kalerkantho


ইতিহাসের সেরা প্রত্যাবর্তনের গল্প

১০ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ইতিহাসের সেরা প্রত্যাবর্তনের গল্প

বার্সেলোনাকে অসম্ভব সম্ভব করতে হতো। ইউরোপিয়ান ফুটবলে কখনো যা হয়নি, প্রথম লেগের ০-৪ গোলের  হার উল্টে দিতে হতো।

পরশু রাতে বলে কয়ে তা-ই ঘটিয়ে দেওয়ার পর ইতিহাসের সেরা প্রত্যাবর্তনের তকমাই পাচ্ছে তা এখন। ইস্তাম্বুলে লিভারপুলের চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের রাত স্মৃতির সরণিতে উজ্জ্বল হয়েই থাকার কথা ফুটবল পিপাসুদের। সেখানে এখন যোগ হলো, ৮ মার্চ, ২০১৭—ন্যু ক্যাম্পে বার্সার ৬-১ গোলের জয়ের অমলিন এক ছবি। শুধু ফুটবলই নয়, ক্রীড়া বিশ্বেই এ পর্যন্ত যত প্রত্যাবর্তনের গল্প আছে সেগুলোর মধ্যেও বার্সার এই অর্জন পৌঁছেছে নতুন উচ্চতায়।

কিছুদিন আগেই সুপার বোলে নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টস আটলান্টা ফ্যালকনসের বিপক্ষে তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেও ২৮-৩ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় সেই ম্যাচ জিতেছে ৩৪-২৮ ব্যবধানে। ২০১২ রেইডার কাপ গলফে দ্বিতীয় দিন শেষেও ইউরোপ পিছিয়ে ছিল ১০-৪ ব্যবধানে। শেষ দিনে সেই ব্যবধানই ঘুচিয়ে আসর জেতে তারা ১৪.৫-১৩.৫ ব্যবধানে। প্রত্যাবর্তনের গল্পে সেসব ছাপিয়েও বার্সার ফেরা উজ্জ্বল হয়ে থাকছে, কারণ তাদের সম্ভাবনা যে ছিল ‘শূন্য’। খোদ উয়েফা থেকেই এমনটা ঘোষণা হয়েছিল।

বার্সা সেই শূন্য থেকেই আকাশ ছুঁলো। প্যারিস সেন্ত জার্মেই অ্যাওয়ে গোল পেয়ে গেলে বার্সার ফেরা তো আরো কঠিন হয়ে যায়, সেখানে শেষ ৭ মিনিটে ৩ গোল করে প্রত্যাবর্তনের নতুন গল্প লিখেছে তারা। ইস্তাম্বুলে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে মিলানের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ৩-০তে পিছিয়ে পড়ে দ্বিতীয়ার্ধে সেই তিন গোল ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচ ট্রাইবেকারে নিয়ে গিয়েছিল অলরেডরা। কিন্তু এদিন এদিনসন কাভানি অ্যাওয়ে গোল পেয়ে যাওয়ায় বার্সাকে জিততে হতো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই। সেই অসম্ভবই সম্ভব করে তারা। টেলিগ্রাফ, মেইল অনলাইন


মন্তব্য