kalerkantho


কোচের চোখে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট কাঠামোর পার্থক্য

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ মার্চ, ২০১৭ ১৩:৪৬



কোচের চোখে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট কাঠামোর পার্থক্য

শিষ্যদের নিয়ে নিজ দেশ শ্রীলঙ্কা সফরে আছেন টাইগার কোচ চন্দ্রিকা হাতুরুসিংহে। ইতিমধ্যে প্রথম টেস্ট হেরেছে তার শিষ্যরা।

গতকালই সংবাদমাধ্যমের সামনে পরাজয়ের কাটাছেঁড়া করেছেন তিনি। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কান একটি দৈনিকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সাকিব-তামিমদের কোচ। সেখানে তিনি জানিয়েছেন বাংলাদেশকে নিয়ে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। আলোচনা করেছেন বাংলাদেশ আর শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট কাঠামো নিয়েও।

হাথুরুর চোখে তার নিজ দেশ শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের ক্রিকেট কাঠামোতে কিছু পার্থক্য আছে যা জাতীয় দলের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। তার মতে, বাংলাদেশের চাইতে শ্রীলঙ্কার স্কুল ক্রিকেট অনেক শক্তিশালী এবং মানসম্মত। তবে শ্রীলঙ্কার সিনিয়র বিভাগ ক্রিকেট নিয়ে তিনি পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। যদিও দেশটিতে ২৩টির মতো দল আছে যেগুলো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে। সদ্য শেষ হওয়া প্রিমিয়ার লিগেও এই দলগুলো অংশ নিয়েছিল।

কিন্তু এতগুলো দল অপ্রয়োজনীয় মনে করছেন হাথুরু।

তিনি বলেছেন, "২২-২৩টি দল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলবে এটা মোটেও ভালো কথা নয়। সর্বোচ্চ ১২-১৩টি দল থাকতে পারে। তাতে সিনিয়র পর্যায়ে বাছাইয়ে সুবিধা হবে। তবে শ্রীলঙ্কার স্কুল ক্রিকেটের কাঠামো নিয়ে আমি ভীষণ সন্তুষ্ট। এখান থেকেই জাতীয় দল আগামী দিনের তারকাদের পাবে। "

এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশ ছাড়া বাকি ৩টি দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট অনেক মানসম্মত। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের মান বাড়াতে অনেক পরামর্শ- অনেক লেখালেখি হয়েছে এবং হয়ে আসছে। সেই একইরকম স্পিন সহায়ক উইকেটে খেলানো নিয়েও কম কথা হয়নি। এসব কিছুর পরও বাংলাদেশের সিনিয়র বিভাগ ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামো নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন কোচ। বলেছেন, তার হাত দিয়ে গত ২ বছরে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে এ দেশে।

হাথুরু বলেছেন, "বাংলাদেশে ৪ দিনের ম্যাচের টুর্নামেন্ট এবং ১ দিনের ম্যাচের ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোতে ৮টির মতো দল প্রতিযোগিতা করে। এমনকি ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বিপিএল টুর্নামেন্টেও তাই। যে কারণে ভালো এবং প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা লাইমলাইটে আসার সুযোগ পায়। গত ২ বছরে আমি অনেক কিছুই পরিবর্তন করতে পেরেছি। এমনকি ঘরোয়া ক্রিকেটের উইকেট নিয়েও আমি কাজ করেছি এবং করছি। "

সাক্ষাৎকারের একপর্যায়ে সংবাদমাধ্যম ডিভাইনের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল, যদি শ্রীলঙ্কান বোর্ড তাকে আমন্ত্রণ জানায় তিনি কোচের দায়িত্ব নেবেন কিনা। হাথুরুসিংহে সানন্দে সম্মতি দেন। যদিও একসময় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড তাকে তুচ্ছ কারণে বহিষ্কার করেছিল।


মন্তব্য