kalerkantho


প্রোটিয়াদের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টেও নেই টেইলর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ মার্চ, ২০১৭ ১৬:৩২



প্রোটিয়াদের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টেও নেই টেইলর

হ্যামিল্টনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য তৃতীয় টেস্টে খেলতে পারছেন না নিউজিল্যান্ডের তারকা ব্যাটসম্যান রস টেইলর। সোমবার তৃতীয় টেস্টের জন্য অপরিবর্তিত দল ঘোষণা করেছেন কিউই নির্বাচকরা।

পায়ের পেশির ইনজুরির কারণেই তিনি এই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন।  এছাড়া বাঁ-হাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্টের এখনো খেলা নিয়ে শঙ্কা আছে। কুঁচকির ইনজুরির কাটিয়ে তিনি সেড়ে উঠতে পারলে নেইল ওয়াগনার কিংবা কোলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের যেকোন একজনকে জায়গা ছেড়ে দিতে হতে পারে।

প্রথম টেস্টে ব্যাটিংয়ের সময় ইনজুরিতে পড়া টেইলর ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টেও অনুপস্থিত ছিলেন। দ্বিতীয় টেস্টে স্বাগতিকদের ৮ উইকেটে পরাজিত করে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা। নিউজিল্যান্ডের কোচ ক্রেইগ ম্যাকমিলান বলেছেন, অভিজ্ঞ টেইলরকে দলে ফিরিয়ে আনতে তারা কোন তাড়াহুড়া করতে চাচ্ছেন না। এমনকি শেষ টেস্টে জয়ী হয়ে সিরিজে সমতা আনতে টেইলরের মত খেলোয়াড়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেও কোনো ধরণের ঝুঁকি তারা নিতে চাচ্ছে না টিম ম্যানেজম্যান্ট। টম ল্যাথাম ও জেমস নিশামের ব্যাট থেকে রান আশা করছে কিউইরা। অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে অন্তর্ভূক্ত হওয়া ডি গ্র্যান্ডহোমও ব্যাট হাতে ততটা অবদান রাখতে পারেননি।

এই বিষয়গুলোই স্বাগতিকদের বেশী চিন্তিত করে তুলেছে।

এদিকে সিডন পার্কের শেষ টেস্টের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার তাদের স্পিন বিভাগকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অফস্পিনার ডেন পিয়েডেটকে অন্তর্ভূক্ত করেছেন। অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস স্পিন সহায়ক উইকেটই আশা করছেন। তবে নিউজিল্যান্ড দলে অতিরিক্ত কোন স্পিনারকে অন্তর্ভূক্ত করেনি। তৃতীয় টেস্টে দু’জন স্পিনার আশা করা হলেও জিতান প্যাটেলের ওপরই ভরসা রেখেছে স্বাগতিকরা। তবে অনেকেরই মত প্যাটেলের স্থানে মিশেল সান্টনারকে ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।  

জাতীয় নির্বাচক গেভিন লারসেন বলেছেন, খেলোয়াদের ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে। আমরা মনে করি এই মুহূর্তে তারাই দেশের সেরা ক্রিকেটার। যদিও এখনো পুরো দলকে নিয়ে কাজ করার অনেক জায়গা রয়েছে। ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে আমরা আরো বেশী রান আশা করছি। বোলিংয়েও আরো যতœশীল হতে হবে। আমরা একটি ভাল লড়াই দেখতে চাই, যেটা ব্ল্যাক ক্যাপস দলের ঐতিহ্য। গত দুই/তিন বছরেও আমরা নিউজিল্যান্ডের কাছ থেকে অনেক কিছু দেখেছি।


মন্তব্য