kalerkantho


তাইজুলের পর শিকার ধরলেন মুস্তাফিজ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৩:৫৩



তাইজুলের পর শিকার ধরলেন মুস্তাফিজ

ছবি: এএফপি

শ্রীলঙ্কার টার্গেটটা খুব পরিস্কার। দ্রুত রান তুলে বাংলাদেশের সামনে পাহাড়সম টার্গেট চাপিয়ে দেওয়া। তাতেই বিজয় নিশ্চিত। এই টার্গেটেই এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৯২ রানে এগিয়ে গেছে দিনেশ চান্দিমালের দল। প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন তিন ব্যাটসম্যান। রাজ্জাকের প্রথম আঘাতের পর ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে বোল্ড করেন তাইজুল ইসলাম। এরপর গুনাথিলাকা (১৭) শিকার হয়েছেন 'কাটার মাস্টার' মুস্তাফিজুর রহমানের। ৮০ রানে তৃতীয় উইকেট হারাল শ্রীলঙ্কা।

প্রথম ইনিংসে ১১২ রানে এগিয়ে থাকা শ্রীলঙ্কা আজ শুক্রবার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্রুত রান তুলতে থাকে। এই উইকেটে দ্রুত রান তোলাই সেরা ডিসিশন। দলীয় ১৯ রানে কুশল মেন্ডিসকে (৭) এলবিডাব্লিউ করে ব্রেক থ্রু এনে দেন রাজ্জাক। ওয়ানডে স্টাইল ব্যাটিংয়ে ২৪ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ২৮ রান করা ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে বোল্ড করে দেন তাইজুল।

শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে করা ২২২ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১০ রানে অল-আউট হয় বাংলাদেশ। মাত্র ৪৫.৪ ওভার খেলতে পেরেছে মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদের দল। ৪ উইকেটে ৫৬ রান নিয়ে আজ দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতেই ভালো খেলতে থাকা উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান লিটন দাসকে (২৫) বোল্ড করে দেন সুরঙ্গা লাকমাল।

মেহেদী মিরাজের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু পারেননি। ৪৬ বলে ১৭ রান করা টাইগার অধিনায়ককে বোল্ড করে দেন ধনাঞ্জয়া। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। এই টেস্টে দলে ফেরা সাব্বির রহমান ৩ বলে 'ডাক' মেরে আউট হয়ে যান। একসময়ের হার্ডহিটার খ্যাত অভিজ্ঞ স্পিন জাদুকর আব্দুর রাজ্জাকও দীর্ঘদিন পর সুযোগ পেয়ে রান করতে পারেননি। ধনাঞ্জয়ার বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হওয়ার আগে করেছেন মাত্র ১ রান।

সবার ব্যর্থতার মাঝে একপ্রান্ত আগলে লড়াই করছিলেন তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী মিরাজ। এর মধ্যেই বোকার মত রান-আউট হয়ে যান তাইজুল ইসলাম। পরের বলেই মুস্তাফিজকে (০) বোল্ড করে দেন দিলরুয়ান পেরেরা। ১১০ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। ৭৮ বলে ৩৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন মেহেদী মিরাজ। এটাই বাংলাদেশের ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনের শেষভাগে বাংলাদেশের যে ৪টি উইকেট গিয়েছে তাতে বোলারের কৃতিত্বের চেয়ে ব্যাটম্যানের দায় বেশি। দলীয় ৪ রানে ওভারে সুরঙ্গা লাকমালের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে যান তামিম ইকবাল (৪)। পরের ওভারেই দৃষ্টিকটুভাবে রান-আউট হয়ে যান চট্টগ্রাম টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি করা মুমিনুল হক (০)। দলীয় ১২ রানে সেই লাকমলের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান মুশফিকুর রহিম (১)।


মন্তব্য