kalerkantho


'মাশরাফি ভাইয়ের জন্যই আমি জাতীয় দলে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৬:২৪



'মাশরাফি ভাইয়ের জন্যই আমি জাতীয় দলে'

প্রায় ৪ বছর আগে ২০১৪ সালে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু দুটির বেশি ওয়ানডে খেলা হয়নি তার। এরপর শুধুই অপেক্ষা। গত বছরের শেষে বিপিএলের পঞ্চম আসরে পেয়ে গেলেন দারুণ এক সুযোগ। বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন রংপুর রাইডার্স কিনে নিল তাকে। সেই দলের অধিনায়ক হলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। পাকা জহুরির মতোই টাইগার ক্যাপ্টেন বলে দিয়েছিলেন, এই ছেলের ভবিষ্যৎ ভালো।

বাকিটা শুনুন মিঠুনের মুখেই, 'আমার তো মনে হয় বিপিএলের পারফর্মেন্স পুরোটাই সাহায্য করেছে। কারণ, ওখানে আমার অবদান ছিল; পাশাপাশি আমাদের দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। আমি ভাগ্যবান যে, আমার দলের অধিনায়ক যিনি ছিলেন তিনি বাংলাদেশ দলেরও অধিনায়ক। মাশরাফি ভাই আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। তাঁর জন্যই আমি আজ জাতীয় দলে। উনি আস্থা না রাখলে এখানে থাকতে পারতাম না।'

বিপিএলের গত আসরে ১৩ ইনিংসে ২৯.৯০ গড়ে ৩২৯ রান করেছিলেন মিঠুন। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে তার আগে আছেন কেবল তামিম ইকবাল। দেশসেরা ওপেনারের সংগ্রহ ছিল ৩৩২ রান। মিঠুনের কিপিং আর ব্যাটিং দুটোই মুগ্ধ করেছিল মাশরাফিকে। ক্রিকেটপ্রেমীরাও যেন খুঁজে পেয়েছিলেন নতুন এক সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনা থেকেই ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে জায়গা হয়ে গেল মিঠুনের।

বিপিএলের গত আসরে মিঠুনের ব্যাটিংয়ের ধরন নজর কেড়েছে জাতীয় দলের নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টের। ২৭ বছর বয়সী মিঠুন মনে করেন, অধিনায়ক মাশরাফি আস্থা রাখায় এবং চাপমুক্ত হয়ে খেলার সার্টিফিকেট দেওয়ায় এত সুন্দর ব্যাটিং করা সম্ভব হয়েছিল। 

'শুরুতে আমাদের দলের ব্যাটিংটা যখন ভালো যাচ্ছিল না, তখন এমন অবস্থা হয়েছিল যে আমিই দলের মূল ব্যাটসম্যান। আমাকে সবাই উৎসাহিত করত যে, তুমি ভালো খেললে ম্যাচ জিতব, না হলে জিতব না। এ জিনিসটা অনেক বড় পাওয়া এবং ভালো খেলার উৎসাহ, আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়ায়,' বলেন মিঠুন।

পাশাপাশি ক্রিস গেইল, ব্রেন্ডন ম্যাককালামদের মতো বিশ্বমানের তারকাদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ারের অভিজ্ঞতাও কিন্তু মিথুনের জন্য দারুণ এক পাওয়া। 'তাঁদের সঙ্গে পুরো মৌসুম ছিলাম। অনেকগুলো ম্যাচ খেলেছি। তাঁদের সাথে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি। অনেক কিছুই শেখার চেষ্টা করেছি। ওঁরাও আমাকে খুব উৎসাহ দিত। গেইল, ম্যাককালাম কিংবা মাশরাফি ভাইয়ের মতো খেলোয়াড়রা যখন সুনাম করে তখন আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।' 



মন্তব্য