kalerkantho



সেঞ্চুরি হাঁকালেন মি. ডিপেন্ডেবল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ নভেম্বর, ২০১৮ ১৫:৪১



সেঞ্চুরি হাঁকালেন মি. ডিপেন্ডেবল

ছবি : এএফপি

সিরিজের প্রথম টেস্টে ভালো করতে পারেননি। মহাবিপদে ধরতে পারেননি হাল। এতে তার 'মি. ডিপেন্ডেবল' তকমাটা একটু নড়েচড়ে গিয়েছিল। কিন্তু আজ থেকে শুরু হওয়া ঢাকা টেস্টে দলকে ভরসা দেওয়ার পাশাপাশি তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি। ১৮৭ বলে তিন অংক স্পর্শ করতে মুশফিক হাঁকিয়েছেন ৮টি চার। পিউর টেস্ট ব্যাটিং বলতে যা বোঝায় আরকি।

মুশফিকের আগে সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল হক। দুজনের জুটিতে এসে গেছে ২৩০ রান। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ৩ উইকেটে ২৫৬। মুশফিক ১০০* এবং মুমিনুল ১৩৬* রানে ব্যাট করছেন।

রাজধানীর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ রবিবার সিরিজ বাঁচানোর মিশনে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ১৩ রানে জার্ভিসের বলে চাকাভার গ্লাভসবন্দি হয়ে কোনো রান না করেই প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন ইমরুল কায়েস। রিভিউ নিয়ে বেঁচে যাওয়া ইমরুলের সঙ্গে যোগ দেন নিজেকে হারিয়ে ফেলা মুমিনুল হক।

জার্ভিসের দ্বিতীয় শিকার হন অপর ওপেনার লিটন দাস। ইনিংস বড় করার সুযোগ পেয়েও মাত্র ৯ রান করে তিনি ক্যাচ তুলে দেন মাভুতার হাতে। ৩ রানের মধ্যে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়ে ভীষণ চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। অভিষেক টেস্টে মোহাম্মদ মিঠুন ব্যাট হাতে এমন সময় নামলেন, যখন বাংলাদেশ দল মহাবিপদে। কিন্তু শূন্য রানে আউট হয়ে দলের বিপর্যয় আরও বাড়িয়ে দিলেন মিঠুন। ত্রিপানোর বলে তিনি ব্রেন্ডন টেইলরের তালুবন্দি হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে ২৬ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দলের এমন বিপদের মুহূর্তে হাল ধরেন মুমিনুল হক এবং মুশফিকুর রহিম। দুজনের জুটিতে একশ পার করে বাংলাদেশ। ৯২ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক। তাদের জুটি শতরান ছাড়িয়ে যায়। কঠিন সময় পার করে সাবলীল খেলতে থাকেন দুজন। এর মাঝেই ১৫০ বলে ১২ বাউন্ডারিতে ক্যারিয়ারের ৭ম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক। সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন তিনি।

সিলেট টেস্টের মতো ঢাকা টেস্টেও বাংলাদেশ দলে দেখা গেছে নতুন মুখ। অভিষেক হয়েছে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া সৈয়দ খালেদ আহমেদ এবং ওয়ানডে স্পেশালিস্ট মোহাম্মদ মিঠুনের। এছাড়া দীর্ঘ ৯ মাস পর সাদা পোশাকে ফিরেছেন 'কাটার মাস্টার' মুস্তাফিজুর রহমান। এই তিনজনকে জায়গা করে দিতে বাদ পড়েছেন পেসার আবু জায়েদ চৌধুরী, বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত ও বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু।

বাংলাদেশ একাদশ: মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, আরিফুল হক, মোহাম্মদ মিঠুন, মুস্তাফিজুর রহমান।



মন্তব্য