেসে পৌঁছে দিতে পারি কি না, সেই চেষ্টা থাকবে। ইচ্ছা আছে বড় পর্যায়ে খেলার মতো মনোভাব বা মানসিক শক্তির জায়গাটি নিয়ে কাজ করারও।

প্রশ্ন : এইচপি দলকে দেশের বাইরে খেলতে পাঠানোর ব্যাপারও আছে। কিন্তু গতবার ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফরে প্রতিপক্ষের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাঈমুর : গতবার কী হয়েছে, আমি সেটা জানি না। এবার যেমন ইংল্যান্ডে দল পাঠানোর আলাপ-আলোচনা চলছিল। সায়মনই (এইচপির হেড কোচ সায়মন হেলমট, এখন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ) ব্যবস্থা করছিল। আমি বলেছিলাম, প্রতিপক্ষ কারা জানতে চাই। না জেনে আন্দাজে দল পাঠিয়ে দিলেই তো হলো না। আমার কথা হলো, প্রতিপক্ষ যদি এইচপি বা ‘এ’ দলের সঙ্গে খেলার মতো হয়, তাহলেই আমরা যাব। নয়তো সফরই করব না। এখন থেকে আন্দাজে দল পাঠাব না।

প্রশ্ন : এইচপির খেলোয়াড় সংখ্যা নির্দিষ্ট করেছেন?

নাঈমুর : না, এখনো করিনি। পেসারদের অনুশীলন শিবির ১৪-১৫ জনকে নিয়ে হবে। এদের মধ্যে সামর্থ্য যাদের বেশি বলে মনে হবে, তারা ‘কোর’ স্কোয়াডেও ঠাঁই পাবে। ব্যাটসম্যান বা স্পিনার, সবার ক্ষেত্রেই নির্বাচকরা একই নীতি অবলম্বন করবেন। সেই সঙ্গে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় যারা আছে, যাদের আরেকবার সুযোগ দিয়ে দেখা যায়, তাদের কথাও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা হিসেবে নির্বাচকরা যাদের শনাক্ত করেছেন, ওদেরকেও দেখা হবে।



মন্তব্য