kalerkantho


চন্দরপলের চোখের নিচের কালো দাগের রহস্যভেদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ জুলাই, ২০১৮ ১৪:০৬



চন্দরপলের চোখের নিচের কালো দাগের রহস্যভেদ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটের সোনালী যুগের মহানায়কদের একজন শিবনারায়ণ চন্দরপল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বহু আগেই অবসর নিলেও, যিনি এখন পর্যন্তে ছেলের সঙ্গে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন। তার চেহারার ট্রেডমার্ক ছিল দুই চোখের নিচে কালো দাগ। এভাবেই প্রতিটি ম্যাচে মাঠে নামতেন তিনি। এই দাগ কি স্রেফ রোদ থেকে বাঁচার জন্য নাকি অন্য কোন রহস্য লুকিয়ে আছে?

খেলোয়াড়দের শরীরে নানান চিহ্ন বিরল কিছু নয়। কারও সারা গায়ে ট্যাটু। কারও আবার কানে দুল। আধুনিক সময় খেলাধূলার ময়দান যতই জনপ্রিয় হচ্ছে, ততই খেলোয়ারদের সাজসজ্জার প্রতি আকর্ষণ যেন বাড়ছে। তা ফুটবলের ময়দানে মেসি-নেইমার হোন, বা ক্রিকেটের মাঠে বিরাট কোহালি, কেভিন পিটারসন। কেউ যেন কারও থেকে কম যান না। শুধু বর্তমান প্রজন্ম নয়, একটু পিছিয়ে গেলেও খেলোয়ারদের মধ্যে এই সাজসজ্জার বিষয়টি বেশ প্রচলিত ছিল।

শিবনারায়ণ চন্দরপল যখন ব্যাট হাতে মাঠে নামতেন তখন তার ব্যাটিং স্টাইল থেকে শুরু করে ক্রিজের মাটিতে বেল ঠোকা— সব কিছুতেই একটা নজির তৈরি করেছিলেন। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল চন্দরপলের চোখের নীচে থাকা দাগ দুটি। আসলে এটা যেমন স্টাইল, তেমনই সূর্য রশ্মির প্রতিফলনের হাত থেকে বাঁচার জন্য একটি 'প্যাচ'। ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক।

রোদের প্রতিফলনের হাত থেকে রেহাই পেতে এই প্যাচ ব্যবহার করতেন চন্দরপল। ঠিক যে কারণে সানগ্লাস বা বিশেষ সাদা রঙের ক্রিম ব্যবহার করেন অনেক ক্রিকেটার। এই ধরনের প্যাচের ব্যবহার বেশি দেখা যায় আমেরিকান ফুটবলারদের ক্ষেত্রে। বিখ্যাত ক্রিকেটারদের মধ্যে একমাত্র চন্দরপলকেই এটি ব্যাবহার করতে দেখা গেছে। যদিও এই বিশেষ প্যাচ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে দ্বিমতও আছে। অনেকের মতে এই বিশেষ প্যাচে খুব একটা কাজে দেয় না।

সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা যে ব্রান্ড ব্যাবহার করতেন তার নাম 'মুলার'। কিন্তু আইসিসির সঙ্গে এই সংস্থায় চুক্তি না থাকায় ২০১১ বিশ্বকাপে এই প্যাচ ব্যবহার করতে পারেননি চন্দরপল। বুঝুন অবস্থা, সূর্য থেকে বাঁচতে হলেও চুক্তির দরকার আছে!



মন্তব্য