kalerkantho


বৃষ্টির হানায় স্বপ্নভঙ্গ

১৭ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বৃষ্টির হানায় স্বপ্নভঙ্গ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সেমিফাইনালে ২৭৪ লড়াই করার মতোই পুঁজি। পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াইয়েই ছিল বাংলাদেশ।

কিন্তু শেষটা দেখা হলো না। তার আগেই হেরে যেতে হয়েছে বৃষ্টি আইনে। পাকিস্তানকে ২ রানে জয়ী ঘোষণায়ও স্পষ্ট অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ফাইনালের কতটা কাছাকাছি ছিল বাংলাদেশও।

২৭৫ তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ করে পাকিস্তান। এরপর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে গেলে ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথডে পাকিস্তানকেই জয়ী ঘোষণা করা হয়। আজ অন্য সেমিতে মুখোমুখি হওয়া নেপাল-আফগানিস্তানের বিজয়ী দল হবে ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ। কাল কুয়ালালামপুরের কিনরারা একাডেমি মাঠে টস জিতে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশকে। ওপেনার পিনাক ঘোষ, অধিনায়ক সাইফ হাসান ও আফিফ হোসেনের তিনটি অর্ধশতকেই স্কোরবোর্ডে প্রায় পৌনে দুই শ রান জমা করে লাল-সবুজ। টুর্নামেন্টের ধারাবাহিক পারফরমার পিনাক চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে যখন আউট হন তখন দলের রান ১৮৬, এর মধ্যে ৮২ (৯৩ বল)-ই এই ওপেনারের।

অন্য ওপেনার নাইম শেখ ১৪ রানে আউট হলে পিনাকের সঙ্গে লম্বা জুটি গড়েছিলেন সাইফ। ৯৮ বলে ৬১ করে তিনি আউট হন। সাইফের পর আফিফ খেলতে থাকেন আস্থা নিয়ে, মিডল অর্ডার এই ব্যাটসম্যান ৫৫ বলে ৫২ করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন। পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে মুনির রিয়াজ নিয়েছে ৩ উইকেট। বাংলাদেশের অন্যতম সেরা তিনজন পিনাক, সাইফ ও তৌহিদ হৃদয়ের উইকেট নিয়েছেন তিনিই।

বোলিংয়ে ২৬ রানে ২ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছিল বাংলাদেশ। পরের ২ উইকেট ১২০ রানের মধ্যে। কিন্তু ক্রিজের এক প্রান্ত আগলে ধরে খেলে যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ তাহা, তাঁকে সঙ্গ দেন সাদ খান। তাহা ৯২ করে আউট হয়েছেন দলীয় ১৯৭ রানে। ৩৯ ওভারে খেলা যখন বন্ধ সাদ তখন ৩৫ রানে অপরাজিত, দলের স্কোর ১৯৯, ৫ উইকেটে। বৃষ্টি আইনে ফলটা তাদের পক্ষেই যায়। ২ রান আক্ষেপ হয়ে থাকে বাংলাদেশের জন্য।


মন্তব্য