kalerkantho


অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ থেকে তারকা হয়েছেন যাঁরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ আগস্ট, ২০১৭ ০২:৪৭



অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ থেকে তারকা হয়েছেন যাঁরা

অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ আসর বসছে ভারতে। অক্টোবরের ৬ তারিখ দিল্লিতে নিউজিল্যান্ড-তুরস্ক ম্যাচ দিয়েই এর শুভ উদ্বোধন।

টুর্নামেন্ট ফেভারিট হিসেবে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকেই এগিয়ে রাখছেন বিশেষজ্ঞরা। আর টুর্নামেন্ট মাতাতে আসছেন ব্রাজিলিয়ান ‘ওয়ান্ডার কিড’ ভিনিসিয়াস জুনিয়র।

এই ভিনিসিয়াসকেই এই অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের তারকা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন প্রাক্তন তারকারা। এই ব্রাজিলিয়ান তারকার মতো অনেক বিখ্যাত ফুটবলারই অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ খেলেই পাদপ্রদীপে এসেছেন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেইরকম কিছু বিশ্ব বিখ্যাত ফুটবলারকে

১) রোনালদিনহো গাউচো: সাম্বা ফুটবলের অন্যতম সেরা বরপুত্র প্রথম প্রচারে আলোয় আসেন ১৯৯৭ অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে। সেবার তার কারিকুরিতেই ঘানাকে হারিয়ে কাপ তোলে ব্রাজিল। এরপর ১৯৯৯ ব্রাজিলের জাতীয় দলে ডাক পান রনি। ২০০২ বিশ্বকাপ জয় তার ফুটবল জীবনের সবচেয়ে বড় মাইলস্টোন।

২)জাভি হার্নান্ডেজ: বার্সেলোনা ও স্পেনের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার তিনি।

স্পেনের ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ে তার অনেকটা অবদান ছিল। এহেন জাভির উথ্থান যুব বিশ্বকাপেই। ১৯৯৭ স্পেনকে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে তৃতীয় করতে অন্যতম বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন স্পেনের এই মিডফিল্ড জেনারেল। এরপরই বার্সার হয়ে অভিষেক ঘটান তিনি আর বাকিটা তো ইতিহাস।

৩)টনি ক্রুস: বায়ার্ন মিউনিকের অ্যাকাডেমি থেকেই ফুটবলে তার হাতেখড়ি শুরু। বায়ার্নের যুব দলে খেলতে খেলতেই জার্মানির যুব দলে ডাক পান তিনি। ২০০৭ অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে সোনার বল পান তিনি। এরপরই বায়ার্নের সিনিয়র দলের হয়ে অভিষেক ঘটান ক্রুস। ২০১৩ বায়ার্নের ত্রি-মকুট জয়ের অন্যতম বড় কারিগর ছিলেন তিনি। ২০১৪ জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদও পেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডিও।

৪)ইকার ক্যাসিয়াস: কিছুদিন আগে পর্যন্ত তাকে ছাড়া রিয়াল মদ্রিদ দল ভাবাই যেতনা। জাতীয় দলের প্রাক্তন সতীর্থ জাভির মতই ইকের ক্যাসিয়াসও প্রচারের আলোয় এসেছিলেন ১৯৯৭ অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ খেলেই। বিশ্বকাপের পরই রিয়ালের বি-টিমে জায়গা পান তিনি। বছর খানেকের ভিতর রিয়ালের সিনিয়র দলেও অভিষেক হয় তার। জাতীয় দলের নিয়মিত ২০০০ থেকে। জীবনের সেরা সাফল্য ২০১০ বিশ্বকাপ জয়।

৫)নেইমার জুনিয়র: বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার তিনি। ২২০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে তাকে দলে ভিড়িয়েছে প্যারিস সাঁজা। এহেন নেইমার প্রথম নজর কাড়েন ২০০৯ নাইজিরিয়ায় যুব বিশ্বকাপে। ব্রাজিলিয়ান তারকার স্কিল দেখেই তখন থেকেই তাকে দলে নেওয়ার জন্যই দড়ি টানাটানি শুরু হয় রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার। শেষ পর্যন্ত ৫৭ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে দলে ভেড়াতে সক্ষম হয় বার্সা। ব্রাজিলের সিনিয়র দলের জার্সিতে তার অভিষেক হয় ২০১০। তখন থেকেই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের পিন আপ বয় তিনি। জাতীয় দলের হয়ে ৭৭ ম্যাচে ৫২ করেছেন তিনি।


মন্তব্য