kalerkantho


আরাফাতের রেকর্ডের দিনে মাশরাফিদের হার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ মার্চ, ২০১৮ ২০:৪৫



আরাফাতের রেকর্ডের দিনে মাশরাফিদের হার

১৯ বছর বয়সী তরুণ ডান-হাতি পেসার ইয়াসিন আরাফাতের বিধ্বংসী বোলিংয়ের অসহায় আত্মসমর্পণ করে চলতি ডিপিএলে তৃতীয় হারের স্বাদ পেল আবাহনী লিমিটেড। দশম রাউন্ডের ম্যাচে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছে আবাহনী। ৮.১ ওভারে ৪০ রানের বিনিময়ে লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা আরাফাত। মাত্র তিনটি লিস্ট 'এ' ম্যাচ খেলা আরাফাতের উইকেটসংখ্যা ৯।

ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আবাহনীকে প্রথমে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানায় গাজী গ্রুপ। প্রথম বোলার হিসেবে বল হাতে নিয়ে আবাহনী ব্যাটসম্যানদের সামনে নিজের কারিশমা দেখান আরাফাত। তার ভেল্কিতে উইকেটে গিয়ে বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি আবাহনীর ব্যাটসম্যানরা।

১২ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর ওই স্কোরেই পঞ্চম ব্যাটসম্যানকে হারায় আবাহনী। এরমধ্যে চারটি উইকেটই ছিল আরাফাতের। অন্যটি নেন বাঁ-হাতি স্পিনার টিপু সুলতান। ওপেনার এনামুল হককে ১০ রানে থামান তিনি। আরাফাতের শিকার ছিলেন- সাইফ হাসান ১, নাজমুল হোসেন শান্ত ০, অধিনায়ক নাসির হোসেন ০ ও মোসাদ্দেক হোসেন ০।

৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে আবাহনীকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেন মোহাম্মদ মিথুন ও ভারতের মনন শর্মা। তবে বেশি দূর যেতে পারেননি তারা। তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান সুলতান। ৪২ বলে ৪১ রান করা মিথুনকে থামিয়ে দিয়ে দ্বিতীয় উইকেট নেন তিনি।

এরপর আবারো আবাহনী শিবিরে আঘাত হানেন আরাফাত। আবাহনী শেষ ৪ উইকেটও তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২৬.১ ওভারে ১১৩ রানে গুটিয়ে যায় আবাহনী। ৭ চারে ৫৮ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন মনন শর্মা।

জবাবে ১১৪ রানের টার্গেটে শুরুতে বিপদে পড়েছিল গাজী গ্রুপ। ২১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। কিন্তু পরবর্তীতে আর কোন বিপদ হতে দেননি অধিনায়ক জহিরুল ইসলাম ও পাকিস্তানের ফওয়াদ আলম। তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রানের জুটি গড়েন জহিরুল ও ফওয়াদ। এতে ১২১ বল হাতে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে গাজী গ্রুপ। 

এই জয়ে ১০ খেলায় ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রান রেট বিবেচনায় টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে উঠে এল গাজী গ্রুপ। সমানসংখ্যক ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে এখনও সবার উপরে আবাহনী।



মন্তব্য