kalerkantho


পাকিস্তানে আরও বড় সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা আইসিসির

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৫:৩৭



পাকিস্তানে আরও বড় সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা আইসিসির

লাহোরে সংবাদ সম্মেলনে আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন এবং পিসিবি প্রধান নাজাম শেঠি। ছবি: এএফপি

বিশ্ব একাদশ বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে বলতে গেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরে আসল পাকিস্তানের মাটিতে। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির আগ্রহে এই সিরিজের দুই ম্যাচ নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে।

সিরিজে এখন ১-১ সমতা। আগামী শুক্রবারের ম্যাচটি হবে সিরিজ নির্ধারণী। এমন খুশির সময়ে আরও একটি খুশির সংবাদ এল পাকিস্তানের ক্রিকেটে। দেশটির মাটিতে আরও সিরিজ আয়োজনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আইসিসি।

চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে আইসিসি চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর পাকিস্তানকে শুভকামনা জানিয়েছিলেন। একইসঙ্গে দেশটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরানোর সিরিজটির সফলতা কামনা করেছেন। তিনি বলেছিলেন, 'এই সিরিজের আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হলে পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দ্বার খুলে যাবে। তখন অন্য দেশগুলো দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ খেলতে পাকিস্তান যেতে সাহস পাবে। '

এবার আইসিসি প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসনের বক্তব্য পাকিস্তানের আশাকে আরও একধাপ বাড়িয়ে দিল।

লাহোরে বিশ্ব একাদশের বিপক্ষে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ম্যাচ চলাকালীন গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পিসিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রিচার্ডসন। বৈঠক শেষ সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি পাকিস্তানে আরও বেশি করে সিরিজ আয়োজনের জন্য আইসিসির ভাবনার কথা জানান।

রিচার্ডসন বলেন, 'ইতিমধ্যেই আইসিসি পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়নে এবং নিরাপত্তা রক্ষার সামর্থ্য বাড়ানোর প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়েছে। পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সেটা  নিয়মিত করাই এখন জরুরী। এ জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পাকিস্তান এবং আইসিসি। আরও বেশ কিছু ম্যাচ আয়োজন করার চেষ্টা করতে হবে। এর ফলে ধীরে ধীরে পূর্ণ সদস্য দেশগুলোও পাকিস্তানে আসা শুরু করবে। এটাই হবে পাকিস্তানে স্বাভাবিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরানোর উপায়। '

উল্লেখ্য, আগামী অক্টোবরেই ৩ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের একটি ম্যাচ পাকিস্তানে খেলবে শ্রীলঙ্কা। এরপর আগামী নভেম্বরে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজও। বিষয়দুটি উল্লেখ করে আইসিসির প্রধান নির্বাহী আরও বলেন, 'আপনাকে অবশ্যই সঠিক পদক্ষেপে এগুতে হবে। একটি টেস্ট সিরিজ মানে হলো, স্বাভাবিকভাবেই ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে অনেক বড়। আমি মনে করি, পরবর্তী পদক্ষেপ হওয়া প্রয়োজন সামর্থ্য বাড়ানোর দিকে নজর দেয়া। শুধু লাহোর নয়, এর বাইরে আরও কিছু শহর, এলাকা এবং ভেন্যুতে যাতে ম্যাচ আয়োজন করা যায় এবং সে পরিমাণ নিরাপত্তা সামর্থ্য যেন তৈরি হয় সেটাও দেখতে হবে। আশা করি এখানে দ্রুতই বড় কোনো সিরিজ আয়োজন করা সম্ভব হবে। '


মন্তব্য