kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কাছে গিয়েও এবার পারলেন না তামিম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ১৬:০৪



কাছে গিয়েও এবার পারলেন না তামিম

চট্টগ্রামের এই জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তামিম ইকবালের প্রথম ইনিংসটা ছিল ৮৬ রানের। সেটা ২০১০ সালের মার্চ মাস।

ইংলিশদের বিপক্ষে ওই বছরেরই জুনে শেষ ম্যাচটা খেলেছিলেন। ম্যানচেস্টারে প্রথম ইনিংসে ১০৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তামিম। ঘরের মাঠ থেকে পরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বরাবর দারুণ সফল এই ওপেনার। মনে হলো, একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টানা তিন টেস্টে সেঞ্চুরি হতে যাচ্ছে তার। ম্যানচেস্টারের আগে লর্ডসেই যে ১০৩ রানের স্মরণীয় এক ইনিংস খেলেছিলেন। কিন্তু হাতের কাছে এসেও তিন অংকের ম্যাজিক ফিগারটা হাতছাড়া হলো। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৭৮ রানে আউট হয়েছেন তামিম।

এই টেস্টের আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪টি ম্যাচ খেলেছেন তামিম। সবক'টি ২০১০ সালে। দেশে দুটি। ইংল্যান্ডে দুটি। ৮ ইনিংসে ছিল ২টি সেঞ্চুরি। ৪টি ফিফটি। গড় ৬৩। টেস্টে যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তামিমের সেরা গড়। তাতে প্রমাণ, ইংলিশ বোলারদের বিপক্ষে খেলাটা সব সময় একটু বেশি উপভোগ করেন। ২৭ বছরের বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান এবারো দারুণ খেললেন। কিন্তু ২২ রানের আক্ষেপ তার।

স্পিনারদের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে ২৯৩ রানে অল আউট ইংল্যান্ড। তাদের প্রথম ইনিংসটা শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের প্রথম ঘণ্টাতেই শেষ। তারপর ইমরুল কায়েসকে নিয়ে তামিমের লড়াই শুরু। ২৯ রানের সময় মঈন আলি জোড়া ধাক্কা দিলেন। ইমরুল (২১) ও মুমিনুল (০) লাঞ্চের আগের ওভারে আউট।

মাহমুদ উল্লাহর (৩৮) সাথে প্রতিরোধ গড়া শুরু তামিমের। রুখে দাঁড়ানো তৃতীয় উইকেট জুটিতে বিপদহীন দ্বিতীয় সেশনে ৯০ রানের জুটি তাদের। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটিটা তুলে নিয়েছেন তামিম। কিন্তু চা বিরতির আগেই আঘাত। আদিল রশিদ তুলে নিলেন মাহমুদ উল্লাহকে। এরপর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে ফিরলেন তামিম।

সেই ফেরার সময় ৫৫ রানে তামিম। আরো ৪৪ রানের এক জুটিতে তার অবদান। কিন্তু ৫৫তম ওভারে ভাঙে তামিমের প্রতিরোধ। ১১ বছর পর টেস্ট খেলদতে নামা ৩৯ বছরের অফ স্পিনার গ্যারেথ ব্যাটি তামিমের ঘাতক। ব্যাটির জোরের ওপর করা বলটা তামিমের ব্যাট ছুঁয়ে উইকেটের পেছনে জনি বেয়ারস্টোর গ্লাভসে। ১৭৯ বলে ৭৮ রানে শেষ তামিমের ইনিংস। চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হলেন। বাংলাদেশের রান তখন ১৬৩।    


মন্তব্য