kalerkantho


অসাধারণ ক্রিকেটার থেকে বিখ্যাত আম্পায়ার হয়েছেন যারা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৫:০৩



অসাধারণ ক্রিকেটার থেকে বিখ্যাত আম্পায়ার হয়েছেন যারা

ক্রিকেট ম্যাচে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে মাঠে নামেন আম্পায়ার। তার আঙুলির নির্দেশেই ম্যাচ পরিচালিত হয়। সামান্য ভুলে সবার আগে আঙুল ওঠে তাদের দিকেই। ক্ষতিগ্রস্ত ক্রিকেটাররা তো বটেই, সমর্থকরাও পর্যন্ত ক্ষেপে যায় আম্পায়ারদের ওপর। জবাবদিহি করতে হয় আইসিসির কাছে। সবকিছু সামলেই বছরের পর বছর আম্পায়ারিং করে যাচ্ছেন তারা। 

আম্পায়ার হতে হলে ব্যাপক পরিমাণ ক্রিকেট জ্ঞান থাকা জরুরি। কিন্তু নামী ক্রিকেটার হতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তারপরেও এই আম্পায়াদের মধ্যে অনেকেই আবার ক্রিকেটার হিসেবেও বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। রেকর্ড বইয়ে তাদের নামও পাওয়া যায় খুঁজলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কয়েকজন আম্পায়ার সম্পর্কে:

শ্রীনিবাস ভেঙ্কটরাঘবন: ভারতের শ্রীনিবাস ভেঙ্কটরাঘবন বিশ্বের অন্যতম সেরা আম্পায়ার। এই সাবেক অফস্পিনার ১৯৬৫ থেকে ১৯৮৩ পর্যন্ত ভারতের হয়ে ১৮ বছরে ৫৭টি টেস্ট ম্যাচ এবং ১৫টি ওয়ানডে খেলেছেন। পরবর্তীতে ৭৩টি টেস্ট এবং ৫২টি একদিনের ম্যাচ পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন ৭২ বছর বয়সী শ্রীনিবাস।

পল রাইফেল : গতবছর ম্যাচ পরিচালনার সময় মাথায় বল লেগে প্রায় মরতে বসেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান আম্পায়ার পল রাইফেল। আম্পায়ারিংয়ে আসার আগে অন্যতম সেরা সিম বোলার হিসেবে ৭ বছর অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে খেলেছেন। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত তিনি খেলেছেন ৩৫টি টেস্ট এব‌ং ৯২টি ওয়ানডে। অবসর নেওয়ার পর ২০০৯ সালে থেকে আম্পায়ারিংয়ের শুরু। এখানেও সফল তিনি। এখন পর্যম্ত ৩৫টি ওয়ানডে, ৫৪টি টেস্টের পাশাপাশি ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পরিচালনার করেছেন ৫১ বছরের রাইফেল।

কুমার ধর্মসেনা: শ্রীলঙ্কার এই আম্পায়ার গত বছর বেশ বিতর্কিত হয়েছিলেন ভুলভাল সিদ্ধান্ত দিয়ে। তারপরও আইসিসির প্রথম সারির আম্পায়ারদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ১৯৯৩ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার জাতীয় দলের অন্যতম ভরসা ছিলেন এই অফ স্পিনিং অল-রাউন্ডার। ১৯৯৬ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন ধর্মসেনা। ৪৬ বছরের ধর্মসেনা আম্পায়ার হিসেবেও অত্যন্ত সফল। ৫১টি টেস্ট, ৮৪টি ওয়ানডের পাশাপাশি ২২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি।

ইয়ান গোল্ড: নামটি শুনলেই চলে আসে ২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত কোয়ার্টার ফাইনালের স্মৃতি। পাকিস্তানের আলিম দার আর ইংল্যান্ডের ইয়ান গোল্ড সেদিন বাংলাদেশের বিপক্ষে একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। ক্রিকেটার জীবনে উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ইয়ান গোল্ড ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটের অত্যন্ত পরিচিত নাম। ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ টানা ১৯ বছর বহু কাউন্টি দলে খেলেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের হয়ে ১৮টি ওয়ানডে খেলেছেন। ১৫টি ক্যাচ এবং তিনটি স্টাম্পিংয়ের রেকর্ড আছে তার। ২০০৬ সাল থেকে আম্পায়ারিং পেশায় নামেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৬৪টি টেস্ট, ১২৩টি ওয়ানডে এবং ৩৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন ৬০ বছরের গোল্ড।

পিটার উইলি: ইংল্যান্ডের সাবেক এই অফ স্পিনার মিডল অর্ডারেও দারুণ ব্যাটিং করতেন। ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের হয়ে ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত ১০ বছরে ২৬টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। আম্পায়ার হিসেবে এখন পর্যন্ত ২৫টি টেস্ট এবং ৪৩টি ওয়ানডে ম্যাচ পরিচলান করেছেন ৬৮ বছরের পিটার উইলি।



মন্তব্য