kalerkantho


খাজার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার লিড

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৪:৪৬



খাজার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার লিড

সেঞ্চুরির পর দর্শকদের অভিনন্দনের জবাব দিচ্ছেন উসমান খাজা। ছবি: এএফপি

উসমান খাজার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে অ্যাশেজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্টের ১৩৩ রানের লিড নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। খাজা খেলেছেন ১৭১ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। আবারও সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে  অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ থেমেছেন ৮৩ রানে। এছাড়া আগের দিন ৪৪ রানে অপরাজিত থাকা শন মার্শ ক্রিজে রয়েছেন ৯৮ রান নিয়ে। ব্যাটসম্যানদের দারুণ পারফরমেন্সে চতুর্থ দিনে সিডনির ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রচন্ড গরমে অস্ট্রেলিয়া ব্যাট হাতে কোথায় গিয়ে থামে সেটাই এখন দেখার বিষয়। 

ইতোমধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে অ্যাশেজ সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। গত সপ্তাহে মেলবোর্ন টেস্ট ড্র হওয়ায় সিডনিতে এ পর্যন্ত পারফরমেন্সে জয়ের আশা করতেই পারে স্বাগতিকরা। তৃতীয় দিন শেষে দুই ভাই শন মার্শ ও মিচেল মার্শের অপরাজিত ১০৪ রানের পার্টনারশিপে অস্ট্রেলিয়া ৪ উইকেটে ৪৭৯ রান তুলেছে। মঈন আলীর ৩ বলে দুই ছক্কা হাঁকানো মার্শ ৮৭ বলে ৬৩ রানে অপরাজিত আছেন। শেষ ওভারে অবশ্য তিনি এলবিডব্লিউর আবেদন থেকে বেঁচে যান।

অ্যাশেজ সিরিজে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিসহ ১৭১ রানের ইনিংসে খাজা ৫১৫ মিনিটে ৩৮১টি বল খেলেছেন। এর মধ্যে ছিল ১৮টি বাউন্ডারি ও ৬টি ওভার বাউন্ডারি। তবে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খাজার এটি ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ ও সিডনিতে প্রথম সেঞ্চুরি। এই সিরিজে আগের ম্যাচগুলোতে মাত্র ২টি হাফ-সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। দল থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও উঠেছিল। সিডনি টেস্টে তার জবাব দিলেন খাজা। এর আগে ২০১৫ সালে ব্রিসবেনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ১৭৪ রান করেছিলেন এই তারকা ব্যাটসম্যান।

অভিষিক্ত ম্যানস ক্রেনের বলে জনি বেয়ারস্টোর স্টাম্পিংয়ে শেষ হয় খাজার দুর্দান্ত ইনিংস। ক্রেনের এটি প্রথম টেস্ট উইকেট। এর আগে দিনের শুরুতে খাজা যখন ১৩২ রানে ক্রিজে ছিলেন তখন হ্যাম্পশায়ারের এই লেগ স্পিনারের বলে স্পষ্ট এলবিডব্লিউ হলেও নো বলের বেঁচে যান। ৯০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী বিশেষজ্ঞ স্পিনার হিসেবে ক্রেন (২০) ইংল্যান্ড টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছেন। ৩৯ ওভারে ১৩৫ রানে ১ উইকেট নিয়ে চ্যালেঞ্জিং দিনটি শেষ করেছেন ক্রেন।

সিরিজের চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন শন মার্শ। জো রুটের বলে তিনি ২২ রানে রিভিউয়ের কল্যাণে জীবন পান। এর আগে মধ্যাহ্ন বিরতির আগে স্মিথের উইকেটটি ছিল ইংল্যান্ডের দিনের একমাত্র সাফল্য। অজি অধিনায়ককে কট অ্যান্ড বোল্ড করে দিয়েছেন মঈন আলী। সকালের পুরো সেশনটাই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে খেলেছেন স্মিথ। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে তিনি ১৫৮ বলে করেছেন ৮৩ রান। ক্রিজে ছিলেন ২৫৩ মিনিট।

স্মিথ ও খাজার ১৮৮ রানের পার্টনারশিপেই মূলত অস্ট্রেলিয়ার বড় স্কোরের ভিত রচিত হয়। পুরো সিরিজেই স্মিথ সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মূলত তার ব্যাটিংই দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ৪ ম্যাচে ৬৮৭ ১৩৭.৪০ গড়ে ৬৮৭ রান করেছেন স্মিথ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ রান ছিল ২৩৯ যা তার ক্যারিয়ার সেরা।



মন্তব্য