kalerkantho


রিয়ালের ত্রাতা আবার র‌্যামোস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ মার্চ, ২০১৭ ০৩:৫৪



রিয়ালের ত্রাতা আবার র‌্যামোস

মাত্র তিনদিন আগে লা লিগায় সেল্টা ভিগো ম্যাচে করেছিলেন লিও মেসি। গোল করে গ্যালারির দিকে তাকিয়ে টেলিফোনে কথা বলার মূকাভিনয়। তাজ্জব বনে গিয়েছিল ফুটবল দুনিয়া। গত মঙ্গলবার রাতে সেই একই অভিনয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটালেন রিয়াল মাদ্রিদ ক্যাপ্টেন সের্জিও র‌্যামোস।  

তাঁর দল তখন নাপোলির বিরুদ্ধে ০-১ গোলে পিছিয়ে। দ্বিতীয়ার্ধের ছয় মিনিটে দলের উদ্ধার কর্তা সেই র‌্যামোস। ডিফেন্স থেকে উঠে এসে হেডে গোল করে গেলেন। এবং অবিকল মেসির মতোই তাঁকে গোলের উৎসব করতে দেখা গেল, চোখ পিটপিট করতে করতে ফোনে কথা বলার অভিনয়ের মাধ্যমে।

র‌্যামোস অবশ্য দাবি করছেন, এটা আসলে মেসিই তাঁকে দেখে নকল করেছেন, গত ডিসেম্বরে এল ক্লাসিকোয় গোল করে আমিই প্রথম এটা করেছিলাম। সে সময় গোলটা উৎসর্গ করেছিলাম আমার ছেলেকে। মাঠে সেটা দেখেছিল লিও।

তাঁর টিম দ্বিতীয় লেগে ৩-১ জিতেছে। দুই লেগ মিলিয়ে রিয়ালের পক্ষে ফল ৬-২। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, ফল যাই হোক এই ম্যাচ খুবই খারাপ খেলেছে জিদানের ক্লাব। প্রথমার্ধে তো নাপোলির আক্রমণ-ঝড়ে তাদের প্রায় বিমর্ষ অবস্থা। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য নিজেদের অনেকটাই শুধরে নেয় রিয়াল।  

ছন্দে ফিরে তিনটি গোলও করে। রিয়ালের প্রথম গোলের ছয় মিনিট পরেই র‌্যামোসের আর একটি হেড নাপোলির বেলজিয়ান ফুটবলার মার্টেন্সের মাথায় লেগে গোলে ঢুকে যায়। তিন নম্বর গোল করেন আভারো মোরাতা।  

রিয়ালের জন্য উদ্বেগের ব্যাপার এ দিনও গোল পাননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। প্রধমার্ধে তিনি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। অবশ্য রোনাল্ডোর থেকেও বেশি সমালোচনা হচ্ছে রিয়াল ম্যানেজার জিনেদিন জিদানের। টিম খারাপ খেলার পরও কেন তিনি তারকাদেরই খেলিয়ে যাচ্ছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।  

জিদান নিজে বলেছেন, সিনিয়রদের খেলাতেই হবে। ওদের অভিজ্ঞতাটা টিমের জন্য দরকার। আর জানি না সবাই কেন বেলকে দোষ দিচ্ছে। প্রথমার্ধে তো আমার দলের কেউই ভাল খেলতে পারেনি। বিরতিতে আমরা মাথা ঠান্ডা করে একটা প্ল্যান করি। দ্বিতীয়ার্ধে তাই আমাদের খেলা অনেক ভাল হয়েছে। আশা করছি পরের ম্যাচগুলোতে সব সমস্যা কাটিয়ে উঠব।


মন্তব্য