kalerkantho


বিপিএলে ৭৭ জুয়াড়ি সনাক্ত; বিচারের জন্য নেই আইন!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ নভেম্বর, ২০১৭ ২১:০৫



বিপিএলে ৭৭ জুয়াড়ি সনাক্ত; বিচারের জন্য নেই আইন!

ক্রিকেটের অন্ধকার দিক হলো জুয়া কিংবা বাজি। ঘরোয়া বা আন্তর্জাতিক যে কোনো ম্যাচে ক্রিকেটাররা যখন মাঠে লড়াই করেন; তখন দেশব্যাপী অসংখ্য মানুষ বসে পড়েন বাজির লড়াইয়ে।

এটা 'ওপেন সিক্রেট'; কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেই। চলতি বিপিএলের পঞ্চম আসরেও ৭৭ জুয়াড়িকে সনাক্ত করেছে বিসিবি। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, দেশে বেটিং নিষিদ্ধ হলেও নেই বেটিং বিরোধী কোনো আইন!

আজ শুক্রবার বিসিবিতে সংবাদ সম্মেলনে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক এমন অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন। তিনি বললেন, 'স্টেডিয়ামে আমাদের দূর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা বিভাগের লোকজন কাজ করে। স্টেডিয়ামের ভেতরে ও চত্ত্বরে কিছু হলে তারা ব্যবস্থা নেয়। এরমধ্যেই প্রায় ৬৫ জন বাংলাদেশিকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা মোবাইলে বেট করছিল। তাদেরকে চিহ্নিত করে তদন্ত করা হয়েছে। যেহেতু আমরা মামলা করতে পারি না। '

বিপিএল চলাকালীন সময়ে শহর থেকে গ্রামগঞ্জ এমনকী গ্যালারিতেও চলে জুয়ার আসর! মাঠের খেলা সরাসরি টিভিতে সম্প্রচার হতে দেরি হয় কয়েক সেকেন্ড।

এই সুযোগ নিতেই মাঠে বসে বেটিং করেন অনেক জুয়াড়ি। এদের শনাক্ত করতে পারলেও কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারায় অসহায় বিসিবি!

ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, 'বিসিবির আসলে সচেনতনতা বাড়ানো ছাড়া আর খুব বেশি কিছু করার নেই। কিছু কিছু বেটিং সাইটে বেট হয়, গ্রামেগঞ্জে হয়। সেসব নিয়ে কিছু করার নেই। আমরা স্কোরবোর্ডে, এলইডি বোর্ডসহ নানা জায়গায় প্রচার চালাচ্ছি বেটিং থেকে দূরে থাকতে। '

তিনি আরও জানান, চিহ্ণিত ৭৭ জনের মধ্যে বিদেশি ছিল আরও ১২ জন। তাদের মধ্যে ১০ জন ভারতীয়। মাঠের খেলা টিভিতে সম্প্রচার হতে ৪-৫ সেকেন্ড দেরি হয়, কখনও কখনও ৯ সেকেন্ড পর্যন্ত।  তাদের হাতেনাত ধরলেও মাঠ থেকে বের করে দেওয়া ছাড়া কিছু করার থাকে না।  আবার ধরে পুলিশে দিলেও ২-১ দিনের মধ্যে বের হয়ে আবার সেই আগের মতই জুয়া খেলতে থাকে তারা। তাই সঠিক আইন প্রণয়ন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অভিযান চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

 


মন্তব্য