kalerkantho


পরকীয়া, বউ পেটানোর অভিযোগে চুক্তি থেকে বাদ ভারতীয় পেসার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ মার্চ, ২০১৮ ১৭:১২



পরকীয়া, বউ পেটানোর অভিযোগে চুক্তি থেকে বাদ ভারতীয় পেসার

মোহাম্মদ শামি এবং তার স্ত্রী হাসিন। ছবি: এনডিটিভি স্পোর্টস

এই তো কিছুদিন আগেও সোশ্যাল সাইটে স্বামী-স্ত্রীর রোমান্টিক ছবি দেখে রোমান্টক সব মন্তব্য করতেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু হঠাৎই বদলে গেল দৃশ্যপট! সেই 'রোমান্টিক' স্বামীর বিরুদ্ধে উঠল বউ পেটানো আর পরকীয়ার গুরুতর অভিযোগ! শুধু অভিযোগ নয়, থানায় মামলাও হয়েছে। এসব কারণে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তারকা পেসার মোহাম্মদ শামিকে। 

সংবাদমাধ্যমের সামনে শামির স্ত্রী হাসিন বলেছেন, শামি নাকি পাকিস্তানের এক নারীকে বিয়ে করে তার সঙ্গে দুবাইয়ে একান্তে সময় কাটিয়েছেন। আরও অভিযোগ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরে শামি তাকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেছেন এবং শামির পরিবার থেকে তাকে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি খুনেরও চেষ্টা হচ্ছে।

ঘটনার শুরু মঙ্গলবার। যখন হাসিন ফেসবুকে নাগপুরের এক নারীর ছবি পোস্ট করে তার সঙ্গে কিছু আপত্তিজনক মোবাইল বার্তা আদানপ্রদান তুলে দিয়ে দাবি করেন যে, এই কথোপকথন তিনি শামির মোবাইল থেকে পেয়েছেন। ফেসবুকে হাসিন লেখেন, 'অনেক সহ্য করেছি। আর নয়।' বুধবার যদিও ফেসবুক অ্যাকাউন্টটিই উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

স্ত্রীর অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পরে শামি সমস্ত ঘটনা অস্বীকার করে টুইট করেন বুধবার সকালেই। লেখেন, 'যা চাউর করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাকে এবং আমার ক্রিকেট জীবনকে নষ্ট করার চক্রান্ত'। পরে একটি চ্যানেলকেও শামি বলেন, হাসিনের সঙ্গে কথা বলতে না পারলেও শ্বশুরের সঙ্গে কথা হয়েছে। আর তিনি হাসিনের সঙ্গেই জীবন কাটাতে চান।

তবে হাসিনের দাবি, একাধিক নারীর সঙ্গে শামির মোবাইলে আপত্তিজনক বার্তা আদানপ্রদানের প্রমাণ তার কাছে রয়েছে। বলেছেন, 'ও যখন যা করতে বলেছে, আমি করেছি। তার পরেও অত্যাচার থামেনি। ওকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার মতো সমস্ত প্রমাণ রয়েছে আমার কাছে।'

অভিযোগ অস্বীকার করে অবশ্য পার পাননি শামি। এই বিতর্কের জেরে বিসিসিআইয়ের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে আপাতত বাইরে রাখা হয়েছে শামিকে। অভিযোগ তুলে নিলে বা ভিত্তিহীন হলে চুক্তিতে তাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। কলকাতার গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, গতকাল বুধবার লালবাজারে গিয়ে পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের সঙ্গে দেখা করেছেন শামির স্ত্রী হাসিন।

 



মন্তব্য