kalerkantho


দুর্দান্ত জয়েই প্রথম পর্ব শেষ করল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২১:৩৫



দুর্দান্ত জয়েই প্রথম পর্ব শেষ করল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস

চলতি বিপিএল যে দুর্দান্ত পারফর্মেন্স দেখিয়ে আসছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস; আজ প্রথম পর্বের শেষ খেলাতেও তা অব্যাহত রইল। ব্যতিক্রম হলেই বরং চোখে লাগত।

নাসির হোসেনের সিলেট সিক্সার্সকে ২৫ রানে হারিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করল কুমিল্লা। অন্যদিকে ১১ ম্যাচে মাত্র ৪টি জয় নিয়েই টুর্নামেন্ট থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিল নবাগত সিলেট সিক্সার্স।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৭১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নামা সিলেট সিক্সার্সের দলীয় ৭ রানেই প্রথম আঘাত হানেন তরুণ মেহেদী হান। এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ান (৬)। তিন নম্বরে নামা অধিনায়ক নাসির হোসেনকে  (১২) বোল্ড করে দেন ক্রেমার। একপ্রান্ত আগলে রাখা ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার ৩০ বলে ২৫ রান করে ক্রেমারের দ্বিতীয় শিকার হলে তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে সিলেটের।

ক্রেমারকে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন বাবর আজম (২০)। জিম্বাবুয়ে অধিনায়কের তৃতীয় শিকার তিনি। মেহেদী হাসানের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন হুইটলি (৬)।

নিয়মিত উইকেট পতনের মাঝেও লড়াইয়ের চেষ্টা করেছিলেন সাব্বির রহমান। ২০ বলে ৩১ রান করতে মেরেছেন ৪টি চার এবং ১টি ছক্কা। হাসান আলীর বলে ধরা পড়েছেন মেহেদীর হাতে। ঘুরে দাঁড়ানোর কোন সুযোগই ছিল না। ৭ উইকেটে ১৪৫ রানে শেষ হয় কুমিল্লার ইনিংস।

এর আগে আজ বুধবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭০ রান তোলে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। দলীয় ২৪ রানে নাবিল সামাদের বল বোল্ড হয়ে যান জস বাটলার (৩)। ইমরুল কায়েস উইকেটে এসেই ছক্কা হাঁকান। ৭ রান করে তিনি শিকার হন নাসির হোসেনের। একপ্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত ব্যাটিং করছিলেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান লিটন দাস। একসময় তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।

মারলন স্যামুয়েলসের সঙ্গে লিটনের জুটিটা দারুণ জমে উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত ৪৩ বরে ৬ চার ৩ ছক্কায় ৬৫ রান করে হুইটলির বলে বাবর আজমের হাতে ধরা পড়েন লিটন। অন্যপ্রান্তে ব্যাট হাতে চড়াও হন স্যামুয়েলস। ৪৩ বলে ৫ চার ২ ছক্কায় ৫৫ রান করে কামরুল ইসলাম রাব্বির শিকার হন এই ক্যারিবীয় হার্ডহিটার। তামিমের জায়গায় অধিনায়কত্ব করা শোয়েব মালিক ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭০ রান তোলে কুমিল্লা।


মন্তব্য