kalerkantho


দ্বিতীয় টেস্টে বাদ পড়লেন রাব্বি; দলে ফিরলেন ইমরুল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ মার্চ, ২০১৭ ১৮:০৮



দ্বিতীয় টেস্টে বাদ পড়লেন রাব্বি; দলে ফিরলেন ইমরুল

প্রথম টেস্টের স্কোয়াডে থাকলেও একাদশে সুযোগ পাননি বোলিংয়ের পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারে দারুণ ব্যাটিং করে খ্যাতি পাওয়া পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি। এবার দ্বিতীয় টেস্টের জন্য ঘোষিত ১৬ সদস্যের দল থেকে বাদ পড়লেন তিনি।

কলম্বো টেস্টের দলে ফিরলেন ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা ওপেনার ইমরুল কায়েস। শনিবার দলের সঙ্গে যোগ দিতে শ্রীলঙ্কা যাত্রা করেন এই বাঁ হাতি ওপেনার।

নিউজিল্যান্ড সফরে উরুর পেশির চোটে পড়েছিলেন ইমরুল। এরপর ভারত সফরে গিয়ে আবারও ইনজুরিতে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত দেশেই ফিরে আসতে হয় তাকে। সুস্থ হওয়ার পর ঘরোয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে খেলেন তিনি। দেখান দুর্দান্ত পারফর্মেন্স। তিন ম্যাচের চার ইনিংসে ৩১, ৭, ১৩৬ ও ৫৭ রান করেন তিনি। শেষে নির্বাচকরা দেখতে চেয়েছিলেন লম্বা সময় ফিল্ডিং করার মত শারীরিক অবস্থা ইমরুলের আছে কিনা।

এই পরীক্ষাতেও পাশ করেন ইমরুল। অবশেষে ডাক আসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

এদিকে ইমরুলকে জায়গা করে দিতে বাদ পড়েছেন তরুণ পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি। সর্বশেষ ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে খেলেছিলেন তিনি। প্রথম ইনিংসে ১৯ ওভারে ১০০ রান দিয়ে উইকেট শূন্য ছিলেন ৫ টেস্ট খেলা এই তরুণ। এজন্য দ্বিতীয় ইনিংসে রাব্বিকে আক্রমণেই আনেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তবে ১১ নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমে দলের অন্যদের ব্যর্থতার মাঝে ৭০ বলে ৩ রান করে বেশ আলোচিত হন।  এর আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৯২ বলে ২ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ২৫ রান করেছিলেন তিনি।  

উল্লেখ্য, গলে সিরিজের প্রথম টেস্ট ২৫৯ রানে জিতে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা। সিরিজে সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে আগামী ১৫ মার্চ সফরের শেষ টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। এটি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে শততম ম্যাচ। ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে বড় ফরম্যাটে যাত্রা শুরু করে টাইগাররা।  

বাংলাদেশ স্কোয়াড: মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সাকিব আল হাসান, লিটন কুমার দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, শুভাশিষ রায়, রুবেল হোসেন, তাইজুল ইসলাম, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং ইমরুল কায়েস।


মন্তব্য