kalerkantho


ঝলসে উঠলেন নেইমার; উড়ে গেল সেলটিক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ নভেম্বর, ২০১৭ ১৩:২৪



ঝলসে উঠলেন নেইমার; উড়ে গেল সেলটিক

ছবি: এএফপি

সুপারস্টার নেইমার এবং এডিনসন কাভানির দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে ঘরের মাঠ পার্ক ডি প্রিন্সেসে বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগে সেলটিককে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে প্যারিস সেন্ত-জার্মেই (পিএসজি)। এই জয়ে গ্রুপ 'বি'তে দ্বিতীয় স্থানে থাকা বায়ার্ন মিউনিখের থেকে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে গেল পিএসজি।

আগামী মাসে জার্মান জায়ান্টদের বিপক্ষে অন্তত ড্র করতে পারলেই গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে শেষ ১৬ নিশ্চিত করতে পারবে উনাই এমেরির শিষ্যরা।

দুই মাস আগে স্কটিশ এই দলটিকে তাদের মাঠে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ফ্রেঞ্চ জায়ান্টরা। কিন্তু ম্যাচ শুরুর মাত্র ৫৬ সেকেন্ডের মধ্যে মোসা দেম্বেলে গোল করে শুধুমাত্র সেলটিককে এগিয়ে দেননি, স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন পিএসজিকে।

তবে ম্যাচে এই একটিমাত্র সাফল্য ছাড়া আর কিছুই দেখাতে পারেনি স্কটিশ চ্যাম্পিয়নরা। হঠাৎ করেই এক গোলে পিছিয়ে গিয়ে পিএসজি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে। তারই ধারাবাহিকতায় কাভানি, নেইমার ও কাইলিয়ান এমবাপ্পের গোলে প্রথমার্ধেই পিএসজি ৪-১ গোলের লিড পায়। অন্যদিকে ব্রেন্ডন রজার্সের সেলটিক অনেকটাই খোলসের মধ্যে ঢুকে পড়ে।  

দ্বিতীয়ার্ধেও সমানভাবে নিজেদের স্কোরলাইন বাড়ানোর প্রচেষ্টায় ব্যস্ত ছিল স্বাগতিকরা। ৭৫ মিনিটে মার্কো ভেরাত্তি দলে পক্ষে পঞ্চম গোল করার ৪ মিনিট পর কাভানি দুর্দান্ত ব্যাক-পোস্ট ভলিতে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন।

ম্যাচ শেষের ১০ মিনিট আগে দানি আলভেস ২৫ গজ দুর থেকে জোরালো ভলিতে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন।

গতকালের ম্যাচের শুরুতেই গোল করে সেলটিক প্যারিসের সফরটা স্মরণীয় করে তুলেছিল। আর এই গোলের পেছনে অবদান ছিল ফ্রান্সেরই। ফ্রেঞ্চম্যান অলিবার এনচ্যামের কর্নার থেকে তারই স্বদেশি দেম্বেলে দারুণ এক গোলে সেলটিককে এগিয়ে দেন। তার এই গোলে পিএসজি গোলকিপার আলফোনসে আরেয়োলার তেমন কিছুই করার ছিল না।

তাদের এই উচ্ছ্বাস অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৯ মিনিটেই বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় তার নিজস্বতায় স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান। আদ্রিয়ের রাবোয়িটের থ্রু পাস থেকে সেলটিক গোলকিপার ক্রেইগ গর্ডনকে পরাস্ত করতে কোনো বেগ পেতে হয়নি নেইমারের। ২২ মিনিটে ভেরাত্তির সহায়তায় নেইমার পিএসজিকে লিড এনে দেন।  

২৮ মিনিটে নেইমারের পাসে কাভানি দলের পক্ষে তৃতীয় গোল করেন। পিএসজির জার্সি গায়ে এটি ছিল উরুগুয়ের এই তারকার ১৫০তম গোল। বিরতির ১০ মিনিট আগে এমবাপ্পে জোরালো ফ্রি-কিক পিএসজিকে ৪-১ গোলে এগিয়ে দেয়। মোনাকো থেকে চলতি মৌসুমে পিএসজিতে আসার পরে এমবাপ্পের এটা সপ্তম গোল।  

বিরতির পরে গর্ডনের কারনে এমবাপ্পে দ্বিতীয় গোল পাননি। ৭৫ মিনিটে অবশ্য ভেরাত্তি স্বাগতিক দর্শকদের হতাশ করেননি। ৭৯ মিনিটে ব্যাক-পোস্ট ভলিতে কাভানি নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। ম্যাচের শেষ গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা আলভেস। আর এই গোলেই পিএসজির বড় জয় নিশ্চিত হয়।


মন্তব্য